আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে। এসব ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ট্রাকের ওপর বসানো ভারী মেশিনগান দিয়ে আবাসিক এলাকায় নির্বিচার গুলি চালানো হচ্ছে, হাসপাতালগুলো গুলিবিদ্ধ আহতদের ভিড়ে উপচে পড়ছে। শত শত মরদেহ জমে গেছে মর্গে।
তবে সঠিকভাবে নিহতের সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। স্বীকৃত মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাব কয়েক শতে পৌঁছালেও তারা শুধু শনাক্ত করা মরদেহ গণনায় ধরছে। কিন্তু যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় এই কাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
তেহরানের কয়েকটি হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রবাসী ইরানি শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবীদের একটি অনানুষ্ঠানিক দল হিসাব করেছে, শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত নিহত বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ৬ হাজারে পৌঁছাতে পারে। এই হিসাবে তারা সেই মরদেহগুলো অন্তর্ভুক্ত করেনি, যেগুলো হাসপাতালে না নিয়ে সরাসরি মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এই হিসাব শুরু করা হয় এক তেহরানি চিকিৎসকের জরিপ দিয়ে। তিনি শুক্রবার ছয়টি হাসপাতালে ফোন করে নিহত বিক্ষোভকারীর সংখ্যা জানতে চান। মিলাদ (৭০), ইমাম হোসেন (৭০), ইবনে সিনা (২৩), লাব্বাফি নেজাদ (৭), ফায়াজ বাখশ (১৫) এবং শাহরিয়ার (৩২)—মোট ২১৭ জন নিহত হয় এক রাতেই। পরে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে পূর্ব তেহরানের একটি হাসপাতালে ৪০ জনের মৃত্যুর কথা বলা হলে গড় হিসাবে ৩০ ধরা হয়।
তেহরানে মোট ১১৮টি হাসপাতালের মধ্যে ৬৩টি সরকারি বা সামরিক। জরিপকারীরা ধরে নেন, এর অর্ধেক হাসপাতালে মরদেহ এসেছে। এতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতেই তেহরানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৯০০। শুক্রবার আরও ৯০০ এবং শনিবার (তুলনামূলক কম বিক্ষোভে) ৪০০ জন নিহত হয় বলে অনুমান করা হয়। পাশাপাশি পাশের আলবোরজ প্রদেশে আরও ১ হাজার মৃত্যুর হিসাব যোগ করা হয়, যেখানে ২০২২ সালের হিজাব আন্দোলনের সময়ও তীব্র সহিংসতা হয়েছিল।
এভাবে দুই প্রদেশে তিন দিনে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ হাজার ২০০। অন্যান্য শহরের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ করে, জাতিগত ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সংখ্যা সমন্বয় করা হয়। শেষ পর্যন্ত মোট হিসাব অর্ধেকে নামিয়ে এনে তিন দিনে ৬ হাজার ১৭৮ জন নিহত হয়েছে বলে অনুমান করা হয়।

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে। এসব ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ট্রাকের ওপর বসানো ভারী মেশিনগান দিয়ে আবাসিক এলাকায় নির্বিচার গুলি চালানো হচ্ছে, হাসপাতালগুলো গুলিবিদ্ধ আহতদের ভিড়ে উপচে পড়ছে। শত শত মরদেহ জমে গেছে মর্গে।
তবে সঠিকভাবে নিহতের সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। স্বীকৃত মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাব কয়েক শতে পৌঁছালেও তারা শুধু শনাক্ত করা মরদেহ গণনায় ধরছে। কিন্তু যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় এই কাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
তেহরানের কয়েকটি হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রবাসী ইরানি শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবীদের একটি অনানুষ্ঠানিক দল হিসাব করেছে, শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত নিহত বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ৬ হাজারে পৌঁছাতে পারে। এই হিসাবে তারা সেই মরদেহগুলো অন্তর্ভুক্ত করেনি, যেগুলো হাসপাতালে না নিয়ে সরাসরি মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এই হিসাব শুরু করা হয় এক তেহরানি চিকিৎসকের জরিপ দিয়ে। তিনি শুক্রবার ছয়টি হাসপাতালে ফোন করে নিহত বিক্ষোভকারীর সংখ্যা জানতে চান। মিলাদ (৭০), ইমাম হোসেন (৭০), ইবনে সিনা (২৩), লাব্বাফি নেজাদ (৭), ফায়াজ বাখশ (১৫) এবং শাহরিয়ার (৩২)—মোট ২১৭ জন নিহত হয় এক রাতেই। পরে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে পূর্ব তেহরানের একটি হাসপাতালে ৪০ জনের মৃত্যুর কথা বলা হলে গড় হিসাবে ৩০ ধরা হয়।
তেহরানে মোট ১১৮টি হাসপাতালের মধ্যে ৬৩টি সরকারি বা সামরিক। জরিপকারীরা ধরে নেন, এর অর্ধেক হাসপাতালে মরদেহ এসেছে। এতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতেই তেহরানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৯০০। শুক্রবার আরও ৯০০ এবং শনিবার (তুলনামূলক কম বিক্ষোভে) ৪০০ জন নিহত হয় বলে অনুমান করা হয়। পাশাপাশি পাশের আলবোরজ প্রদেশে আরও ১ হাজার মৃত্যুর হিসাব যোগ করা হয়, যেখানে ২০২২ সালের হিজাব আন্দোলনের সময়ও তীব্র সহিংসতা হয়েছিল।
এভাবে দুই প্রদেশে তিন দিনে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ হাজার ২০০। অন্যান্য শহরের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি প্রয়োগ করে, জাতিগত ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সংখ্যা সমন্বয় করা হয়। শেষ পর্যন্ত মোট হিসাব অর্ধেকে নামিয়ে এনে তিন দিনে ৬ হাজার ১৭৮ জন নিহত হয়েছে বলে অনুমান করা হয়।

বিশ্বের ভূরাজনীতিকে টালমাটাল করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একের পর এক প্রথাগত নিয়ম ভেঙে ফেলছেন। তাঁর আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতি এবং একের পর এক আকস্মিক সামরিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপে এখন সবাই তটস্থ।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানিদের আন্দোলনকে যুক্তিসংগত বলেই মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হামিদ দাবাসি। তবে উপনিবেশোত্তর তত্ত্বের অন্যতম এই তাত্ত্বিক মনে করেন, ইরানে চলমান আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হস্তক্ষেপ আছে। আর তাদের লক্ষ্য মূলত ইরানকে ভেঙে ছোট ছোট জাতি রাষ্ট্রের পরিণত করা এবং ইসরায়ে
১০ ঘণ্টা আগে
তুরস্ক ইরানে চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। আঙ্কারার আশঙ্কা, এই বিক্ষোভ অঞ্চলজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। আঙ্কারা ও তেহরান কয়েক দশক ধরেই আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী। সিরিয়া, ইরাক, লেবাননসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দুই দেশের স্বার্থ বারবার মুখোমুখি হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ইতিহাস বলে, শক্তিশালী দেশগুলোর সাধারণত বন্ধু কম থাকে। রাশিয়ার উত্থানে তার প্রতিবেশীরা ন্যাটোতে যোগ দিয়েছে, চীনের উত্থানে এশিয়ায় ভারত-জাপান-ভিয়েতনাম একে অপরের কাছাকাছি এসেছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে গত ৮০ বছর ধরে চিত্রটি ছিল ভিন্ন।
১ দিন আগে