রংপুর প্রতিনিধি

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা এনসিপিকে ‘কুত্তার বাচ্চারা’ বলে গালি দিয়েছেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের রংপুর সেনপাড়ার বাসভবন ‘দ্য স্কাই ভিউ’তে বৃহস্পতিবার রাতে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে রংপুর মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল অংশ নিয়ে হামলায় এনসিপি নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগ করে এমন গালিগালাজ করেন তিনি।
আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রংপুর জাতীয় পার্টির উদ্যোগে রংপুর মহানগর, জেলা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল অংশ নেন।
নগরীর সেন্ট্রাল রোডের জাপার কার্যালয় থেকে বিক্ষোভটি শুরু হয়। বিভিন্ন সড়ক ঘুরে জাপার কার্যালয়ের গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় পায়রা চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, ‘যে বাড়িটিকে রংপুরের মানুষ তাঁর মণিকোঠায় স্থান দিয়েছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর চলছে, ৫৪ বছর যে বাড়িটির সামনে কেউ কোনো গন্ডগোল করতে পারে নাই। এই “এনসিপি কুত্তার বাচ্চারা” তোমরা হিজড়ার মতো পেছন পাশ থেকে গিয়ে হামলা, ভাঙচুর করো, তোমরা পার্টি অফিসে আসতা, আমরা তো পার্টি অফিসে ছিলাম। তোমরা হিজড়ার মতো পেছন থেকে গিয়ে অতর্কিতে হামলা করলা।’
এনসিপি ও প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মোস্তফা বলেন, ‘যদি ক্ষমতা থাকে, এনসিপি যদি ঘোষণা দিয়ে করতে চায়, জাতীয় পার্টি সব সময় প্রস্তুত আছে। আমরা কোনো সন্ত্রাসী রাজনৈতিক সংগঠন নই। জাতীয় পার্টি সাধারণ জনমানুষের দল। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আমাদের সেটা শিক্ষা দিয়ে গেছে। আমরা কোনো ভাঙচুর, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখল-বাণিজ্যের মধ্যে কোনো জাতীয় পার্টি ছিল না। এখনো নাই, ভবিষ্যতেও থাকব না। এখন মব ভায়োলেন্সের যুগ। আমরা প্রশাসনকে বলব আপনারা সরে দাঁড়ান। মব ভায়োলেন্সে জাতীয় পার্টি কিন্তু দুর্বল না। জাতীয় পার্টি আমরা যেকোনো মবের ফেস করতে পারি।’
হুঁশিয়ারি দিয়ে মোস্তফা আরও বলেন, ‘১৬ জুলাই যখন আবু সাঈদ মারা গেল, দেখা গেল রংপুরে একমাত্র জাতীয় পার্টির ব্যানার নিয়ে, লাঠিসোঁটা নিয়ে বৈষম্যবিরোধীর পক্ষে ছিল। সব ধরনের সহযোগিতা আমরা করেছি। এখন বলতে চাই না আমরা কী সহযোগিতা করেছি। আজকে সেই এনসিপির কুলাঙ্গারেরা আজকে জাতীয় পার্টির বিপক্ষে লাগছে। তা আমরা চাই, প্রশাসন সরে দাঁড়ান, মাঠ ফ্রি করেন। আমাদের শক্তিমত্তা আছে কি না আমরা একটু জানান দিতে চাই।’
জাপা নেতা-কর্মীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে রংপুরে একটি বিয়ের দাওয়াত খেতে আসেন জি এম কাদের। ওই দিন বিকেলে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দলকে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তরুণদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগও করেন।
জাপা নেতাদের অভিযোগ, এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মিছিল থেকে জি এম কাদেরের বাসভবনে হামলা চালানো হয়। এ সময় চেয়ারম্যান জি এম কাদের বাসায় অবস্থান করছিলেন। হামলাকারীরা বাড়ির জানালার কাচ ভাঙচুর করে, একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং আরও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। জাতীয় পার্টি এই হামলাকে পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও জীবননাশের চেষ্টা হিসেবে দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে ১০টার দিকে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে যান জাতীয় ছাত্রসমাজের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আরিফ আলী। এ সময় মামলা নিতে গড়িমসি করে পুলিশ। পরে রাত ১১টার দিকে ২২ জনের নাম উল্লেখসহ ৫০-৬০ জন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে এজাহার গ্রহণ করেন রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান।
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ‘আমরা এজাহারটি গ্রহণ করেছি। সরেজমিন তদন্ত করে এ বিষয়ে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা এনসিপিকে ‘কুত্তার বাচ্চারা’ বলে গালি দিয়েছেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের রংপুর সেনপাড়ার বাসভবন ‘দ্য স্কাই ভিউ’তে বৃহস্পতিবার রাতে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে রংপুর মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল অংশ নিয়ে হামলায় এনসিপি নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগ করে এমন গালিগালাজ করেন তিনি।
আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রংপুর জাতীয় পার্টির উদ্যোগে রংপুর মহানগর, জেলা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল অংশ নেন।
নগরীর সেন্ট্রাল রোডের জাপার কার্যালয় থেকে বিক্ষোভটি শুরু হয়। বিভিন্ন সড়ক ঘুরে জাপার কার্যালয়ের গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় পায়রা চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে কো-চেয়ারম্যান ও রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, ‘যে বাড়িটিকে রংপুরের মানুষ তাঁর মণিকোঠায় স্থান দিয়েছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর চলছে, ৫৪ বছর যে বাড়িটির সামনে কেউ কোনো গন্ডগোল করতে পারে নাই। এই “এনসিপি কুত্তার বাচ্চারা” তোমরা হিজড়ার মতো পেছন পাশ থেকে গিয়ে হামলা, ভাঙচুর করো, তোমরা পার্টি অফিসে আসতা, আমরা তো পার্টি অফিসে ছিলাম। তোমরা হিজড়ার মতো পেছন থেকে গিয়ে অতর্কিতে হামলা করলা।’
এনসিপি ও প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মোস্তফা বলেন, ‘যদি ক্ষমতা থাকে, এনসিপি যদি ঘোষণা দিয়ে করতে চায়, জাতীয় পার্টি সব সময় প্রস্তুত আছে। আমরা কোনো সন্ত্রাসী রাজনৈতিক সংগঠন নই। জাতীয় পার্টি সাধারণ জনমানুষের দল। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আমাদের সেটা শিক্ষা দিয়ে গেছে। আমরা কোনো ভাঙচুর, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখল-বাণিজ্যের মধ্যে কোনো জাতীয় পার্টি ছিল না। এখনো নাই, ভবিষ্যতেও থাকব না। এখন মব ভায়োলেন্সের যুগ। আমরা প্রশাসনকে বলব আপনারা সরে দাঁড়ান। মব ভায়োলেন্সে জাতীয় পার্টি কিন্তু দুর্বল না। জাতীয় পার্টি আমরা যেকোনো মবের ফেস করতে পারি।’
হুঁশিয়ারি দিয়ে মোস্তফা আরও বলেন, ‘১৬ জুলাই যখন আবু সাঈদ মারা গেল, দেখা গেল রংপুরে একমাত্র জাতীয় পার্টির ব্যানার নিয়ে, লাঠিসোঁটা নিয়ে বৈষম্যবিরোধীর পক্ষে ছিল। সব ধরনের সহযোগিতা আমরা করেছি। এখন বলতে চাই না আমরা কী সহযোগিতা করেছি। আজকে সেই এনসিপির কুলাঙ্গারেরা আজকে জাতীয় পার্টির বিপক্ষে লাগছে। তা আমরা চাই, প্রশাসন সরে দাঁড়ান, মাঠ ফ্রি করেন। আমাদের শক্তিমত্তা আছে কি না আমরা একটু জানান দিতে চাই।’
জাপা নেতা-কর্মীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে রংপুরে একটি বিয়ের দাওয়াত খেতে আসেন জি এম কাদের। ওই দিন বিকেলে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দলকে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তরুণদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগও করেন।
জাপা নেতাদের অভিযোগ, এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মিছিল থেকে জি এম কাদেরের বাসভবনে হামলা চালানো হয়। এ সময় চেয়ারম্যান জি এম কাদের বাসায় অবস্থান করছিলেন। হামলাকারীরা বাড়ির জানালার কাচ ভাঙচুর করে, একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং আরও তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। জাতীয় পার্টি এই হামলাকে পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও জীবননাশের চেষ্টা হিসেবে দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার রাতে ১০টার দিকে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে যান জাতীয় ছাত্রসমাজের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আরিফ আলী। এ সময় মামলা নিতে গড়িমসি করে পুলিশ। পরে রাত ১১টার দিকে ২২ জনের নাম উল্লেখসহ ৫০-৬০ জন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে এজাহার গ্রহণ করেন রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান।
রংপুর মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ‘আমরা এজাহারটি গ্রহণ করেছি। সরেজমিন তদন্ত করে এ বিষয়ে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে