
সম্প্রতি ‘ফোর্বস’ যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ২৫ দানবীরের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকার ২৫ জনের মধ্যে আছেন ছয়জন নারী। এই নারীরা কোনো আড়ম্বর ছাড়াই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার সমাজসংস্কারে ব্যয় করছেন।
ফোর্বসের এই তালিকায় জায়গা পাওয়া ব্যক্তিদের দানের হিসাব এবং নিট সম্পদের মূল্যায়ন করা হয়েছে এ বছরের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে। একজন ব্যক্তি তাঁর সম্পদের কত শতাংশ দান করেছেন, তা হিসাব করার জন্য এখানে একটি বিশেষ সূত্র ব্যবহৃত হয়েছে। এই হিসাবে শুধু সেই অর্থ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা প্রকৃত অর্থে দাতব্য সংস্থা বা গ্রহীতার হাতে পৌঁছেছে। মেথডোলজি অনুযায়ী, ফাউন্ডেশনে পার্ক করে রাখা কিংবা পড়ে থাকা অর্থকে দান হিসেবে গণ্য করা হয়নি।
ম্যাকেঞ্জি স্কট
শীর্ষ ২৫ জনের তালিকায় ৩ নম্বরে আছেন ম্যাকেঞ্জি স্কট। ২০১৯ সালে আমাজন-প্রধান জেফ বেজোসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে গত সাত বছরে তিনি প্রায় ২৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার দান করেছেন। নিজ সম্পদের ৪৬ শতাংশই দান করেছেন ম্যাকেঞ্জি। শুধু ২০২৫ সালেই তিনি ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার দিয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁর নিট সম্পদ ৩০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। তাঁর কাছে থাকা আমাজন শেয়ারের ৭৫ শতাংশই বিলিয়ে দিয়েছেন। গত বছর তিনি কৃষ্ণাঙ্গ-অধ্যুষিত এলাকার ১৮টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৬০ মিলিয়ন ডলার দান করেছেন। মজার বিষয় হলো, তাঁর এই দান ইলন মাস্ক, ল্যারি পেজ এবং জেফ বেজোসের আজীবনের মোট দানের চেয়ে বেশি। তিনি মূলত শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সমতা খাতে দান করেছেন।
মেরিলিন সাইমনস
তালিকার ৬ নম্বরে আছেন মেরিলিন সাইমনস। জিম সাইমনসের মৃত্যু হওয়ার পর তিনি তাঁর পরিবারের দাতব্য কাজগুলো এগিয়ে নিচ্ছেন। তাঁর দানের পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলার। তিনি মূলত বিজ্ঞান ও গণিত খাতের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন। মেরিলিন তাঁর সম্পদের ২৪ শতাংশ দান করেছেন। বর্তমানে তাঁর নিট সম্পদ
৩২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। গত বছর তিনি ইকোলজিক্যাল নিউরোসায়েন্স গবেষণার জন্য ৮০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বারবারা পিকাওয়ার
জেফ্রি পিকাওয়ারের বিধবা স্ত্রী বারবারা ১৩তম শীর্ষ দানবীর হিসেবে তালিকায় রয়েছেন। তিনি অত্যন্ত নিভৃতে তাঁর ফ্রিডম টুগেদার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছেন। তাঁর দানের পরিমাণ ৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। বারবারা মূলত গণতন্ত্র এবং চিকিৎসা গবেষণা খাতে দান করেন। তাঁর বর্তমান নিট সম্পদ ১ বিলিয়ন ডলারের কম। ২০২৫ সালে তিনি গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি দান করেছিলেন।
এডিথ ব্রড
তালিকায় ১৫ নম্বরে আছেন এডিথ ব্রড। তিনি ও তাঁর প্রয়াত স্বামী এডিথ ব্রড লস অ্যাঞ্জেলেসের শিল্প ও শিক্ষা খাতে বিশাল এই বিনিয়োগ করেছেন। বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলেসে তাঁদের জাদুঘরটি ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এডিথের বর্তমান নিট সম্পদ ৭ বিলিয়ন ডলার। আর তাঁর দান করা অর্থের পরিমাণ ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। এডিথ তাঁর সম্পদের ৩৪ শতাংশ দান করেছেন।
লিন শুস্টারম্যান
১৪ নম্বরে আছেন লিন শুস্টারম্যান আর তাঁর কন্যা স্ট্যাসি। মূলত তাঁরা ওকলাহোমার তুলসা সম্প্রদায় এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের কল্যাণে কাজ করে থাকেন। তাঁদের দানের পরিমাণ ৪ বিলিয়ন ডলার। শিক্ষা খাতেও দানের রেকর্ড আছে লিনের। তিনি সম্পদের ৪৭ শতাংশ দান করেছেন। তাঁর বর্তমান নিট সম্পদ ৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে তিনি এবং তাঁর মেয়ে সমাজসংস্কারের অংশ হিসেবে কারামুক্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনেও সহায়তা করছেন।
বিলি মার্কাস
তালিকার ১৯ নম্বরে রয়েছেন হোম ডিপোর প্রতিষ্ঠাতা বার্নি মার্কাসের বিধবা স্ত্রী বিলি মার্কাস। তাঁর দানের পরিমাণ ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। চিকিৎসা গবেষণা ও ইহুদিদের নিরাপত্তা খাতে তিনি দান করেছেন। তাঁর বর্তমান নিট সম্পদ ১ বিলিয়ন ডলারের কম। ২০২৫ সালে তিনি ২৯০ মিলিয়ন ডলার দান করেছেন। সেই দানের বড় অংশ ব্যয় হয়েছে স্ট্রোকের রোগীদের ওপর গবেষণা এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে।

যুক্তরাষ্ট্র যখন কোনো দেশে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন শুরু করে, তার আগে পশ্চিমা মিডিয়ায় সে দেশটির বিরুদ্ধে নানা কথা শোনা যায়। এর মাধ্যমে তারা মূলত দেশটিতে হামলা বা অভিযানের যৌক্তিকতা তৈরি করে।
১০ দিন আগে
আমি একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে প্রায় তিন বছর। সম্প্রতি একটি মোবাইল ফোন নম্বর থেকে আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। কখনো ছবি আবার কখনো মেসেজের স্ক্রিনশট ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ইতিমধ্যে আমার কাছ থেকে টাকাপয়সাও হাতিয়ে নিয়েছে নম্বরটির ব্যবহারকারী।
১০ দিন আগে
যা ছাড়া এখন জীবন কল্পনা করা যায় না, সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। প্রজন্ম যেটাই হোক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্ল্যাটফর্মগুলোতে তাদের সরব উপস্থিতি। এখানে কেউ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা জানান, কেউ নিজের ছবির সঙ্গে জুড়ে দেন মানানসই কবিতা কিংবা গানের লাইন। আবার অনেকে এই মাধ্যমকে ব্যবহার করেন নিজের মতামত...
১০ দিন আগে
আজ মৌমাছি দিবস। পৃথিবীর খাদ্যশৃঙ্খল ও কৃষিব্যবস্থার এক-তৃতীয়াংশ পরাগায়ন নির্ভর করে তাদের ওপর। কিন্তু ক্ষতিকর পরজীবী ভ্যারোয়া মাইট, ভাইরাস এবং কীটনাশকের প্রভাবে তারা হারিয়ে যাচ্ছে আশঙ্কাজনক হারে। মৌমাছিদের এই গণমৃত্যু ও বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে এক যুগান্তকারী প্রাকৃতিক সমাধান নিয়ে এসেছিলেন...
১০ দিন আগে