লিওনেল মেসির সঙ্গে দিয়েগো ম্যারাডোনার তুলনা চলে প্রায়ই। তবে এই তুলনা যেন পছন্দ নয় ম্যারাডোনার ছেলের। ম্যারাডোনা জুনিয়রের মতে, তার বাবা (ম্যারাডোনা) এবং মেসি দুজনে দুই গ্রহের ফুটবলার।
আর্জেন্টিনার জার্সিতে সর্বোচ্চ গোলস্কোরার মেসি। এখন পর্যন্ত ১৬৬ ম্যাচে করেছেন ৯২ গোল। পাঁচ বিশ্বকাপ খেলে চার বিশ্বকাপেই গোল করেছেন আর্জেন্টাইন এই ফুটবল তারকা। বিশ্বকাপে ২০ ম্যাচে করেছেন ৭ গোল। অন্যদিকে ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনার হয়ে ৯১ ম্যাচে করেছেন ৩৪ গোল। বিশ্বকাপে ২১ ম্যাচে করেছেন ৮ গোল। ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ী দলেও ছিলেন এই কিংবদন্তি। তবে মেসি এখনো বিশ্বকাপ জিততে পারেননি। দুজনের তুলনা করা প্রসঙ্গে ম্যারাডোনা জুনিয়র বলেন, ‘ফুটবল না বোঝা লোকেরাই বাবার সঙ্গে মেসির তুলনা করে। আমরা দুই ভিন্ন গ্রহের ফুটবলার নিয়ে কথা বলছি। আমি লিওনেলকে এখানে তুলনায় আনতে চাই না।’
গতকাল লুসাইল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা-সৌদি আরব। ম্যাচের ১০ মিনিটের সময় পেনাল্টিতে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার গোল হতে পারত আরও তিনটি । তবে ভিএআর প্রযুক্তিতে মেসির একটি ও লাউতারো মার্তিনেজের দুটি গোল বাতিল হয়ে যায়। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে ৪৮ ও ৫৩ মিনিটে দুটি গোল করে সৌদি আরব। অনেকগুলো গোল করার সুযোগ পেয়েও আর গোল করতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে যায় আর্জেন্টাইনরা।
আর্জেন্টিনা ফুটবল সম্পর্কিত খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন
আর্জেন্টিনার এই পরাজয় মেনে নিতে পারছেন না ম্যারাডোনা জুনিয়র। ম্যারাডোনার ছেলে বলেন,‘আমি আর্জেন্টিনার পরাজয়ে খুবই মর্মাহত। আমার বিশ্বাস করতেই কষ্ট হচ্ছে। সৌদি আরবের কাছে পরাজয় আসলেই আশ্চর্যের।’
২৬ নভেম্বর মেক্সিকোর বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। আর ৩০ নভেম্বর পোল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে আলবিসেলেস্তেরা।
বিশ্বকাপ ফুটবল সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে উঠেছে লিওনেল মেসির দল। গোলশূন্য ম্যাচের টাইব্রেকারে কলম্বিয়া
৩৫ মিনিট আগে
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে