
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর রেবেকা খাতুন। একসময় গার্মেন্টসে কাজ করা রেবেকা আজ পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছেন। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজার ধসের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছিলেন তিনি। সেদিনের ভয়াবহ ধসের ঘটনায় প্রাণে বেঁচে গেলেও হারিয়েছেন তাঁর দুই পা।
গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার বারাই গ্রামে গিয়ে রেবেকার সঙ্গে কথা হয়। রেবেকা বলেন, ‘সেদিন সকালে কাজে যোগ দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে ধসে পড়ে ভবনটি। ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা তিন দিন আটকে পড়েছিলাম।’ তিনি বলেন, ‘জ্ঞান ফেরার পর নিজের শরীরের ঘাম আর মূত্রপান করে বেঁচেছিলাম। চারপাশে শুধু চিৎকার আর অন্ধকার।’ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি জানতে পারেন, তাঁর মা চান বানু ও দাদি কোহিনুর বেওয়া আর বেঁচে নেই। তাঁদের লাশ আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁর দুই পা কাটা পড়ে। রেবেকা বলেন, ‘আমি এখন একটা জীবন্ত লাশ। সন্তানদের জন্য কিছুই করতে পারি না।’
অন্যদিকে একই উপজেলার আটপুকুর ডাঙ্গা গ্রামের আতাউর রহমান আজও খুঁজে ফেরেন তাঁর স্ত্রী গুলশানে জান্নাত শাবানাকে। রানা প্লাজার ঘটনার সেই দিনে কাজে গিয়ে আর ফেরেননি শাবানা।

রনির সহকর্মী আবদুর রহমান জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে রনির গ্রামের বাড়ি। তাঁর বাবার নাম সাহেব আলী। ঢাকায় মোহাম্মদপুরের আরশিনগরে নির্মাণাধীন ভবনটিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং সেখানেই থাকতেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
ফসলি জমির মাটি কাটায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দেরচর গ্রামে এখন রাতের আঁধারে মাটি কাটা চলছে। ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে গর্ত করে মাটি কেটে বিক্রি করছে একটি চক্র। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে সরেজমিন কৃষিজমি থেকে মাটি কাটার এমন চিত্র দেখা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
কিষানি রেহেনা বেগম ৬৬ শতক জমিতে ব্রি ধান-১০৪ আবাদ করেছেন। শুরুতে শঙ্কা থাকলেও এখন ফলন দেখে তিনি আশাবাদী। তাঁর ভাষায়, ফলন দেখে সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে। অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও তিস্তা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত গাইবান্ধা আদতে একটি চরাঞ্চলবেষ্টিত এলাকা। ছোট-বড় মিলে এ জেলায় চর রয়েছে ১৬৫টি। এসব চরাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে সরকারিভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু যাতায়াতে ভোগান্তি বলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিক্ষকেরা চরের...
২ ঘণ্টা আগে