বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান থেকে মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীরা সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা বিশ্ব ইজতেমার মাঠ ছাড়ার পর সরকার ওই মাঠের দায়িত্ব নেবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আজ বুধবার সরকারের পাঁচজন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর সাদ অনুসারী মাওলানা রেজা আরিফ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিশাল জনসংখ্যা নিয়ে তারা (জুবায়ের অনুসারী) মাঠের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আগে থেকে সেখানে আমাদের (সাদ অনুসারী) অনেক লোকজন জড়ো হয়েছেন। সরকারের অনুরোধে আমরা মাঠ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যাতে কোনোরকমে সমস্যা তৈরি না হয়।
মাঠ ছেড়ে দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে রেজা আরিফ বলেন, মাঠ ছেড়ে দিয়ে আমরা কামারপাড়া রোড দিয়ে পশ্চিম পাশের মারকাজের কাছ দিয়ে যার যার মতো করে চলে যাব। কামারপাড়া দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলে রক্ষাকারী বাহিনী আমাদের যাবতীয় সহযোগিতা করবেন।
রেজা আরিফ বলেন, এখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকার মাঠের দায়িত্ব নিয়ে নেবে, কেউ মাঠে থাকবেন না।
টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হতাহতের পর মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীদের নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আ ক ম খালিদ হোসেন বৈঠক করেন।
সাদ অনুসারীদের সঙ্গে বৈঠকের পর জুবায়ের অনুসারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন উপদেষ্টারা।
সাদ অনুসারীদের উদ্দেশ্যে রেজা আরিফ বলেন, কেউ কারও সঙ্গে উঁচু গলায় কথা বলবেন না, কোনো রকম ক্যাজুয়ালটি যেন না হয়, কোনো রকম মারামারি যেন না হয়, কোনো রকম সমস্যা যাতে না হয়।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সাথিরা এখনই মাঠ ছাড়া শুরু করুন। আর ওনাদের (জুবায়ের অনুসারী) প্রতি আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি সরকারের সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিয়েছি। আমরা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে মাঠ ছেড়ে দিচ্ছি। উনারাও যেন ইসলামের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে কোনো রকম সমস্যার চেষ্টা না করেন। উনারাও যেন রাস্তার মধ্যে নেমে না আসেন এবং কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার না করেন।’
রেজা আরিফ বলেন, ‘যে ঘটনা ঘটেছে কে দায়ী সেটি জরুরি নয়, অবশ্যই মুসলমান হিসেবে এবং দেশের নাগরিক হিসেবে দুঃখ প্রকাশ করছি। যাই হয়েছে, এটা একেবারে অনুচিত হয়েছে । মুসলমান-মুসলমান মারামারি, তাবলিগের সাথিরা-সাথিরা মারামারি, এটা একেবারেই ঠিক হয়নি। এ জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতে যাতে এমন কোনো কর্মকাণ্ড আর না হয় আমাদের সেই চেষ্টা থাকবে।’

টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান থেকে মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীরা সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা বিশ্ব ইজতেমার মাঠ ছাড়ার পর সরকার ওই মাঠের দায়িত্ব নেবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আজ বুধবার সরকারের পাঁচজন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর সাদ অনুসারী মাওলানা রেজা আরিফ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিশাল জনসংখ্যা নিয়ে তারা (জুবায়ের অনুসারী) মাঠের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আগে থেকে সেখানে আমাদের (সাদ অনুসারী) অনেক লোকজন জড়ো হয়েছেন। সরকারের অনুরোধে আমরা মাঠ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যাতে কোনোরকমে সমস্যা তৈরি না হয়।
মাঠ ছেড়ে দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে রেজা আরিফ বলেন, মাঠ ছেড়ে দিয়ে আমরা কামারপাড়া রোড দিয়ে পশ্চিম পাশের মারকাজের কাছ দিয়ে যার যার মতো করে চলে যাব। কামারপাড়া দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলে রক্ষাকারী বাহিনী আমাদের যাবতীয় সহযোগিতা করবেন।
রেজা আরিফ বলেন, এখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকার মাঠের দায়িত্ব নিয়ে নেবে, কেউ মাঠে থাকবেন না।
টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হতাহতের পর মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীদের নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আ ক ম খালিদ হোসেন বৈঠক করেন।
সাদ অনুসারীদের সঙ্গে বৈঠকের পর জুবায়ের অনুসারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন উপদেষ্টারা।
সাদ অনুসারীদের উদ্দেশ্যে রেজা আরিফ বলেন, কেউ কারও সঙ্গে উঁচু গলায় কথা বলবেন না, কোনো রকম ক্যাজুয়ালটি যেন না হয়, কোনো রকম মারামারি যেন না হয়, কোনো রকম সমস্যা যাতে না হয়।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সাথিরা এখনই মাঠ ছাড়া শুরু করুন। আর ওনাদের (জুবায়ের অনুসারী) প্রতি আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি সরকারের সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিয়েছি। আমরা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে মাঠ ছেড়ে দিচ্ছি। উনারাও যেন ইসলামের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে কোনো রকম সমস্যার চেষ্টা না করেন। উনারাও যেন রাস্তার মধ্যে নেমে না আসেন এবং কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার না করেন।’
রেজা আরিফ বলেন, ‘যে ঘটনা ঘটেছে কে দায়ী সেটি জরুরি নয়, অবশ্যই মুসলমান হিসেবে এবং দেশের নাগরিক হিসেবে দুঃখ প্রকাশ করছি। যাই হয়েছে, এটা একেবারে অনুচিত হয়েছে । মুসলমান-মুসলমান মারামারি, তাবলিগের সাথিরা-সাথিরা মারামারি, এটা একেবারেই ঠিক হয়নি। এ জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতে যাতে এমন কোনো কর্মকাণ্ড আর না হয় আমাদের সেই চেষ্টা থাকবে।’

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
৩ ঘণ্টা আগে