আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন—‘ইরানের দেশপ্রেমিকেরা, প্রতিবাদ চালিয়ে যান—নিজেদের প্রতিষ্ঠান দখল করুন!!! হত্যাকারী ও নির্যাতনকারীদের নাম লিখে রাখুন।’
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তাদের বড় মূল্য দিতে হবে।’ একই সঙ্গে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থগিত রাখারও ইঙ্গিত দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এ বিষয়ে পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বিক্ষোভকারীদের অর্থহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি। সহায়তা আসছে। MIGA!!!’
এখানে ‘MIGA’ বলতে ট্রাম্প বুঝিয়েছেন, ‘মেক ইরান গ্রেট অ্যাগেইন’, যা তাঁর বহুল পরিচিত অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্লোগান ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’-এর আদলে তৈরি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের বার্তা বহন করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ককে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে। বিশেষ করে, চলমান বিক্ষোভ দমনে ইরান সরকারের কঠোর অবস্থানের মধ্যে এমন বক্তব্য কূটনৈতিক অচলাবস্থাকে গভীর করতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা।
ইরান সরকার এখনো ট্রাম্পের এই মন্তব্যের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন—‘ইরানের দেশপ্রেমিকেরা, প্রতিবাদ চালিয়ে যান—নিজেদের প্রতিষ্ঠান দখল করুন!!! হত্যাকারী ও নির্যাতনকারীদের নাম লিখে রাখুন।’
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তাদের বড় মূল্য দিতে হবে।’ একই সঙ্গে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থগিত রাখারও ইঙ্গিত দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এ বিষয়ে পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বিক্ষোভকারীদের অর্থহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি। সহায়তা আসছে। MIGA!!!’
এখানে ‘MIGA’ বলতে ট্রাম্প বুঝিয়েছেন, ‘মেক ইরান গ্রেট অ্যাগেইন’, যা তাঁর বহুল পরিচিত অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্লোগান ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’-এর আদলে তৈরি।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের বার্তা বহন করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ককে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে। বিশেষ করে, চলমান বিক্ষোভ দমনে ইরান সরকারের কঠোর অবস্থানের মধ্যে এমন বক্তব্য কূটনৈতিক অচলাবস্থাকে গভীর করতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা।
ইরান সরকার এখনো ট্রাম্পের এই মন্তব্যের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

বিশ্বের ভূরাজনীতিকে টালমাটাল করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একের পর এক প্রথাগত নিয়ম ভেঙে ফেলছেন। তাঁর আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতি এবং একের পর এক আকস্মিক সামরিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপে এখন সবাই তটস্থ।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানিদের আন্দোলনকে যুক্তিসংগত বলেই মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হামিদ দাবাসি। তবে উপনিবেশোত্তর তত্ত্বের অন্যতম এই তাত্ত্বিক মনে করেন, ইরানে চলমান আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হস্তক্ষেপ আছে। আর তাদের লক্ষ্য মূলত ইরানকে ভেঙে ছোট ছোট জাতি রাষ্ট্রের পরিণত করা এবং ইসরায়ে
১০ ঘণ্টা আগে
তুরস্ক ইরানে চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। আঙ্কারার আশঙ্কা, এই বিক্ষোভ অঞ্চলজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। আঙ্কারা ও তেহরান কয়েক দশক ধরেই আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী। সিরিয়া, ইরাক, লেবাননসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের স্বার্থ বারবার মুখোমুখি হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ইতিহাস বলে, শক্তিশালী দেশগুলোর সাধারণত বন্ধু কম থাকে। রাশিয়ার উত্থানে তার প্রতিবেশীরা ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে, চীনের উত্থানে এশিয়ায় ভারত-জাপান-ভিয়েতনাম একে অপরের কাছাকাছি এসেছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে গত ৮০ বছর ধরে চিত্রটি ছিল ভিন্ন।
১ দিন আগে