
যে জমিতে একসময় বছরে তিন ফসল উৎপন্ন হতো, সেই জমি এখন বিশাল এক গর্ত। কাঁচা টাকার লোভে পড়ে, আবার অনেক সময় বাধ্য হয়ে কৃষক ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল) বিক্রি করছেন মাটি কাটা চক্রের কাছে। এই মাটি কাটা চক্র আবার ইটভাটাসহ নানা জায়গায় এসব মাটি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। আর দীর্ঘ মেয়াদে কৃষকের কপালে জুটছে হতাশা আর দারিদ্র্যের কষাঘাত। কেননা, ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে নেওয়ায় সেই জমিতে পরবর্তী সময় কয়েক বছর আর কোনো ধরনের ফসলই ফলানো সম্ভব হয় না।
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের অনেক কৃষকও এই মাটিখেকোদের খপ্পরে পড়ে এখন প্রমাদ গুনছেন। তবু বন্ধ হচ্ছে না মাটি কাটা। ফসলি জমির মাটি কাটায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দেরচর গ্রামে এখন রাতের আঁধারে মাটি কাটা চলছে। ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে গর্ত করে মাটি কেটে বিক্রি করছে একটি চক্র। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে সরেজমিন কৃষিজমি থেকে মাটি কাটার এমন চিত্র দেখা গেছে। এ সময় ভেকু দিয়ে জমির উপরিভাগ কেটে ট্রলিতে করে মাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে অভিযান চালানোর দাবি করা হলেও প্রত্যন্ত এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি কম। আর মাটিখেকো চক্র প্রশাসনের নজর এড়াতে রাতের বেলায় চালাচ্ছে তাদের কার্যক্রম।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও চান্দেরচর গ্রামের ইস্রাফিল ও কালাইচান মাতবরের নেতৃত্বে একটি চক্র বালুচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দেরচর মৌজার ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত চলে এই কার্যক্রম।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, অভিযুক্তরা এতটাই প্রভাবশালী যে তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে বাড়িঘরে হামলার আশঙ্কা থাকে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কালাইচান মাতবর বলেন, ‘আমি মাটি কাটি না, ইস্রাফিল কাটে।'
অন্যদিকে ইস্রাফিল বলেন, ‘আমি মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত নই, অন্যরা কাটে।'
বালুচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আলেকচান সজিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি বারবার বাধা দিয়েছেন, কিন্তু ফসলি জমি কাটা বন্ধ করতে পারছেন না। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া এটি বন্ধ করা সম্ভব নয়।
বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আওলাদ হোসেন বলেন, ‘মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের একাধিকবার নিষেধ করেছি। এখন কাটছে কি না, তা আমার জানা নেই। প্রশাসন উদ্যোগ নিলে আমরা সহযোগিতা করব।'
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, ফসলি জমির মাটি কাটলে জমির উর্বরতা কমে যায়, ফলে উৎপাদন ব্যাহত হয়। এ ছাড়া সরকারের কৃষিজমি রক্ষার নির্দেশনাও এতে বাধাগ্রস্ত হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিনথিয়া হোসেন বলেন, ‘আমি কয়েক দিন হলো এখানে যোগদান করেছি। বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। খুব শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে এসব মাটিখেকোদের বিরুদ্ধে।'

নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে বন বিভাগ ও প্রাণী অধিকারকর্মীদের যৌথ অভিযানে একটি জবাই করা শিয়াল ও ১৮ কেজি শিয়ালের মাংস জব্দ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ইসলামগঞ্জ বাজারে এ অভিযান চালায় উপকূলীয় বন বিভাগের বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিভাগ এবং অ্যানিমেল রাইটস বিডি-৬৪।
২১ মিনিট আগে
জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে ইউনুস আলী ও তাঁর সহযোগীরা শামসুন্নাহার বেগমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে গাইবান্ধা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি বিচারাধীন এবং সংশ্লিষ্ট জমিতে ১৪৪ ধারা জারি আছে।
২৯ মিনিট আগে
রনির সহকর্মী আবদুর রহমান জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে রনির গ্রামের বাড়ি। তাঁর বাবার নাম সাহেব আলী। ঢাকায় মোহাম্মদপুরের আরশিনগরে নির্মাণাধীন ভবনটিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং সেখানেই থাকতেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
কিষানি রেহেনা বেগম ৬৬ শতক জমিতে ব্রি ধান-১০৪ আবাদ করেছেন। শুরুতে শঙ্কা থাকলেও এখন ফলন দেখে তিনি আশাবাদী। তাঁর ভাষায়, ফলন দেখে সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে। অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে