Ajker Patrika

ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও হত্যা, ১০ মাস পর গ্রেপ্তার একজন

ফরিদপুর প্রতিনিধি
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ০২
ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও হত্যা, ১০ মাস পর গ্রেপ্তার একজন
গ্রেপ্তার মাসুদুর রহমান মাসুদ। ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ডিবি পরিচয়ে ডাব ব্যবসায়ী ইব্রাহীমকে অপহরণ, ছিনতাই ও হত্যার অভিযোগে মাসুদুর রহমান মাসুদ (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। সংস্থাটির দাবি, ১০ মাস পর মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি হিসেবে ঝিনাইদহ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১০-এর ফরিদপুর ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তপন সরকার।

গ্রেপ্তার মাসুদুর রহমান মাসুদ ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর থানার গালিমপুর গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে। গতকাল সোমবার বিকেলে ঝিনাইদহ সদর থানার পোড়াহাটি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান তপন সরকার।

এসআরবি ও বোয়ালমারী থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২২ নভেম্বর দুপুরের দিকে মাঝকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক সড়কের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকী রামচন্দ্রপুর গ্রামের একটি সেতুর পশ্চিম পাশে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন।

খবর পেয়ে পুলিশ বিকেলে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়। পরদিন মরদেহটি কুমিল্লার দাউদকান্দির উত্তরটিলি গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে ইব্রাহীমের বলে পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করেন। ইব্রাহীম পেশায় ডাব ব্যবসায়ী ছিলেন।

এ ঘটনায় ইব্রাহীমের বড় ভাই ফরহাদ হোসেন বোয়ালমারী থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

তপন সরকার জানান, ঘটনার আগে ২০ নভেম্বর ইব্রাহীম ও তাঁর চাচাতো ভাই পিকআপচালক মো. হোসেন (২৬) গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার ভাটিয়াপাড়া এনার্জি পাম্পের পাশে একটি ভাতের হোটেলে খাবার খাচ্ছিলেন।

খাওয়া শেষে হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় দুটি ব্যক্তিগত গাড়িতে আসা সাত থেকে আটজন ব্যক্তি ডিবি পরিচয়ে তাঁদের জোর করে গাড়িতে তুলে নেন বলে অভিযোগ। পরে আসামিরা ইব্রাহীম ও হোসেনের হাত, মুখ ও চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে মারধর করেন এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেন।

একপর্যায়ে পিকআপচালক হোসেনকে অজ্ঞাত স্থানে ফেলে রেখে ইব্রাহীমকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান এসআরবি কর্মকর্তা।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসআরবির দাবি, ডিবি পরিচয়ে ইব্রাহীমকে অপহরণের পর মারধর ও ছিনতাই করা হয়। পরে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ফেলে রাখা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার রিকুইজিশন বা চাহিদার পর এসআরবি-১০ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাসুদকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে বোয়ালমারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তপন সরকার।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত