ভোলা প্রতিনিধি
ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কর্মী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর কারণ খুঁজছে পুলিশ। নিহত ইপ্সিতা কি লঞ্চ থেকে নিজের ইচ্ছায় ঝাঁপ দিয়েছেন, নাকি তাঁকে লঞ্চ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে? যদি লঞ্চ থেকে নিজের ইচ্ছায় আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে থাকেন, তাহলে আত্মহত্যার প্ররোচনার জন্য কে বা কারা দায়ী?
এ ছাড়া লঞ্চে মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া এ মৃত্যুর জন্য রাজনৈতিক অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব কিংবা প্রেমঘটিত কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বিষয়গুলোকে আমলে নিয়ে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করে দেখছে। তারা ইতিমধ্যে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।
এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ আজকের পত্রিকাকে জানান, নিহত সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতা ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী হলেও তাঁকে বহনকারী কর্ণফুলী-৪ লঞ্চটি চাঁদপুরের অদূরে পৌঁছার পর মেয়েটি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
পরে লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ইপ্সিতার বাবা বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ফলে লক্ষ্মীপুর থানা-পুলিশ ও নৌ পুলিশ মামলার তদন্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের সহায়তার জন্য ভোলা থানা-পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশও তৎপর রয়েছে। তারাও তদন্তকাজ করছে বলেও জানান ওসি হাচনাইন পারভেজ।
এ বিষয়ে ভোলা ডিবি পুলিশের ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কর্মী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য আমরা তদন্ত শুরু করেছি।’
ভোলা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ইনচার্জ মীর খায়রুল কবির জানান, সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজতে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর পুলিশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তকাজ শুরু করেছে।
এদিকে ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কর্মী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়ে কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা সরকারি কলেজ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভোলা প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।
পরে এক প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন ভোলা কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ফজলুর করিম ছোটন। কলেজ ছাত্রদলের নেতা আ. সামাদের সঞ্চালনায় কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এ সময় বক্তব্য দেন।
তাঁরা সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, ১৭ জুন ভোলা থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-৪ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হন ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতা। চার দিন পর ২১ জুন লক্ষ্মীপুরসংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করা হয় ইপ্সিতার মরদেহ।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ভোলা সরকারি কলেজের ইপ্সিতার সহপাঠী ও কলেজ ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ দেখা দেয়।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন প্রশ্ন ছুড়ে পোস্ট দেন। শুরু হয় তোলপাড়। চলে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়।

ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কর্মী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর কারণ খুঁজছে পুলিশ। নিহত ইপ্সিতা কি লঞ্চ থেকে নিজের ইচ্ছায় ঝাঁপ দিয়েছেন, নাকি তাঁকে লঞ্চ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে? যদি লঞ্চ থেকে নিজের ইচ্ছায় আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে থাকেন, তাহলে আত্মহত্যার প্ররোচনার জন্য কে বা কারা দায়ী?
এ ছাড়া লঞ্চে মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া এ মৃত্যুর জন্য রাজনৈতিক অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব কিংবা প্রেমঘটিত কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বিষয়গুলোকে আমলে নিয়ে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করে দেখছে। তারা ইতিমধ্যে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।
এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ আজকের পত্রিকাকে জানান, নিহত সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতা ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী হলেও তাঁকে বহনকারী কর্ণফুলী-৪ লঞ্চটি চাঁদপুরের অদূরে পৌঁছার পর মেয়েটি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
পরে লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ইপ্সিতার বাবা বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ফলে লক্ষ্মীপুর থানা-পুলিশ ও নৌ পুলিশ মামলার তদন্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের সহায়তার জন্য ভোলা থানা-পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশও তৎপর রয়েছে। তারাও তদন্তকাজ করছে বলেও জানান ওসি হাচনাইন পারভেজ।
এ বিষয়ে ভোলা ডিবি পুলিশের ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কর্মী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য আমরা তদন্ত শুরু করেছি।’
ভোলা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ইনচার্জ মীর খায়রুল কবির জানান, সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজতে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর পুলিশের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তকাজ শুরু করেছে।
এদিকে ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কর্মী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়ে কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা সরকারি কলেজ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভোলা প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।
পরে এক প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন ভোলা কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ফজলুর করিম ছোটন। কলেজ ছাত্রদলের নেতা আ. সামাদের সঞ্চালনায় কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এ সময় বক্তব্য দেন।
তাঁরা সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, ১৭ জুন ভোলা থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-৪ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হন ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতা। চার দিন পর ২১ জুন লক্ষ্মীপুরসংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করা হয় ইপ্সিতার মরদেহ।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ভোলা সরকারি কলেজের ইপ্সিতার সহপাঠী ও কলেজ ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ দেখা দেয়।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন প্রশ্ন ছুড়ে পোস্ট দেন। শুরু হয় তোলপাড়। চলে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়।

প্রায় ৯০ বছর বয়সী এই অসহায় বৃদ্ধা বসবাস করেন নেছারাবাদ উপজেলার কামারকাঠি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে। কামারকাঠি গ্রামের সন্ধ্যা নদীর পাড়ঘেঁষা একটি ছোট, জীর্ণ ঘরই তাঁর একমাত্র আশ্রয়। নদীর তীরবর্তী হওয়ায় বৃষ্টি ও বন্যার দিনে দুর্ভোগ যেন আরও বেড়ে যায়। জীবনের শেষ বয়সে তাঁর ভরসা বলতে একমাত্র ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে
ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস ও লাইসেন্স দেওয়ার নামে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁ সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় পাস করিয়ে দিতে জনপ্রতি ২ হাজার করে টাকা নেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের আব্বাসনগরে সোমেশ্বরী নদীর ওপর গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দুই বছর আগে। এখন পর্যন্ত সেতুর খুঁটি (পিলার) নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অন্য কাজ আর হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
ইটভাটার আগ্রাসনে চাঁদপুরে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি ক্রমে কমছে। প্রতিবছর শীত মৌসুমে ভাটাগুলো চালুর সময় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে কাটা হয় কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি। এতে জমির উৎপাদনক্ষমতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিচু হয়ে যাচ্ছে মাটির স্তর।
৭ ঘণ্টা আগে