
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনকে বাসায় গিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে খুলশী থানার ভূঁইয়া গলির বাসায় গিয়ে এই হুমকি দেওয়া হয়। হুমকি পেয়ে খুলশী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এই কর্মকর্তা।
দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিন বর্তমানে পটুয়াখালীতে দায়িত্বরত আছেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রামে দায়িত্বপালন করেন। গত ১৬ জুন তাঁকে পটুয়াখালীতে বদলি করা হয়।
জিডিতে দুদক কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, তিন দিনের ছুটিতে বাসায় আসেন তিনি। আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাঁর বাসায় আসেন কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. (কেজিডিসিএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আইয়ুব খান চৌধুরী ও আরও একজন সহযোগী। আইয়ুব খান চৌধুরী দারোয়ানের উপস্থিতিতে বলেন, আমার কারণে তাঁর জীবন ধ্বংস হয়েছে। আমি নাকি তাঁর বিরুদ্ধে নিউজ করাইছি। দুদকে কীভাবে চাকরি করি দেখে নেবে। চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর মতো অনেকের জীবন ধ্বংস করেছি বলে জানায়।
শরীফ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আইয়ুব খান চৌধুরী ফোনে আরও লোকবল আনে। আমাকে ও আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আমি জিডি করেছি।’
তবে আইয়ুব খানের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, ‘জিডি নিয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় অবৈধভাবে অতিরিক্ত বালু বোঝাই করে চলাচলের অভিযোগে ৯টি ড্রাম ট্রাকের চালককে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ট্রাকগুলো জব্দ করা হয়।
১৫ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকের টাকা জোগাড় করতেই চার বন্ধু মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। গত শনিবার (৭ মার্চ) অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সিয়ামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। হত্যার পর সিয়ামের ব্যবহৃত দামি আইফোন ও নগদ টাকা নিয়ে নেন তাঁরা।
৪৩ মিনিট আগে
মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের চাচাতো ভাই ও তাঁর সমর্থক আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার বাদী হাবু মিয়া অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এরই মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে ২৭ আসামি আগাম জামিন নেন। এরপর ৮ মার্চ কিশোরগঞ্জ জেলা জজ আদালত থেকে এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে ১৬ জন পুনরায় জামিন পান।
২ ঘণ্টা আগে