
বান্দরবানের থানচি উপজেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অভিযোগে মিয়ানমারের দুই নারী এবং তাঁদের এক বাংলাদেশি সহযোগীকে আটক করে থানচি থানা-পুলিশে হস্তান্তর করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরে বিদেশি আইন, ১৯৪৬-এর ১৩ ও ১৪ ধারায় মামলা করে তিনজনকে বান্দরবান জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মিয়ানমারের মংডু উপজেলার বাসিন্দা মা তুন যং ম্রো (২০), মা তুন ইয়াং ম্রো (২১) এবং তাঁদের সহযোগী থানচি উপজেলা সদর ইউনিয়নের ওয়াক চাক্কুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মুয়ই ম্রো (৪৬)। মুয়ই ম্রো থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অংপ্রু ম্রোর আপন ছোট ভাই।
থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার বলেন,`সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ এবং এ-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।'
উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার সীমান্তবর্তী বংকুপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা মিয়ানমারের দুই নারী এবং তাঁদের বাংলাদেশি সহযোগীকে আটক করেন। পরে রাতেই তাঁদের থানচি থানা-পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
২ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে