
১৩ দিন আগে সৌদি আরব থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় দেশে ফিরেছিলেন রিজিয়া বেগম (৪০)। হাতে ছিল না পাসপোর্ট বা কোনো পরিচয়পত্র। চিনতে পারছিলেন না কাউকেই। অবশেষে ব্র্যাক অভিবাসন ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রযুক্তির সহায়তায় মিলেছে তাঁর পরিচয়।
উত্তরায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আবেগঘন পরিবেশে তিন সন্তানের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তাঁদের নিখোঁজ মাকে।
বিভীষিকার শিকার রিজিয়ার মেয়ে লিজা আক্তার জানান, ২০১৯ সালে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার এক দালালের মাধ্যমে এবং ঢাকার ‘এটিবি ওভারসিজ লিমিটেড’ নামক এজেন্সির সহায়তায় তাঁর মা সৌদি আরব যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় অমানুষিক নির্যাতন। ২০২১ সালের পর থেকে পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
লিজা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘নির্যাতনে মায়ের চেহারা এমন হয়েছে যে চেনাই যাচ্ছে না। মা এখন আর কথাও বলছেন না। আমাদেরও চিনছে না।’
যেভাবে শনাক্ত করা হলো
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল ইসলাম হাসান বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন রিজিয়া। তাঁর অসংলগ্ন আচরণ দেখে এভসেক সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে ব্র্যাকের সেফহোমে পাঠান। পরিচয় না থাকায় তাঁর পরিবার খুঁজে পেতে বেগ পেতে হচ্ছিল। পরে পিবিআইয়ের খুলনা অঞ্চলের এসপি রেশমা শারমিনের উদ্যোগে আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেইসের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি এনায়েত হোসেন মান্নান বলেন, ‘অপরাধী শনাক্তের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত নারী কর্মীদের পরিচয় শনাক্তে পিবিআই এই প্রথম কাজ করল। পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল ইসলাম হাসান বলেন, ‘রিজিয়ার মতো নারীদের দুর্দশা দেখার কেউ নেই। নির্যাতিত হয়ে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাঁদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি (এসওপি) নেই। রাষ্ট্র ও সরকারকে এই অসহায় নারীদের সহায়তায় একটি স্থায়ী কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।’

অবশেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত আসা রিজিয়া বেগমের পরিবারের সন্ধান মিলেছে। দেশে ফেরার ১২ দিন পর আঙুলের ছাপ বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, তাঁর বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার মামদনগর গ্রামে।
১ দিন আগে
প্রবাদ বলে, প্রত্যেক সফল পুরুষের পেছনে একজন নারী থাকেন। এই প্রবল নারী বিরোধিতার যুগেও সেটা দেখা গেল পার্বত্য চট্টগ্রামে। সে অঞ্চলের রাজনীতির আকাশে অনন্য নাম অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। এই রাজনীতিবিদের এবারের ভূমিধস বিজয়ের পেছনে প্রচ্ছন্ন নয়, একেবারে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে তাঁর সহধর্মিণী মৈত্রী...
৫ দিন আগে
দেশে নারীদের মোটরসাইকেল চালনার হার ধীরে ধীরে বাড়ছে। বর্তমানে মোট মোটরসাইকেল চালকের প্রায় ১ শতাংশ নারী। তবে গবেষকেরা জানাচ্ছেন, সামাজিক মনোভাবের পরিবর্তন, যানজট, ব্যক্তিগত চলাচল এবং আয়ের প্রয়োজন বেড়ে যাওয়ায় নারী বাইকারের সংখ্যা বাড়ছে।
৭ দিন আগে
আগুনে পুড়ে খাঁটি সোনা হওয়ার গল্প আমরা অনেক শুনেছি। কিন্তু ঝু কুনফেইর গল্পটাকে বলতে হয় কাচ ঘষে হীরা হওয়ার গল্প। চীনের এক প্রত্যন্ত গ্রামের চরম দারিদ্র্য থেকে উঠে আসা এই ব্যক্তিত্ব আজ বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ ধনী ‘সেলফ-মেড’ নারী। অ্যাপল, স্যামসাং কিংবা টেসলার মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের টাচস্ক্রিন সাম্র
৭ দিন আগে