
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় সরকারি খালের ওপর নির্মিত একটি বাঁশের সাঁকো ও চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে পুইশুর ইউনিয়নের সীতারামপুর গ্রামের অন্তত ৩২টি পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ভুক্তভোগীরা সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পুইশুর ইউনিয়নের সীতারামপুর গ্রামে বিআরএস জরিপের ২৮১৩ নম্বর দাগের ওপর দিয়ে এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে দীর্ঘদিন আগে একটি রাস্তা নির্মাণ করে ইউনিয়ন পরিষদ। ওই রাস্তার মাঝখানে সরকারি খালের ওপর একটি বাঁশের সাঁকোও তৈরি করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ১৫ এপ্রিল হঠাৎ রাস্তার মাটি কেটে এবং বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাঁকোটিও আংশিক ভেঙে ফেলা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, স্থানীয় স্বপন শরীফ ও রমজান শরীফসহ কয়েক ব্যক্তি মিলে জনস্বার্থে ব্যবহৃত এই পথটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ৩২টি পরিবারের প্রায় ৩০০ মানুষ কার্যত নিজ বাড়িতেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
তবে অভিযুক্তদের দাবি, জমির মালিকানা তাঁদের। অতীতে এখানে ইউনিয়ন পরিষদের কাজ করার বিষয়টি স্বীকার করলেও বর্তমানে তাঁরা চলাচলের জন্য রাস্তা দিতে রাজি নন।
ঘটনার পর রামদিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগ নেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্তরা এতে কর্ণপাত করেননি।
পুইশুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য পিল্টন শিকদার বলেন, ‘বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছি, কিন্তু সফল হইনি।’
ভুক্তভোগী গ্রামবাসীর দাবি, মানুষের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ডিজেলের তীব্র সংকটে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল চট্টগ্রামের শিল্প খাত গভীর চাপের মুখে পড়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিং, গ্যাসের নিম্নচাপ, জেনারেটরনির্ভর উৎপাদন এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে শিল্পকারখানাগুলোর উৎপাদন গড়ে ২৫ শতাংশ কমে গেছে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য মতে, একই সময়ে পরিচালন
৯ মিনিট আগে
কোনাপাড়া গ্রামের বালকি বিলে গিয়ে দেখা যায়, কষ্টের ফসল রক্ষায় কেউ কেউ হাঁটুসমান পানিতে নেমে, কেউ কেউ ডুবুরির মতো, আবার অনেকেই নৌকায় করে আধা পাকা ধান কাটার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ কোনো উপায় না পেয়ে হতাশ হয়ে তাকিয়ে আছেন ডুবে যাওয়া ফসলের দিকে।
১৬ মিনিট আগে
হরিণাবাড়ী গ্রামের কৃষক মিন্টু মিয়া বলেন, ‘এবার ধানের ফলন ভালো হওয়ার আশা ছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। প্রায় ৪০ শতক জমির ধান পানিতে লুটিয়ে পড়েছে। আগে এক বিঘা জমির ধান কাটতে তিন-চার হাজার টাকা লাগত, এখন লাগছে সাত-আট হাজার টাকা। টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গড়ে তোলা হচ্ছে ভাগাড়। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন এবং বন বিভাগের বাধা উপেক্ষা করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন (গাসিক)। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো প্রতিবাদ জানালেও ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতর এমন স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে