
ঢাকার আশুলিয়ায় দুই দিনের ব্যবধানে পৃথক দুটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ধারাবাহিক এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে আশুলিয়া ইউনিয়নের আউকপাড়া গ্রামে। এর আগে গত রোববার গভীর রাতে পাথালিয়া ইউনিয়নে এক সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল আউকপাড়া এলাকার আব্দুল্লাহর বাড়ির সীমানাপ্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে। এ সময় ডাকাতেরা নগদ প্রায় ৩৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটে নেয়।
ডাকাতেরা যাওয়ার সময় বাড়ির মালিক আব্দুল্লাহকে কুপিয়ে আহত করে। একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর কানের দুল ছিঁড়ে নেওয়ার সময় দুই কান গুরুতর আহত হয়।
আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, পালানোর সময় ডাকাতেরা তাঁর বাড়ির এক ভাড়াটিয়ার স্ত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে তাঁকে ফেলে রেখে যায়। ছেড়ে দেওয়ার আগে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়।
এর আগে রোববার গভীর রাতে পাথালিয়া ইউনিয়নের চাকলগ্রামে এক সাবেক ইউপি সদস্যের বাড়িতে ডাকাতেরা হানা দিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটে নেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, দুই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। পাশাপাশি লুট হওয়া মালপত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে এবং মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ডিজেলের তীব্র সংকটে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল চট্টগ্রামের শিল্প খাত গভীর চাপের মুখে পড়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিং, গ্যাসের নিম্নচাপ, জেনারেটরনির্ভর উৎপাদন এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে শিল্পকারখানাগুলোর উৎপাদন গড়ে ২৫ শতাংশ কমে গেছে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য মতে, একই সময়ে পরিচালন
৩৮ মিনিট আগে
কোনাপাড়া গ্রামের বালকি বিলে গিয়ে দেখা যায়, কষ্টের ফসল রক্ষায় কেউ কেউ হাঁটুসমান পানিতে নেমে, কেউ কেউ ডুবুরির মতো, আবার অনেকেই নৌকায় করে আধা পাকা ধান কাটার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ কোনো উপায় না পেয়ে হতাশ হয়ে তাকিয়ে আছেন ডুবে যাওয়া ফসলের দিকে।
১ ঘণ্টা আগে
ভুক্তভোগীদের দাবি, স্থানীয় স্বপন শরীফ. রমজান শরীফসহ কয়েক ব্যক্তি মিলে জনস্বার্থে ব্যবহৃত এই পথটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ৩২টি পরিবারের প্রায় ৩০০ মানুষ কার্যত নিজ বাড়িতেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
হরিণাবাড়ী গ্রামের কৃষক মিন্টু মিয়া বলেন, ‘এবার ধানের ফলন ভালো হওয়ার আশা ছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। প্রায় ৪০ শতক জমির ধান পানিতে লুটিয়ে পড়েছে। আগে এক বিঘা জমির ধান কাটতে তিন-চার হাজার টাকা লাগত, এখন লাগছে সাত-আট হাজার টাকা। টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।
২ ঘণ্টা আগে