
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে থাকা পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম পদত্যাগ করেছেন। আজ রোববার দুপুরে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এর আগে সকালে পুলিশ সদর দপ্তরে কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে জানান, সকালে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেই আইজিপি পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান। এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেন।
বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু না বললেও দুপুরে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র পাঠান। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের কর্মকর্তাদের মধ্যে বিস্ময় দেখা দিয়েছে। খবরটি বাহিনীর সদস্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে।
এর আগে গত জানুয়ারিতে আইজিপি তাঁর সরকারি পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন।
এ বিষয়ে জানতে তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে রদবদল হয়। এর ধারাবাহিকতায় সে বছর ২১ নভেম্বর বাহারুল আলমকে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে ২০২০ সালে তিনি পুলিশ বিভাগ থেকে অবসরে গিয়েছিলেন।
অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিকভাবে আইজিপি পদে নিয়োগ দেয়। সে অনুযায়ী চলতি বছরের ২১ নভেম্বর তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই তিনি পদত্যাগ করলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তাঁর বাসভবন ও কার্যালয়ে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তারেক রহমান জামায়াত আমিরের বাসায় পৌঁছান।
৪৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ধানের শীষের প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোটারের সমর্থন পেয়েছে। অন্যদিকে ভোটের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট। আজ রোববার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৩২টি আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আইন অনুযায়ী এখন কেবল হাইকোর্টের নির্দেশেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনা হবে।
১ ঘণ্টা আগে
অভিযোগের জবাবে আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, তড়িঘড়ির তো প্রশ্নই আসে না। আমাদের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে যারা সংযুক্ত ছিলেন তারা রাতদিন পরিশ্রম করে এই গেজেটটি প্রস্তুত করার চেষ্টা করেছেন। এটি যথাসময়ে প্রকাশ হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে