
আজকের ডিজিটাল যুগে সোশ্যাল মিডিয়া শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়। বর্তমানে এটি কিশোর-কিশোরীদের জীবনযাপনের ধরনকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। বিউটি টিউটরিয়াল দেখা কিংবা প্রিয় ইনফ্লুয়েন্সারের ব্যবহৃত মেকআপসামগ্রী কেনা, এসবই যেন এখন বয়ঃসন্ধিকালের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে পর্দার এই ঝলমলে দুনিয়ার পেছনে

একটা সময় ছিল, যখন ফ্যাশন মানেই ছিল নারীদের শরীর শক্ত কোরসেটে পিষে দমবন্ধ করে রাখা। অর্থাৎ ভারী পোশাকের নিচে শরীরের স্বাধীনতা বন্দী করে রাখা। ঠিক তখনই ফরাসি ফ্যাশনে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব ঘটে গ্যাব্রিয়েল কোকো শ্যানেলের। তিনি বলেছিলেন, ‘বিলাসিতা যদি আরামদায়ক না হয়, তাহলে সেটি বিলাসিতার পর্যায়েই পড়ে না।

ইংল্যান্ডের ইস্ট ডারহামের সিহ্যামের এক অ্যালটমেন্টের কুঁড়েঘরে প্রতিদিন জড়ো হন নানা বয়সের নারী। কেউ নিয়ে আসেন তাঁদের অসমাপ্ত স্বপ্ন, কেউবা জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করার সাহস। আর তাঁদের সামনে দাঁড়িয়ে কাইলি ডিক্সন বারবার মনে করিয়ে দেন, কোনো আইডিয়াকে সবাই আজব বলে উড়িয়ে...

প্রেমের সম্পর্কে আসা মানেই যেন সম্পর্কের রং চেনার এক নিরন্তর খেলা। সম্পর্কের নীল আকাশে যেমন কখনো কখনো লাল সতর্কবার্তা থমকে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয়, তেমনি কিছু ক্ষেত্রে ভেসে ওঠে হলুদ সংকেত বা ‘ইয়েলো ফ্ল্যাগ’। ট্রাফিক লাইটের হলুদ আলো মানেই গাড়ি থামিয়ে একটু থামা, দেখা এবং ভাবা। সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইয়েলো