
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। আবার কিছু এলাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে। ধীরে ধীরে নামছে বন্যার পানি। এদিকে বন্যার্ত লোকজন সরকারিভাবে ত্রাণ না পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
স্থানীয় লোকজন ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে গত মঙ্গলবার সাতকানিয়া পৌরসভা এলাকাসহ উপজেলার কিছু অংশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বুধ ও বৃহস্পতিবার টানা বৃষ্টি পড়তে থাকায় এবং সাঙ্গু আর ডলু নদের বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়।
আজ রোববার সরেজমিনে সাতকানিয়া পৌরসভার সামিয়ারপাড়া ও কেঁওচিয়া ইউনিয়নের তেমুহনী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সামিয়ারপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় বন্যার পানি কমে গেছে। বন্যায় সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ভেসে উঠেছে। কেঁওচিয়ার তেমুহনী এলাকায় কোথাও কোমরপানি, কোথাও হাঁটুপানি। পানিবন্দী বাসিন্দাদের মধ্যে অধিকাংশ লোকজন পাশের উঁচু ভবন অথবা দূরের আত্মীয়দের বাড়িতে চলে গেছে।
এদিকে বন্যার কারণে পুরো উপজেলায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট চলছে। এতে রোগবালাই বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা করছেন অনেকেই। সামিয়ারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ‘৬ দিন ধরে বিশুদ্ধ পানির সংকটে আছি। বন্যার পানিতে গভীর নলকূপটি ডুবে থাকায় বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে কোনোরকমে রান্নাবান্নাসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। যাদের বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করার সুযোগ নেই, তাদের অবস্থা খুবই খারাপ। ঘরে ঘরে রোগবালাই দেখা দিতে পারে।’
কেঁওচিয়ার তেমুহনী এলাকার বাসিন্দা রূপন কান্তি দাশ বলেন, ‘বন্যায় ঘরের মধ্যে বুকপানি উঠেছে। রান্নাবান্না নেই কয়েক দিন। মা ও স্ত্রী-সন্তানদের আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা বানভাসি মানুষ। এখনো পর্যন্ত সরকারি কোনো ত্রাণসামগ্রী পাইনি। পাব কি না, জানি না।’
কেঁওচিয়া ইউনিয়ন (ইউপি) পরিষদের তেমুহনী এলাকার সদস্য মো. লোকমান বলেন, ‘বন্যার্ত মানুষের তুলনায় সরকারি সাহায্য সামান্য। পুরো ইউনিয়ন বন্যার পানিতে ডুবে আছে। সে হিসেবে এলাকার বন্যার্ত মানুষেরা পর্যাপ্ত সরকারি কোনো সহযোগিতা পায়নি। আমরা ব্যক্তিগতভাবে অল্পস্বল্প তৈরি খাবার বিতরণ করছি।’
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ভয়াবহ বন্যায় উপজেলা ও পৌরসভার অন্তত ৯০ ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় বন্যার পানি কমেছে এবং কিছু কিছু এলাকায় এখনো পানি আছে। আপাতত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫ হাজার শুকনা খাবারের প্যাকেট, মিনারেল ওয়াটার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। সরকারিভাবে ১৭৫ টন চাল ও ৯ লাখ টাকা বিতরণ চলছে। সব বানভাসি মানুষের হাতে যেন ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভৈরব নদ পুনঃখননে ব্যয় হয়েছিল ২৩ কোটি টাকা। লক্ষ্য ছিল নাব্যতা ফিরিয়ে এনে আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা কমানো এবং নৌপথ সচল করা। কিন্তু খননের ছয় মাসের মধ্যেই নদ আবার পলি জমে ভরাট হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে যায় নৌযান চলাচল।
২৩ মিনিট আগে
কোলে দুই বছরের কন্যাশিশু। পরনে মলিন পোশাক। মাথার ওপর ছাদ বলতে চুয়াডাঙ্গা শহরের একটি সড়কের পাশের পরিত্যক্ত পানির ট্যাংকের একটুখানি ছাউনি। রোদ-বৃষ্টি কিংবা কনকনে শীত—সব আবহাওয়াতেই মা-মেয়ের ঠিকানা এই একচিলতে ফুটপাত।
৩৬ মিনিট আগে
পঞ্চগড়ে ১১টি সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ওয়াশ ব্লক নির্মাণের মেয়াদ শেষ হলেও সাতটির কাজ এখনো শুরু হয়নি। এমনকি ওই সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকেরা জানেন না এমন প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে। তাঁদের দাবি, বিদ্যালয়ের নামে দরপত্র হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তাঁরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিলেন।
৪১ মিনিট আগে
১৫০ বাংলো ও ৭০০ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট কোয়ার্টারে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি গভীর নলকূপ এবং ৫০ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি ওভারহেড পানির ট্যাংক স্থাপন করা হয়েছিল। ৪০ বছর আগে এই ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে।
১ ঘণ্টা আগে