লবীব আহমদ, সিলেট

দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গতকাল রোববার নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন স্বতন্ত্র এক ভিপি প্রার্থী। এ ছাড়া নির্বাচনে প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে সর্বশেষ শাকসু নির্বাচন হয়। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি শাবিতেও ছাত্রসংসদ নির্বাচনের দাবি ওঠে। পরে গত বছরের ১৬ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুসারে, ১৭ ডিসেম্বর ভোট হওয়ার কথা। তবে এর বিরোধিতা করে এক পক্ষ ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানায়। এর বিরোধিতা করে ৪ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেয় শাখা ছাত্রদল। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফলে তাঁদের সঙ্গে বসে ২০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা দিয়ে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হয়। এরপর ১২ জানুয়ারি একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শাকসু নির্বাচনসহ সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে ২০ জানুয়ারি নির্বাচনের অনুমতি দেওয়া হয়।
স্থগিত চেয়ে রিট, ছাত্রদলের বিক্ষোভ
গতকাল শাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী মো. মমিনুর রশিদ শুভ। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে শুভকে বারবার কল দিলেও পাওয়া যায়নি।
তিন ইস্যুতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা নির্বাচন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নজিরবিহীন ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ‘অশনিসংকেত’ উল্লেখ করে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
এই রিট ও ছাত্রদলের কর্মসূচির প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা। পরে বিকেল ৪টায় ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে সংশয়ের মধ্যে আছি। ছাত্রদল কেন এ রকম করছে, সেটা তাঁরাই বলতে পারবে। আসলে আমরা নিজেরাই কনফিউজড, কেন তাঁরা এ রকম করছে। আমার মনে হচ্ছে, শাকসু হয়ে যাবে। এটা না হলে ন্যাশনাল একটা ইস্যু হবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বড় ধরনের আন্দোলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
তবে ছাত্রদল-সমর্থিত ‘সম্মিলিত সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, ‘রিটের কারণে একটা অনিশ্চয়তা দেখা যায়। আগেও শাকসুর জন্য অনেক আন্দোলন করা লাগছে। সবকিছুর জন্য আসলে আমরা হতাশ। নির্বাচনের জন্য যে একটা আমেজ ছিল, সেটা আসলে আগের মতো নাই। কতটা ভালোভাবে শাকসু হবে, ভোটাররা আসলে কতজন আসবে, সেটা নিয়ে আমরা সন্দিহান।’
শাকসু নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র কমিশনার ড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি আমাদের একজন প্রার্থী রিট করেছেন, তবে আমরা বিস্তারিত এখনো জানি না। আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। আমরা ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচন হওয়ার যে তারিখ রয়েছে, সেটাকে সামনে নিয়েই কাজ করেছি। আমাদের প্রস্তুতি একেবারে শেষ পর্যায়ে।’

দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গতকাল রোববার নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন স্বতন্ত্র এক ভিপি প্রার্থী। এ ছাড়া নির্বাচনে প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে সর্বশেষ শাকসু নির্বাচন হয়। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি শাবিতেও ছাত্রসংসদ নির্বাচনের দাবি ওঠে। পরে গত বছরের ১৬ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুসারে, ১৭ ডিসেম্বর ভোট হওয়ার কথা। তবে এর বিরোধিতা করে এক পক্ষ ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানায়। এর বিরোধিতা করে ৪ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেয় শাখা ছাত্রদল। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফলে তাঁদের সঙ্গে বসে ২০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা দিয়ে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হয়। এরপর ১২ জানুয়ারি একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শাকসু নির্বাচনসহ সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে ২০ জানুয়ারি নির্বাচনের অনুমতি দেওয়া হয়।
স্থগিত চেয়ে রিট, ছাত্রদলের বিক্ষোভ
গতকাল শাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী মো. মমিনুর রশিদ শুভ। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে শুভকে বারবার কল দিলেও পাওয়া যায়নি।
তিন ইস্যুতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা নির্বাচন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাব ও হস্তক্ষেপে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নজিরবিহীন ও বিতর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ‘অশনিসংকেত’ উল্লেখ করে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
এই রিট ও ছাত্রদলের কর্মসূচির প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা। পরে বিকেল ৪টায় ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে সংশয়ের মধ্যে আছি। ছাত্রদল কেন এ রকম করছে, সেটা তাঁরাই বলতে পারবে। আসলে আমরা নিজেরাই কনফিউজড, কেন তাঁরা এ রকম করছে। আমার মনে হচ্ছে, শাকসু হয়ে যাবে। এটা না হলে ন্যাশনাল একটা ইস্যু হবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বড় ধরনের আন্দোলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
তবে ছাত্রদল-সমর্থিত ‘সম্মিলিত সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাকিম বিল্লাহ বলেন, ‘রিটের কারণে একটা অনিশ্চয়তা দেখা যায়। আগেও শাকসুর জন্য অনেক আন্দোলন করা লাগছে। সবকিছুর জন্য আসলে আমরা হতাশ। নির্বাচনের জন্য যে একটা আমেজ ছিল, সেটা আসলে আগের মতো নাই। কতটা ভালোভাবে শাকসু হবে, ভোটাররা আসলে কতজন আসবে, সেটা নিয়ে আমরা সন্দিহান।’
শাকসু নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র কমিশনার ড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি আমাদের একজন প্রার্থী রিট করেছেন, তবে আমরা বিস্তারিত এখনো জানি না। আমাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। আমরা ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচন হওয়ার যে তারিখ রয়েছে, সেটাকে সামনে নিয়েই কাজ করেছি। আমাদের প্রস্তুতি একেবারে শেষ পর্যায়ে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে