বিদেশে বসে দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভে অশালীন মন্তব্য করার জন্য আলোচিত সেই সেফায়েত উল্লাহ মজুমদার ওরফে সেফুদাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এই রায় দেন।
রায়ে বলা হয়, আসামির পক্ষে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেননি বাদীপক্ষ। এ কারণে আসামিকে খালাস দেওয়া হলো।
সেফুদার খালাসের বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি নজরুল ইসলাম শামীম আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বাদীসহ চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় এ মামলায়।
২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে এ মামলাটি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য আলীম আল রাজী জীবন। ট্রাইব্যুনাল পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এরপর মামলার অভিযোগ তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপপরিদর্শক পার্থ প্রতিম ব্রহ্মচারী সেফুদার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিবেদন দাখিল করেন।
ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সেফুদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি সেফায়েত উল্লাহ অনলাইনে একাধিকবার বিভিন্নভাবে ভিডিও আপলোড করেছেন, যা ভাইরাল হয়েছে। তিনি এসব ভিডিওর মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল ও আক্রমণাত্মক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। এতে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ, মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি করেছেন। ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপরাধ।
অস্ট্রিয়া প্রবাসী সেফাত উল্লাহ সেফুদা চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার চেরিয়ারা গ্রামের মৃত আলী আকবর মজুমদারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থান করে ফেসবুকের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতি, ধর্মসহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য প্রচার করে ভাইরাল হন।

রনির সহকর্মী আবদুর রহমান জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে রনির গ্রামের বাড়ি। তাঁর বাবার নাম সাহেব আলী। ঢাকায় মোহাম্মদপুরের আরশিনগরে নির্মাণাধীন ভবনটিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং সেখানেই থাকতেন তিনি।
৩০ মিনিট আগে
ফসলি জমির মাটি কাটায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দেরচর গ্রামে এখন রাতের আঁধারে মাটি কাটা চলছে। ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে গর্ত করে মাটি কেটে বিক্রি করছে একটি চক্র। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে সরেজমিন কৃষিজমি থেকে মাটি কাটার এমন চিত্র দেখা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
কিষানি রেহেনা বেগম ৬৬ শতক জমিতে ব্রি ধান-১০৪ আবাদ করেছেন। শুরুতে শঙ্কা থাকলেও এখন ফলন দেখে তিনি আশাবাদী। তাঁর ভাষায়, ফলন দেখে সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে। অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর রেবেকা খাতুন। একসময় গার্মেন্টসে কাজ করা রেবেকা আজ পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছেন। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজার ধসের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছিলেন তিনি। সেদিনের ভয়াবহ ধসের ঘটনায় প্রাণে বেঁচে গেলেও হারিয়েছেন তাঁর দুই পা।
১ ঘণ্টা আগে