
অবশেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত আসা রিজিয়া বেগমের পরিবারের সন্ধান মিলেছে। দেশে ফেরার ১২ দিন পর আঙুলের ছাপ বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, তাঁর বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার মামদনগর গ্রামে।
আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পরিবারের সদস্যরা রিজিয়াকে নিতে ঢাকায় অবস্থিত ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন রিজিয়া বেগম। সে সময় তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা অসংলগ্ন ছিল এবং তিনি নিজের ঠিকানা বা পরিবারের কোনো তথ্য জানাতে পারছিলেন না। তখন সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে নিরাপদ আশ্রয় ও পরিবারের সন্ধানের উদ্দেশ্যে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে হস্তান্তর করেন।
ব্র্যাক জানিয়েছে, তাঁর কাছে কোনো পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ব্যক্তিগত নথিপত্র পাওয়া যায়নি। শুধু বিমানের টিকিটে ‘রিজিয়া বেগম’ এবং পিতা/স্বামী হিসেবে ‘আব্দুর নুর’ নাম উল্লেখ ছিল। বিষয়টি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়। এরপর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) খুলনা অঞ্চলের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন ব্র্যাকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরবর্তী সময়ে ঢাকায় পিবিআই সদস্যরা রিজিয়ার আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিশ্চিত হন, তাঁর বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার মামদনগর গ্রামে। এরপর ব্র্যাক ওই গ্রামে গিয়ে পরিবারটিকে খুঁজে বের করে।
রিজিয়া বেগমকে গ্রহণ করার জন্য তাঁর ছেলে ও মেয়ে ইতিমধ্যে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। আগামীকাল এক সংক্ষিপ্ত আয়োজনে রিজিয়াকে তাঁর পরিবারের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করা হবে।

বিশ শতকের শুরুর দিকের কথা। চিকিৎসাবিজ্ঞান তখনো ছিল পুরোপুরি পুরুষশাসিত। ইউরোপের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের দরজা নারীদের জন্য ছিল বন্ধ। সেই সময়ে ঔপনিবেশিক ভারতের অবিভক্ত বাংলার এক নারী চিকিৎসক ভাঙলেন ব্রিটিশদের দুর্ভেদ্য প্রাচীর!
৩ দিন আগে
মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বড় বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল আট বছরের এক শিশু। ২০২৫ সালের ৬ মার্চ, সকালবেলা। বোনের শয়নকক্ষেই নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার শিকার হয় শিশুটি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল এবং পরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাকে।
৩ দিন আগে
১৮৯৪ সালের ২৫ জুন। বোস্টনের দুই ধনী ব্যবসায়ী নিজেদের মধ্যে এক অদ্ভুত বাজি ধরলেন—কোনো নারী একা সাইকেলে চড়ে পুরো পৃথিবী ঘুরে আসতে পারবে না। সে সময়কার রক্ষণশীল ভিক্টোরিয়ান সমাজের এই চ্যালেঞ্জ লুফে নেন ২৪ বছর বয়সী গৃহবধূ এবং তিন সন্তানের মা অ্যানি কোহেন কপচভস্কি।
৩ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র যখন কোনো দেশে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন শুরু করে, তার আগে পশ্চিমা মিডিয়ায় সে দেশটির বিরুদ্ধে নানা কথা শোনা যায়। এর মাধ্যমে তারা মূলত দেশটিতে হামলা বা অভিযানের যৌক্তিকতা তৈরি করে।
১৭ দিন আগে