ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী মারিউপোল পুরোপুরি দখলে নেওয়ার দাবি করেছে রাশিয়া। তবে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, মারিউপোল থেকে ইউক্রেনের সেনা সরানো হলে রাশিয়ার সঙ্গে যেকোনো ধরনের আলোচনা বন্ধ হয়ে যাবে। গতকাল শনিবার তিনি এমনটি বলেন।
ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম প্রাভদাকে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমাদের সেনা ও আমাদের লোকদের মারিউপোলে নির্মূল করা হলে যেকোনো আলোচনার অবসান ঘটাবে। এর ফলে একটি অচলাবস্থা হবে, কারণ আমরা আমাদের অঞ্চল বা আমাদের জনগণের বিষয়ে আপস করব না।’
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে রাশিয়ান সৈন্যরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনে এই হামলা শুরু করে।
যুদ্ধের আগে মারিউপোলে থাকত প্রায় ৫ লাখ বাসিন্দা। গুরুত্বপূর্ণ এই শহর আজভ সাগরে ইউক্রেনের কৌশলগত বন্দর এবং দনবাস অঞ্চলে রুশ-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর কাছেই অবস্থিত।

পৃথিবীর কোনো বিশ্লেষকই হয়তো ভাবেননি যে, চলতি ফেব্রুয়ারিতেও ইরানকে ঘিরে এই নাটক চলতে থাকবে। মার্চ প্রায় চলে এলেও এর শেষ নেই। তবু যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে পরবর্তী ইরান যুদ্ধ কখন শুরু হতে পারে—এ নিয়ে সাধারণভাবে চারটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট সামনে এসেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বা এর আশপাশে মিত্র দেশগুলোর একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চায় ইসরায়েল। তাঁর ভাষায়, এই জোট একসঙ্গে তাঁর ভাষায় ‘উগ্র’ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কিছু ছাড় দিতে প্রস্তুত। বিনিময়ে তারা চায় দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হোক এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া হোক। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে ইরান এই উদ্যোগ নিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের ক্ষীণ আশা এখনো রয়ে গেছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শেষ হওয়া ফলহীন আলোচনার পর দুই পক্ষ আবারও আলোচনার জন্য রাজি হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে