
ভারতের বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি কুকুরের মতো ‘ঘেউ ঘেউ’ শব্দ করে প্রতিবাদ করেছেন। কারণ তাঁর রেশন কার্ডে নিজের নামের শেষ পদবি ‘দত্ত’ পরিবর্তন হয়ে ‘কুত্তা’ হয়ে গেছে। পেশায় শিক্ষক শ্রীকান্তি কুমার দত্ত নামের ওই ব্যক্তির কুকুরের ডাকের ভিডিওটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেদিনীপুর বাঁকুড়া-২ ব্লকের বাসিন্দা শ্রীকান্তি কুমার দত্ত। তাঁর রেশন কার্ডে ভুলক্রমে শ্রীকান্তি কুমার দত্তের জায়গায় ‘শ্রীকান্তি কুমার কুত্তা’ ছাপা হয়েছে। নিজ নামের এই ভুল সংশোধন করার জন্য তিনি বাঁকুড়ার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একাধিকবার গিয়েও প্রতিকার পাননি। শেষে গত বুধবার এক অভিনব কাণ্ড করে বসেন শ্রীকান্তি।
ওই দিন ‘দুয়ারে সরকার’ নামের ক্যাম্প চলছিল বাঁকুড়া-২ ব্লকে। শ্রীকান্তি নিজের কাগজপত্র নিয়ে হাজির হন সেখানে। সামনে পেয়ে যান একজন সরকারি কর্মকর্তাকে। ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার পদবিধারী ওই সরকারি কর্মকর্তার গাড়ির জানালার কাছে গিয়ে ‘ঘেউ ঘেউ’ করতে শুরু করেন। কারণ রেশন কার্ড অনুযায়ী তিনি তো কুত্তা! তাঁর এই কাণ্ডে হইচই পড়ে যায় ক্যাম্পে। সরকারি ঔই কর্মকর্তা বাধ্য হয়ে তাঁর নথিপত্র দেখেন। এ ঘটনার দুই দিন পর তাঁর কাগজপত্রে নাম ঠিক হয়ে যায়।
শ্রীকান্তি দত্ত এনডিটিভিকে আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি আপনাদের কীভাবে বোঝাব যে আমি কতটা অপমানিত হয়েছিলাম। যার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে, সে-ই কেবল বুঝতে পারে। আমি একবার নয়, দুবার নয়, তিন-তিনবার নাম সংশোধনের জন্য ঘুরেছি। কিন্তু কাজ হয়নি। আমি একজন শিক্ষক। কিন্তু তারা আমার কথাই শোনেনি।’
শ্রীকান্তি দত্ত আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কার্ডে এই ভুল করেছে, তাঁর নামের ক্ষেত্রে কুত্তা লেখা থাকলে তিনি কী করতেন? আমি খুব রেগে গিয়েছিলাম এবং জুতোপেটা করতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে আমি তো করতে পারি না। শেষে নিজের রেশন কার্ডের নাম অনুযায়ী অভিনয় করার কথা চিন্তা করলাম।’
শুধু তাঁর নামই ভুল হয়েছে তা নয়, এ রকম হাজার হাজার মানুষের নাম ভুলভাবে ছাপা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় তিনি গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। শ্রীকান্তি বলেছেন, ‘মিডিয়া ইস্যুটি তুলেছিল বলেই আমি আমার নাম সংশোধন করতে পেরেছি। আমার মতো আরও হাজার হাজার মানুষের নাম ভুল আছে।’
ল–র–ব–য–হ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ভারতের বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি কুকুরের মতো ‘ঘেউ ঘেউ’ শব্দ করে প্রতিবাদ করেছেন। কারণ তাঁর রেশন কার্ডে নিজের নামের শেষ পদবি ‘দত্ত’ পরিবর্তন হয়ে ‘কুত্তা’ হয়ে গেছে। পেশায় শিক্ষক শ্রীকান্তি কুমার দত্ত নামের ওই ব্যক্তির কুকুরের ডাকের ভিডিওটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেদিনীপুর বাঁকুড়া-২ ব্লকের বাসিন্দা শ্রীকান্তি কুমার দত্ত। তাঁর রেশন কার্ডে ভুলক্রমে শ্রীকান্তি কুমার দত্তের জায়গায় ‘শ্রীকান্তি কুমার কুত্তা’ ছাপা হয়েছে। নিজ নামের এই ভুল সংশোধন করার জন্য তিনি বাঁকুড়ার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একাধিকবার গিয়েও প্রতিকার পাননি। শেষে গত বুধবার এক অভিনব কাণ্ড করে বসেন শ্রীকান্তি।
ওই দিন ‘দুয়ারে সরকার’ নামের ক্যাম্প চলছিল বাঁকুড়া-২ ব্লকে। শ্রীকান্তি নিজের কাগজপত্র নিয়ে হাজির হন সেখানে। সামনে পেয়ে যান একজন সরকারি কর্মকর্তাকে। ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার পদবিধারী ওই সরকারি কর্মকর্তার গাড়ির জানালার কাছে গিয়ে ‘ঘেউ ঘেউ’ করতে শুরু করেন। কারণ রেশন কার্ড অনুযায়ী তিনি তো কুত্তা! তাঁর এই কাণ্ডে হইচই পড়ে যায় ক্যাম্পে। সরকারি ঔই কর্মকর্তা বাধ্য হয়ে তাঁর নথিপত্র দেখেন। এ ঘটনার দুই দিন পর তাঁর কাগজপত্রে নাম ঠিক হয়ে যায়।
শ্রীকান্তি দত্ত এনডিটিভিকে আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি আপনাদের কীভাবে বোঝাব যে আমি কতটা অপমানিত হয়েছিলাম। যার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে, সে-ই কেবল বুঝতে পারে। আমি একবার নয়, দুবার নয়, তিন-তিনবার নাম সংশোধনের জন্য ঘুরেছি। কিন্তু কাজ হয়নি। আমি একজন শিক্ষক। কিন্তু তারা আমার কথাই শোনেনি।’
শ্রীকান্তি দত্ত আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কার্ডে এই ভুল করেছে, তাঁর নামের ক্ষেত্রে কুত্তা লেখা থাকলে তিনি কী করতেন? আমি খুব রেগে গিয়েছিলাম এবং জুতোপেটা করতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে আমি তো করতে পারি না। শেষে নিজের রেশন কার্ডের নাম অনুযায়ী অভিনয় করার কথা চিন্তা করলাম।’
শুধু তাঁর নামই ভুল হয়েছে তা নয়, এ রকম হাজার হাজার মানুষের নাম ভুলভাবে ছাপা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় তিনি গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। শ্রীকান্তি বলেছেন, ‘মিডিয়া ইস্যুটি তুলেছিল বলেই আমি আমার নাম সংশোধন করতে পেরেছি। আমার মতো আরও হাজার হাজার মানুষের নাম ভুল আছে।’
ল–র–ব–য–হ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ভারতের বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি কুকুরের মতো ‘ঘেউ ঘেউ’ শব্দ করে প্রতিবাদ করেছেন। কারণ তাঁর রেশন কার্ডে নিজের নামের শেষ পদবি ‘দত্ত’ পরিবর্তন হয়ে ‘কুত্তা’ হয়ে গেছে। পেশায় শিক্ষক শ্রীকান্তি কুমার দত্ত নামের ওই ব্যক্তির কুকুরের ডাকের ভিডিওটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেদিনীপুর বাঁকুড়া-২ ব্লকের বাসিন্দা শ্রীকান্তি কুমার দত্ত। তাঁর রেশন কার্ডে ভুলক্রমে শ্রীকান্তি কুমার দত্তের জায়গায় ‘শ্রীকান্তি কুমার কুত্তা’ ছাপা হয়েছে। নিজ নামের এই ভুল সংশোধন করার জন্য তিনি বাঁকুড়ার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একাধিকবার গিয়েও প্রতিকার পাননি। শেষে গত বুধবার এক অভিনব কাণ্ড করে বসেন শ্রীকান্তি।
ওই দিন ‘দুয়ারে সরকার’ নামের ক্যাম্প চলছিল বাঁকুড়া-২ ব্লকে। শ্রীকান্তি নিজের কাগজপত্র নিয়ে হাজির হন সেখানে। সামনে পেয়ে যান একজন সরকারি কর্মকর্তাকে। ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার পদবিধারী ওই সরকারি কর্মকর্তার গাড়ির জানালার কাছে গিয়ে ‘ঘেউ ঘেউ’ করতে শুরু করেন। কারণ রেশন কার্ড অনুযায়ী তিনি তো কুত্তা! তাঁর এই কাণ্ডে হইচই পড়ে যায় ক্যাম্পে। সরকারি ঔই কর্মকর্তা বাধ্য হয়ে তাঁর নথিপত্র দেখেন। এ ঘটনার দুই দিন পর তাঁর কাগজপত্রে নাম ঠিক হয়ে যায়।
শ্রীকান্তি দত্ত এনডিটিভিকে আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি আপনাদের কীভাবে বোঝাব যে আমি কতটা অপমানিত হয়েছিলাম। যার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে, সে-ই কেবল বুঝতে পারে। আমি একবার নয়, দুবার নয়, তিন-তিনবার নাম সংশোধনের জন্য ঘুরেছি। কিন্তু কাজ হয়নি। আমি একজন শিক্ষক। কিন্তু তারা আমার কথাই শোনেনি।’
শ্রীকান্তি দত্ত আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কার্ডে এই ভুল করেছে, তাঁর নামের ক্ষেত্রে কুত্তা লেখা থাকলে তিনি কী করতেন? আমি খুব রেগে গিয়েছিলাম এবং জুতোপেটা করতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে আমি তো করতে পারি না। শেষে নিজের রেশন কার্ডের নাম অনুযায়ী অভিনয় করার কথা চিন্তা করলাম।’
শুধু তাঁর নামই ভুল হয়েছে তা নয়, এ রকম হাজার হাজার মানুষের নাম ভুলভাবে ছাপা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় তিনি গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। শ্রীকান্তি বলেছেন, ‘মিডিয়া ইস্যুটি তুলেছিল বলেই আমি আমার নাম সংশোধন করতে পেরেছি। আমার মতো আরও হাজার হাজার মানুষের নাম ভুল আছে।’
ল–র–ব–য–হ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ভারতের বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি কুকুরের মতো ‘ঘেউ ঘেউ’ শব্দ করে প্রতিবাদ করেছেন। কারণ তাঁর রেশন কার্ডে নিজের নামের শেষ পদবি ‘দত্ত’ পরিবর্তন হয়ে ‘কুত্তা’ হয়ে গেছে। পেশায় শিক্ষক শ্রীকান্তি কুমার দত্ত নামের ওই ব্যক্তির কুকুরের ডাকের ভিডিওটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেদিনীপুর বাঁকুড়া-২ ব্লকের বাসিন্দা শ্রীকান্তি কুমার দত্ত। তাঁর রেশন কার্ডে ভুলক্রমে শ্রীকান্তি কুমার দত্তের জায়গায় ‘শ্রীকান্তি কুমার কুত্তা’ ছাপা হয়েছে। নিজ নামের এই ভুল সংশোধন করার জন্য তিনি বাঁকুড়ার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একাধিকবার গিয়েও প্রতিকার পাননি। শেষে গত বুধবার এক অভিনব কাণ্ড করে বসেন শ্রীকান্তি।
ওই দিন ‘দুয়ারে সরকার’ নামের ক্যাম্প চলছিল বাঁকুড়া-২ ব্লকে। শ্রীকান্তি নিজের কাগজপত্র নিয়ে হাজির হন সেখানে। সামনে পেয়ে যান একজন সরকারি কর্মকর্তাকে। ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার পদবিধারী ওই সরকারি কর্মকর্তার গাড়ির জানালার কাছে গিয়ে ‘ঘেউ ঘেউ’ করতে শুরু করেন। কারণ রেশন কার্ড অনুযায়ী তিনি তো কুত্তা! তাঁর এই কাণ্ডে হইচই পড়ে যায় ক্যাম্পে। সরকারি ঔই কর্মকর্তা বাধ্য হয়ে তাঁর নথিপত্র দেখেন। এ ঘটনার দুই দিন পর তাঁর কাগজপত্রে নাম ঠিক হয়ে যায়।
শ্রীকান্তি দত্ত এনডিটিভিকে আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি আপনাদের কীভাবে বোঝাব যে আমি কতটা অপমানিত হয়েছিলাম। যার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে, সে-ই কেবল বুঝতে পারে। আমি একবার নয়, দুবার নয়, তিন-তিনবার নাম সংশোধনের জন্য ঘুরেছি। কিন্তু কাজ হয়নি। আমি একজন শিক্ষক। কিন্তু তারা আমার কথাই শোনেনি।’
শ্রীকান্তি দত্ত আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কার্ডে এই ভুল করেছে, তাঁর নামের ক্ষেত্রে কুত্তা লেখা থাকলে তিনি কী করতেন? আমি খুব রেগে গিয়েছিলাম এবং জুতোপেটা করতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে আমি তো করতে পারি না। শেষে নিজের রেশন কার্ডের নাম অনুযায়ী অভিনয় করার কথা চিন্তা করলাম।’
শুধু তাঁর নামই ভুল হয়েছে তা নয়, এ রকম হাজার হাজার মানুষের নাম ভুলভাবে ছাপা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় তিনি গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। শ্রীকান্তি বলেছেন, ‘মিডিয়া ইস্যুটি তুলেছিল বলেই আমি আমার নাম সংশোধন করতে পেরেছি। আমার মতো আরও হাজার হাজার মানুষের নাম ভুল আছে।’
ল–র–ব–য–হ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

চীনা নববর্ষের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সাধারণ আহ্বান মুহূর্তেই রূপ নিয়েছিল বিশাল জনসমাগম ও গ্রামীণ উৎসবে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিংয়ের হেচুয়ান অঞ্চলের চিংফু গ্রামে। ২০ বছর বয়সী এক তরুণী দাইদাই চীনা টিকটকে সহায়তার আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁর বাবা বয়সের কারণে...
১ দিন আগে
নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলমান ইন্ডিয়া ওপেন সুপার-৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অস্বাভাবিক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরুষদের এককের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতের এইচএস প্রণয় ও সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউয়ের ম্যাচে কোর্টে পাখির বিষ্ঠা পড়ায় দুবার খেলা বন্ধ রাখতে
১ দিন আগে
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত নতুন করে উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সারান্ডা বনাঞ্চলে একটি দাঁতাল হাতির হামলায় মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
৮ দিন আগে
বলকান অঞ্চলের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচিত বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আলোচিত। এর আগে তিনি, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং চীনের উত্থানের মতো ঘটনাও তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।
৮ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

চীনা নববর্ষের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সাধারণ আহ্বান মুহূর্তেই রূপ নিয়েছিল বিশাল জনসমাগম ও গ্রামীণ উৎসবে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিংয়ের হেচুয়ান অঞ্চলের চিংফু গ্রামে। ২০ বছর বয়সী এক তরুণী দাইদাই চীনা টিকটকে সহায়তার আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁর বাবা বয়সের কারণে ঐতিহ্যবাহী কমিউনিটি ভোজের জন্য নির্ধারিত দুটি শূকর জবাই করতে পারবেন না। বাবার কষ্ট লাঘব করতেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে সাহায্য চান।
গত সপ্তাহের শেষ দিকে দেওয়া ওই পোস্টে দাইদাই লেখেন, ‘কেউ কি আমাকে সাহায্য করতে পারবেন? আমার বাবা খুব বৃদ্ধ। আমি আশঙ্কা করছি, তিনি এই শূকরগুলো সামলাতে পারবেন না।’ তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, যারা গ্রামে এসে সহায়তা করবেন, তাঁদের সবাইকে শূকরের মাংসের ভোজ খাওয়ানো হবে।
চীনের সিচুয়ান ও চংকিংয়ের গ্রামীণ এলাকায় বড় আকারের কমিউনিটি ভোজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এসব ভোজে সাধারণত দুবার রান্না করা শূকরের মাংস, ভাপানো পাঁজর, স্যুপ ও ঘরে তৈরি মদ পরিবেশন করা হয়। দাইদাই তাঁর পোস্টে বলেন, ‘আমি চাই আমাদের গ্রামে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে।’
এই আহ্বান সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে। পোস্টটিতে এক মিলিয়নের বেশি লাইক পড়ে। বাস্তবে এর প্রতিফলন ঘটে চিংফু গ্রামে, যেখানে দাইদাইয়ের প্রত্যাশার তুলনায় বহু গুণ বেশি মানুষ উপস্থিত হন। হাজার হাজার গাড়ি গ্রামমুখী হওয়ায় গ্রামীণ চংকিংয়ের ওই এলাকায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়।
ড্রোনে তোলা ছবিতে দেখা যায়, দুই পাশে ধানখেত রেখে সারি সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে, সবাই চিংফু গ্রামে প্রবেশের অপেক্ষায়। যানজট এড়াতে কেউ কেউ দীর্ঘ পথ হেঁটে গ্রামে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে দাইদাই চালকদের সতর্ক থাকতে বলেন, বিশেষ করে শহর থেকে আসা চালকদের গ্রামীণ রাস্তার অবস্থার বিষয়ে সাবধান করেন।
১০০ কিলোমিটারের বেশি দূর থেকে গাড়ি চালিয়ে আসা এক ব্যক্তি বিবিসিকে বলেন, ‘পরিবেশটা দারুণ ছিল। এটা আমাকে আমার শৈশবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যখন আমাদের পরিবার শূকর পালন করত। বহু বছর পর এমন অনুভূতি পেলাম।’ তিনি জানান, তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নম্বরপ্লেট দেখেছেন।
পরে শূকর জবাই ও বিশাল ভোজের আয়োজন সরাসরি অনলাইনে সম্প্রচার করা হয়। এই লাইভ অনুষ্ঠানটি এক লাখের বেশি মানুষ দেখেন এবং এতে ২ কোটি লাইক পড়ে। স্থানীয় সরকার ঘটনাটিকে ‘ফ্ল্যাশ টুরিজম’ হিসেবে দেখছে এবং উদ্যোগটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে।
দুটি শূকরের মাংসে বিপুলসংখ্যক মানুষের চাহিদা পূরণ সম্ভব না হওয়ায় স্থানীয় পর্যটন কর্মকর্তারা অতিরিক্ত শূকর সরবরাহ করেন। পাশাপাশি ছোট ছোট স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলো খোলা জায়গায় বসার ব্যবস্থা করে আগত দর্শনার্থীদের খাবার পরিবেশন করে। দাইদাই চীনা গণমাধ্যমকে জানান, তিনি ধারণা করেছিলেন সর্বোচ্চ এক ডজন মানুষ আসতে পারেন। বাস্তবে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে তা গোনা সম্ভব হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার পেছনে রয়েছে চীনা সমাজে কমিউনিটি সংস্কৃতির প্রতি নতুন করে আকর্ষণ এবং দৈনন্দিন জীবনের চাপ ও হতাশার মধ্যে ইতিবাচক অভিজ্ঞতার খোঁজ। ঘটনার দ্রুত বিস্তারে দাইদাই নিজেও বিস্মিত হন। পোস্ট দেওয়ার পরদিনই মানুষের ঢল এত বেড়ে যায় যে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় তিনি পুলিশকে অবহিত করেন। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ভোজ ও উৎসব দুই দিন ধরে চলে। ১১ জানুয়ারি যেখানে এক হাজার মানুষ খাবার খান, পরদিন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় দুই হাজারে। রাতে জ্বলে ওঠে অগ্নিকুণ্ড, চলে গান-বাজনা ও নাচ। একটি ব্যান্ডও অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। পরে দাইদাই একটি পোস্টে জানান, আয়োজন শেষ হয়েছে। তিনি নতুন দর্শনার্থীদের অঞ্চলটি ঘুরে দেখার আহ্বান জানালেও তাঁর বাড়িতে আর না আসার অনুরোধ করেন। দুই দিনে মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমিয়ে তিনি জানান, তিনি অত্যন্ত ক্লান্ত।
তবে তিনি বলেন, এটি তাঁর এবং তাঁর গ্রামের জন্য একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। যারা তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশে দাইদাই বলেন, ‘আপনাদের উদ্দীপনা ও আবেগ না থাকলে এমন একটি ভোজ সম্ভব হতো না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যাঁরা এসেছিলেন, সবার অনুভূতিই ছিল বড় একটি পরিবারের মতো। এটা ছিল উষ্ণ, আরোগ্যদায়ক ও অর্থবহ।’ একই সঙ্গে হঠাৎ এত বড় আয়োজন চালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।
ইতিমধ্যে ধারণা করা হচ্ছে, দাইদাইয়ের গ্রাম ও হেচুয়ান অঞ্চলে ভবিষ্যতে এই আয়োজনকে নিয়মিত উৎসবে রূপ দিতে পারে। লক্ষ্য থাকবে তৃণমূল পর্যায়ের সামাজিক যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন বাড়ানো। চীনা সংবাদমাধ্যম পিপলস ডেইলিকে এক গ্রামবাসী বলেন, ‘এখানে প্রতিবেশীরা একে অপরকে সাহায্য করে। আজ আমি তোমার বাড়িতে শূকর জবাই করতে সাহায্য করলাম, কাল তুমি আমার বাড়িতে এসে একই কাজ করবে।’
দাইদাই তাঁর বাবার অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমার বাবা খুব খুশি। এত মানুষ আসতে দেখে তাঁকে অন্য গ্রামবাসীদের কাছ থেকে টেবিল ও চেয়ার ধার নিতে হয়েছে। আমরা আগে কখনো এমন অভিজ্ঞতা পাইনি।’

চীনা নববর্ষের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সাধারণ আহ্বান মুহূর্তেই রূপ নিয়েছিল বিশাল জনসমাগম ও গ্রামীণ উৎসবে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিংয়ের হেচুয়ান অঞ্চলের চিংফু গ্রামে। ২০ বছর বয়সী এক তরুণী দাইদাই চীনা টিকটকে সহায়তার আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁর বাবা বয়সের কারণে ঐতিহ্যবাহী কমিউনিটি ভোজের জন্য নির্ধারিত দুটি শূকর জবাই করতে পারবেন না। বাবার কষ্ট লাঘব করতেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে সাহায্য চান।
গত সপ্তাহের শেষ দিকে দেওয়া ওই পোস্টে দাইদাই লেখেন, ‘কেউ কি আমাকে সাহায্য করতে পারবেন? আমার বাবা খুব বৃদ্ধ। আমি আশঙ্কা করছি, তিনি এই শূকরগুলো সামলাতে পারবেন না।’ তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, যারা গ্রামে এসে সহায়তা করবেন, তাঁদের সবাইকে শূকরের মাংসের ভোজ খাওয়ানো হবে।
চীনের সিচুয়ান ও চংকিংয়ের গ্রামীণ এলাকায় বড় আকারের কমিউনিটি ভোজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এসব ভোজে সাধারণত দুবার রান্না করা শূকরের মাংস, ভাপানো পাঁজর, স্যুপ ও ঘরে তৈরি মদ পরিবেশন করা হয়। দাইদাই তাঁর পোস্টে বলেন, ‘আমি চাই আমাদের গ্রামে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে।’
এই আহ্বান সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে। পোস্টটিতে এক মিলিয়নের বেশি লাইক পড়ে। বাস্তবে এর প্রতিফলন ঘটে চিংফু গ্রামে, যেখানে দাইদাইয়ের প্রত্যাশার তুলনায় বহু গুণ বেশি মানুষ উপস্থিত হন। হাজার হাজার গাড়ি গ্রামমুখী হওয়ায় গ্রামীণ চংকিংয়ের ওই এলাকায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়।
ড্রোনে তোলা ছবিতে দেখা যায়, দুই পাশে ধানখেত রেখে সারি সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে, সবাই চিংফু গ্রামে প্রবেশের অপেক্ষায়। যানজট এড়াতে কেউ কেউ দীর্ঘ পথ হেঁটে গ্রামে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে দাইদাই চালকদের সতর্ক থাকতে বলেন, বিশেষ করে শহর থেকে আসা চালকদের গ্রামীণ রাস্তার অবস্থার বিষয়ে সাবধান করেন।
১০০ কিলোমিটারের বেশি দূর থেকে গাড়ি চালিয়ে আসা এক ব্যক্তি বিবিসিকে বলেন, ‘পরিবেশটা দারুণ ছিল। এটা আমাকে আমার শৈশবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যখন আমাদের পরিবার শূকর পালন করত। বহু বছর পর এমন অনুভূতি পেলাম।’ তিনি জানান, তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নম্বরপ্লেট দেখেছেন।
পরে শূকর জবাই ও বিশাল ভোজের আয়োজন সরাসরি অনলাইনে সম্প্রচার করা হয়। এই লাইভ অনুষ্ঠানটি এক লাখের বেশি মানুষ দেখেন এবং এতে ২ কোটি লাইক পড়ে। স্থানীয় সরকার ঘটনাটিকে ‘ফ্ল্যাশ টুরিজম’ হিসেবে দেখছে এবং উদ্যোগটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে।
দুটি শূকরের মাংসে বিপুলসংখ্যক মানুষের চাহিদা পূরণ সম্ভব না হওয়ায় স্থানীয় পর্যটন কর্মকর্তারা অতিরিক্ত শূকর সরবরাহ করেন। পাশাপাশি ছোট ছোট স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলো খোলা জায়গায় বসার ব্যবস্থা করে আগত দর্শনার্থীদের খাবার পরিবেশন করে। দাইদাই চীনা গণমাধ্যমকে জানান, তিনি ধারণা করেছিলেন সর্বোচ্চ এক ডজন মানুষ আসতে পারেন। বাস্তবে উপস্থিত মানুষের সংখ্যা এত বেশি ছিল যে তা গোনা সম্ভব হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার পেছনে রয়েছে চীনা সমাজে কমিউনিটি সংস্কৃতির প্রতি নতুন করে আকর্ষণ এবং দৈনন্দিন জীবনের চাপ ও হতাশার মধ্যে ইতিবাচক অভিজ্ঞতার খোঁজ। ঘটনার দ্রুত বিস্তারে দাইদাই নিজেও বিস্মিত হন। পোস্ট দেওয়ার পরদিনই মানুষের ঢল এত বেড়ে যায় যে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় তিনি পুলিশকে অবহিত করেন। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ভোজ ও উৎসব দুই দিন ধরে চলে। ১১ জানুয়ারি যেখানে এক হাজার মানুষ খাবার খান, পরদিন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় দুই হাজারে। রাতে জ্বলে ওঠে অগ্নিকুণ্ড, চলে গান-বাজনা ও নাচ। একটি ব্যান্ডও অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। পরে দাইদাই একটি পোস্টে জানান, আয়োজন শেষ হয়েছে। তিনি নতুন দর্শনার্থীদের অঞ্চলটি ঘুরে দেখার আহ্বান জানালেও তাঁর বাড়িতে আর না আসার অনুরোধ করেন। দুই দিনে মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমিয়ে তিনি জানান, তিনি অত্যন্ত ক্লান্ত।
তবে তিনি বলেন, এটি তাঁর এবং তাঁর গ্রামের জন্য একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। যারা তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশে দাইদাই বলেন, ‘আপনাদের উদ্দীপনা ও আবেগ না থাকলে এমন একটি ভোজ সম্ভব হতো না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যাঁরা এসেছিলেন, সবার অনুভূতিই ছিল বড় একটি পরিবারের মতো। এটা ছিল উষ্ণ, আরোগ্যদায়ক ও অর্থবহ।’ একই সঙ্গে হঠাৎ এত বড় আয়োজন চালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।
ইতিমধ্যে ধারণা করা হচ্ছে, দাইদাইয়ের গ্রাম ও হেচুয়ান অঞ্চলে ভবিষ্যতে এই আয়োজনকে নিয়মিত উৎসবে রূপ দিতে পারে। লক্ষ্য থাকবে তৃণমূল পর্যায়ের সামাজিক যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন বাড়ানো। চীনা সংবাদমাধ্যম পিপলস ডেইলিকে এক গ্রামবাসী বলেন, ‘এখানে প্রতিবেশীরা একে অপরকে সাহায্য করে। আজ আমি তোমার বাড়িতে শূকর জবাই করতে সাহায্য করলাম, কাল তুমি আমার বাড়িতে এসে একই কাজ করবে।’
দাইদাই তাঁর বাবার অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমার বাবা খুব খুশি। এত মানুষ আসতে দেখে তাঁকে অন্য গ্রামবাসীদের কাছ থেকে টেবিল ও চেয়ার ধার নিতে হয়েছে। আমরা আগে কখনো এমন অভিজ্ঞতা পাইনি।’

ভারতের বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি কুকুরের মতো ‘ঘেউ ঘেউ’ শব্দ করে প্রতিবাদ করেছেন। কারণ তাঁর রেশন কার্ডে নিজের নামের শেষ পদবি ‘দত্ত’ পরিবর্তন হয়ে ‘কুত্তা’ হয়ে গেছে। পেশায় শিক্ষক শ্রীকান্তি কুমার দত্ত নামের ওই ব্যক্তির কুকুরের...
২৪ নভেম্বর ২০২২
নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলমান ইন্ডিয়া ওপেন সুপার-৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অস্বাভাবিক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরুষদের এককের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতের এইচএস প্রণয় ও সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউয়ের ম্যাচে কোর্টে পাখির বিষ্ঠা পড়ায় দুবার খেলা বন্ধ রাখতে
১ দিন আগে
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত নতুন করে উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সারান্ডা বনাঞ্চলে একটি দাঁতাল হাতির হামলায় মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
৮ দিন আগে
বলকান অঞ্চলের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচিত বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আলোচিত। এর আগে তিনি, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং চীনের উত্থানের মতো ঘটনাও তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।
৮ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলমান ইন্ডিয়া ওপেন সুপার-৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অস্বাভাবিক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরুষদের এককের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতের এইচএস প্রণয় ও সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউয়ের ম্যাচে কোর্টে পাখির বিষ্ঠা পড়ায় দুবার খেলা বন্ধ রাখতে হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, টুর্নামেন্টের তৃতীয় দিনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা আয়োজনের মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এর আগেই ভেন্যুর খেলার পরিবেশ, বাতাসের মান, তীব্র ঠান্ডা এবং গ্যালারিতে বানর দেখা যাওয়ার ঘটনায় আয়োজকেরা সমালোচনার মুখে পড়েন।
প্রণয়-লো ম্যাচটি প্রথম বন্ধ হয় প্রথম সেটে, যখন প্রণয় ১৬-১৪ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। পরে তৃতীয় ও নির্ধারণী সেটের শুরুতে আবার খেলা বন্ধ হয়, তখন প্রণয় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে। দুবারই টুর্নামেন্ট কর্মকর্তারা প্রধান টিভি কোর্ট কোর্ট-১-এ ঢুকে মেঝে পরিষ্কার করেন। ছাদ থেকে পাখির বিষ্ঠা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে প্রণয় বলেন, ‘পাখির বিষ্ঠার কারণেই মূলত ম্যাচটা থামাতে হয়েছিল।’ শেষ পর্যন্ত অবশ্য সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন লো কিন ইউয়ের কাছে ২১-১৮, ১৯-২১, ১৪-২১ ব্যবধানে ম্যাচটি হেরে যান প্রণয়।
ঘটনার পর ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন (বিডব্লিউএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ইয়োনেক্স-সানরাইজ ইন্ডিয়া ওপেন ২০২৬ চলাকালে নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্পোর্টস কমপ্লেক্সের পরিবেশ মূল্যায়নের জন্য আমরা খেলোয়াড় ও দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছি।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘খেলোয়াড়দের কাছ থেকে পাওয়া ইতিবাচক ও গঠনমূলক প্রতিক্রিয়া এই টুর্নামেন্ট এবং ভবিষ্যৎ চ্যাম্পিয়নশিপগুলোর জন্য সর্বোত্তম পরিবেশ গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড়দের মন্তব্য এবং তা নিয়ে হওয়া গণমাধ্যমের প্রতিবেদনও আমরা স্বীকার করছি।’
বিডব্লিউএফ জানায়, মৌসুমি কারণে ভেন্যুর ভেতরের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়েছে। তারা বলেছে, ‘এ সপ্তাহে কুয়াশা ও ঠান্ডাজনিত আবহাওয়ার কারণে ভেন্যুর ভেতরে বাতাসের মান ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে আমাদের মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইন্দিরা গান্ধী স্পোর্টস কমপ্লেক্স আগের কেডি যাদব স্টেডিয়ামের তুলনায় অবকাঠামোগতভাবে অনেক উন্নত।’
পশু নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা নিয়েও উদ্বেগের কথা স্বীকার করে সংস্থাটি জানায়, সাধারণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধি এবং পশু নিয়ন্ত্রণসহ কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি মনোযোগ প্রয়োজন ছিল। তবে এসব বিষয় সমাধানে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন সংস্থা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে।
লো কিন ইউ ম্যাচে বাধা নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও দূষণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘সবার স্ট্যামিনা যেন হঠাৎ দুই ধাপ কমে গেছে। আবহাওয়া ভালো নয়। আমার শারীরিক অবস্থাও বেশ খারাপ হয়ে গেছে। ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছি না। সুযোগ পেলেই মাস্ক পরি, যতটা সম্ভব ঘরের ভেতরে থাকি—এর বেশি কিছু করার নেই।’
খেলা বন্ধ হওয়ার সময় দর্শক ও ধারাভাষ্যকারেরাও প্রথমে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। চেয়ার আম্পায়ার হঠাৎ খেলা বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে কর্মকর্তারা টিস্যু ও ওয়াইপ দিয়ে কোর্ট পরিষ্কার করেন। দ্বিতীয়বার খেলা বন্ধের সময় লো কিন ইউ কোর্টে কী পড়েছে দেখে বিরক্তি প্রকাশ করেন।
ম্যাচটি গ্যালারি থেকে দেখা সাবেক ভারতীয় কোচ বিমল কুমার বলেন, ‘এটা পাখির বিষ্ঠা ছিল কি না আমি নিশ্চিত নই। মাত্র ৩০-৪০ সেকেন্ডের জন্য খেলা থেমেছিল। ওই সময়েই তারা মেঝে মুছে নেয়। এটাকে খুব বড় কোনো বিষয় বলেও মনে হয়নি।’ তবে ভেন্যু ব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘চীন ছাড়া বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ টুর্নামেন্ট ভেন্যুই ভয়াবহভাবে অবহেলিত।’
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টে চলমান অভিযোগের তালিকা আরও দীর্ঘ হলো। মঙ্গলবার ডেনমার্কের মিয়া ব্লিশফেল্ট ভেন্যুর স্বাস্থ্যগত পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একই দিন ডেনমার্কের আন্দেরস আন্টনসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘চরম দূষণ’-এর কথা উল্লেখ করে টানা তৃতীয়বারের মতো ইন্ডিয়া ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করেন।
এর আগের দিন বুধবার, গ্যালারিতে একটি বানর দেখা যাওয়ায় আয়োজকেরা আরও বিব্রত হন। একের পর এক ঘটনায় ইন্ডিয়া ওপেনের আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।

নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলমান ইন্ডিয়া ওপেন সুপার-৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অস্বাভাবিক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরুষদের এককের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতের এইচএস প্রণয় ও সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউয়ের ম্যাচে কোর্টে পাখির বিষ্ঠা পড়ায় দুবার খেলা বন্ধ রাখতে হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, টুর্নামেন্টের তৃতীয় দিনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা আয়োজনের মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এর আগেই ভেন্যুর খেলার পরিবেশ, বাতাসের মান, তীব্র ঠান্ডা এবং গ্যালারিতে বানর দেখা যাওয়ার ঘটনায় আয়োজকেরা সমালোচনার মুখে পড়েন।
প্রণয়-লো ম্যাচটি প্রথম বন্ধ হয় প্রথম সেটে, যখন প্রণয় ১৬-১৪ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। পরে তৃতীয় ও নির্ধারণী সেটের শুরুতে আবার খেলা বন্ধ হয়, তখন প্রণয় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে। দুবারই টুর্নামেন্ট কর্মকর্তারা প্রধান টিভি কোর্ট কোর্ট-১-এ ঢুকে মেঝে পরিষ্কার করেন। ছাদ থেকে পাখির বিষ্ঠা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে প্রণয় বলেন, ‘পাখির বিষ্ঠার কারণেই মূলত ম্যাচটা থামাতে হয়েছিল।’ শেষ পর্যন্ত অবশ্য সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন লো কিন ইউয়ের কাছে ২১-১৮, ১৯-২১, ১৪-২১ ব্যবধানে ম্যাচটি হেরে যান প্রণয়।
ঘটনার পর ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন (বিডব্লিউএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ইয়োনেক্স-সানরাইজ ইন্ডিয়া ওপেন ২০২৬ চলাকালে নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্পোর্টস কমপ্লেক্সের পরিবেশ মূল্যায়নের জন্য আমরা খেলোয়াড় ও দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছি।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘খেলোয়াড়দের কাছ থেকে পাওয়া ইতিবাচক ও গঠনমূলক প্রতিক্রিয়া এই টুর্নামেন্ট এবং ভবিষ্যৎ চ্যাম্পিয়নশিপগুলোর জন্য সর্বোত্তম পরিবেশ গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড়দের মন্তব্য এবং তা নিয়ে হওয়া গণমাধ্যমের প্রতিবেদনও আমরা স্বীকার করছি।’
বিডব্লিউএফ জানায়, মৌসুমি কারণে ভেন্যুর ভেতরের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়েছে। তারা বলেছে, ‘এ সপ্তাহে কুয়াশা ও ঠান্ডাজনিত আবহাওয়ার কারণে ভেন্যুর ভেতরে বাতাসের মান ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে আমাদের মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইন্দিরা গান্ধী স্পোর্টস কমপ্লেক্স আগের কেডি যাদব স্টেডিয়ামের তুলনায় অবকাঠামোগতভাবে অনেক উন্নত।’
পশু নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা নিয়েও উদ্বেগের কথা স্বীকার করে সংস্থাটি জানায়, সাধারণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধি এবং পশু নিয়ন্ত্রণসহ কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি মনোযোগ প্রয়োজন ছিল। তবে এসব বিষয় সমাধানে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন সংস্থা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে।
লো কিন ইউ ম্যাচে বাধা নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও দূষণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘সবার স্ট্যামিনা যেন হঠাৎ দুই ধাপ কমে গেছে। আবহাওয়া ভালো নয়। আমার শারীরিক অবস্থাও বেশ খারাপ হয়ে গেছে। ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছি না। সুযোগ পেলেই মাস্ক পরি, যতটা সম্ভব ঘরের ভেতরে থাকি—এর বেশি কিছু করার নেই।’
খেলা বন্ধ হওয়ার সময় দর্শক ও ধারাভাষ্যকারেরাও প্রথমে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। চেয়ার আম্পায়ার হঠাৎ খেলা বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে কর্মকর্তারা টিস্যু ও ওয়াইপ দিয়ে কোর্ট পরিষ্কার করেন। দ্বিতীয়বার খেলা বন্ধের সময় লো কিন ইউ কোর্টে কী পড়েছে দেখে বিরক্তি প্রকাশ করেন।
ম্যাচটি গ্যালারি থেকে দেখা সাবেক ভারতীয় কোচ বিমল কুমার বলেন, ‘এটা পাখির বিষ্ঠা ছিল কি না আমি নিশ্চিত নই। মাত্র ৩০-৪০ সেকেন্ডের জন্য খেলা থেমেছিল। ওই সময়েই তারা মেঝে মুছে নেয়। এটাকে খুব বড় কোনো বিষয় বলেও মনে হয়নি।’ তবে ভেন্যু ব্যবস্থাপনা নিয়ে কঠোর মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘চীন ছাড়া বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ টুর্নামেন্ট ভেন্যুই ভয়াবহভাবে অবহেলিত।’
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টে চলমান অভিযোগের তালিকা আরও দীর্ঘ হলো। মঙ্গলবার ডেনমার্কের মিয়া ব্লিশফেল্ট ভেন্যুর স্বাস্থ্যগত পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একই দিন ডেনমার্কের আন্দেরস আন্টনসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘চরম দূষণ’-এর কথা উল্লেখ করে টানা তৃতীয়বারের মতো ইন্ডিয়া ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করেন।
এর আগের দিন বুধবার, গ্যালারিতে একটি বানর দেখা যাওয়ায় আয়োজকেরা আরও বিব্রত হন। একের পর এক ঘটনায় ইন্ডিয়া ওপেনের আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।

ভারতের বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি কুকুরের মতো ‘ঘেউ ঘেউ’ শব্দ করে প্রতিবাদ করেছেন। কারণ তাঁর রেশন কার্ডে নিজের নামের শেষ পদবি ‘দত্ত’ পরিবর্তন হয়ে ‘কুত্তা’ হয়ে গেছে। পেশায় শিক্ষক শ্রীকান্তি কুমার দত্ত নামের ওই ব্যক্তির কুকুরের...
২৪ নভেম্বর ২০২২
চীনা নববর্ষের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সাধারণ আহ্বান মুহূর্তেই রূপ নিয়েছিল বিশাল জনসমাগম ও গ্রামীণ উৎসবে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিংয়ের হেচুয়ান অঞ্চলের চিংফু গ্রামে। ২০ বছর বয়সী এক তরুণী দাইদাই চীনা টিকটকে সহায়তার আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁর বাবা বয়সের কারণে...
১ দিন আগে
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত নতুন করে উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সারান্ডা বনাঞ্চলে একটি দাঁতাল হাতির হামলায় মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
৮ দিন আগে
বলকান অঞ্চলের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচিত বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আলোচিত। এর আগে তিনি, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং চীনের উত্থানের মতো ঘটনাও তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।
৮ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত নতুন করে উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সারান্ডা বনাঞ্চলে একটি দাঁতাল হাতির হামলায় মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
বন বিভাগ বলছে, প্রাপ্তবয়স্ক ওই পুরুষ হাতিটি সাত দিনের মধ্যে অন্তত এক ডজন হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিম সিংভূম জেলার বিভিন্ন এলাকায় দুই দিনে ১৩ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে আলাদা আলাদা ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যও রয়েছেন।
চাইবাসা বিভাগের বন কর্মকর্তা আদিত্য নারায়ণ জানান, হাতিটি কয়েক দিন ধরে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক আচরণ করছে এবং দ্রুত স্থান পরিবর্তন করায় তাকে শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘হাতিটিকে এখন পুরোপুরি বেপরোয়া হিসেবে ধরা হচ্ছে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব তাকে চেতনানাশক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, সে মাস্ট অবস্থায় রয়েছে, যা তার অতিরিক্ত আগ্রাসনের কারণ।’ মাস্ট হলো পুরুষ হাতির এমন একটি পর্যায়, যখন প্রজনন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় তারা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বন বিভাগ প্রায় ৮০ জন সদস্য মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হয়েছে, যাতে হাতিটিকে নিরাপদভাবে গভীর জঙ্গলের দিকে ফেরানো যায়। তবে এখনো পর্যন্ত এটির গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সন্ধ্যার পর কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি। প্রশাসন বনসংলগ্ন এলাকায় যাতায়াত এড়িয়ে চলতে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে অনুরোধ জানিয়েছে।
আঞ্চলিক প্রধান বন সংরক্ষক স্মিতা পঙ্কজ জানিয়েছেন, হাতিটির হামলার ধরনে একটি নির্দিষ্ট ছক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘হাতিটি মূলত রাতের বেলায় হিংস্র হয়ে ওঠে—ঘরবাড়ি ও গ্রামবাসীর ওপর হামলা চালায়। সে খুব দ্রুত চলাচল করে এবং বারবার অবস্থান বদলে আমাদের দলকে ফাঁকি দেয়। কিন্তু দিনের বেলায় সে গভীর জঙ্গলে লুকিয়ে থাকে, প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায়।’
ঝাড়খণ্ডে গত ২৩ বছরে হাতির আক্রমণে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ভারতের ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউটের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। চলমান সংকটের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। হাতিটির অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে ওই অঞ্চলে ছয় জোড়া ট্রেন বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ভারতের পরিবেশ মন্ত্রণালয় সংসদে জানিয়েছিল, ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ সময়কালে সারা দেশে ট্রেনের ধাক্কায় প্রায় ৮০টি বন্য হাতির মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ গত ডিসেম্বর মাসে আসামের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় আটটি দাঁতাল হাতির মৃত্যু হয়। এসব ঘটনাই ভারতে মানুষ ও হাতির সংঘাত ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে ওঠার চিত্র তুলে ধরছে।

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত নতুন করে উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সারান্ডা বনাঞ্চলে একটি দাঁতাল হাতির হামলায় মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
বন বিভাগ বলছে, প্রাপ্তবয়স্ক ওই পুরুষ হাতিটি সাত দিনের মধ্যে অন্তত এক ডজন হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিম সিংভূম জেলার বিভিন্ন এলাকায় দুই দিনে ১৩ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে আলাদা আলাদা ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যও রয়েছেন।
চাইবাসা বিভাগের বন কর্মকর্তা আদিত্য নারায়ণ জানান, হাতিটি কয়েক দিন ধরে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক আচরণ করছে এবং দ্রুত স্থান পরিবর্তন করায় তাকে শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘হাতিটিকে এখন পুরোপুরি বেপরোয়া হিসেবে ধরা হচ্ছে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব তাকে চেতনানাশক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, সে মাস্ট অবস্থায় রয়েছে, যা তার অতিরিক্ত আগ্রাসনের কারণ।’ মাস্ট হলো পুরুষ হাতির এমন একটি পর্যায়, যখন প্রজনন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় তারা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে বন বিভাগ প্রায় ৮০ জন সদস্য মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হয়েছে, যাতে হাতিটিকে নিরাপদভাবে গভীর জঙ্গলের দিকে ফেরানো যায়। তবে এখনো পর্যন্ত এটির গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সন্ধ্যার পর কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি। প্রশাসন বনসংলগ্ন এলাকায় যাতায়াত এড়িয়ে চলতে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে অনুরোধ জানিয়েছে।
আঞ্চলিক প্রধান বন সংরক্ষক স্মিতা পঙ্কজ জানিয়েছেন, হাতিটির হামলার ধরনে একটি নির্দিষ্ট ছক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘হাতিটি মূলত রাতের বেলায় হিংস্র হয়ে ওঠে—ঘরবাড়ি ও গ্রামবাসীর ওপর হামলা চালায়। সে খুব দ্রুত চলাচল করে এবং বারবার অবস্থান বদলে আমাদের দলকে ফাঁকি দেয়। কিন্তু দিনের বেলায় সে গভীর জঙ্গলে লুকিয়ে থাকে, প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায়।’
ঝাড়খণ্ডে গত ২৩ বছরে হাতির আক্রমণে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ভারতের ওয়াইল্ডলাইফ ইনস্টিটিউটের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে। চলমান সংকটের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। হাতিটির অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে ওই অঞ্চলে ছয় জোড়া ট্রেন বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ভারতের পরিবেশ মন্ত্রণালয় সংসদে জানিয়েছিল, ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ সময়কালে সারা দেশে ট্রেনের ধাক্কায় প্রায় ৮০টি বন্য হাতির মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ গত ডিসেম্বর মাসে আসামের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় আটটি দাঁতাল হাতির মৃত্যু হয়। এসব ঘটনাই ভারতে মানুষ ও হাতির সংঘাত ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে ওঠার চিত্র তুলে ধরছে।

ভারতের বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি কুকুরের মতো ‘ঘেউ ঘেউ’ শব্দ করে প্রতিবাদ করেছেন। কারণ তাঁর রেশন কার্ডে নিজের নামের শেষ পদবি ‘দত্ত’ পরিবর্তন হয়ে ‘কুত্তা’ হয়ে গেছে। পেশায় শিক্ষক শ্রীকান্তি কুমার দত্ত নামের ওই ব্যক্তির কুকুরের...
২৪ নভেম্বর ২০২২
চীনা নববর্ষের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সাধারণ আহ্বান মুহূর্তেই রূপ নিয়েছিল বিশাল জনসমাগম ও গ্রামীণ উৎসবে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিংয়ের হেচুয়ান অঞ্চলের চিংফু গ্রামে। ২০ বছর বয়সী এক তরুণী দাইদাই চীনা টিকটকে সহায়তার আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁর বাবা বয়সের কারণে...
১ দিন আগে
নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলমান ইন্ডিয়া ওপেন সুপার-৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অস্বাভাবিক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরুষদের এককের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতের এইচএস প্রণয় ও সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউয়ের ম্যাচে কোর্টে পাখির বিষ্ঠা পড়ায় দুবার খেলা বন্ধ রাখতে
১ দিন আগে
বলকান অঞ্চলের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচিত বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আলোচিত। এর আগে তিনি, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং চীনের উত্থানের মতো ঘটনাও তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।
৮ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বলকান অঞ্চলের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচিত বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আলোচিত। এর আগে তিনি, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং চীনের উত্থানের মতো ঘটনাও তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বলে দাবি করা হয়। ১৯৯৬ সালে ৮৫ বছর বয়সে বাবা ভাঙ্গার মৃত্যু হলেও তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে আগ্রহ এখনো কমেনি।
সম্প্রতি নিউইয়র্ক পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাবা ভাঙ্গা ২০২৬ সালে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা এবং মানবজাতির প্রথমবারের মতো ভিনগ্রহের প্রাণের সঙ্গে যোগাযোগের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। বাবা ভাঙ্গার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘মানবজাতি ভিনগ্রহের জীবনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করবে, যা বৈশ্বিক সংকট কিংবা প্রলয়ের দিকেও নিয়ে যেতে পারে।’
এই বক্তব্যের সঙ্গে সাম্প্রতিক একটি রহস্যময় মহাজাগতিক বস্তু—৩ আই/অ্যাটলাস—এর নাম জুড়ে দিচ্ছেন কিছু ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসীরা। বস্তুটি গত মাসে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছায় বলে জানা গেছে।
বিশ্বজুড়ে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বাবা ভাঙ্গার তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ-সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণী নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের অব্যাহত সামরিক চাপ এবং রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েনের বিষয়টি সামনে এনে অনেকে দাবি করছেন, তাঁর এই পূর্বাভাস বাস্তবে রূপ নিতে পারে।
তবে বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলেও তা মানবজাতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করবে না। তাঁর আগের ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হয়েছিল—মানবসভ্যতার পতনের সূচনা হয় গত বছর থেকে আর পৃথিবীর চূড়ান্ত অবসান ঘটবে ৫০৭৯ সালে। ২০২৫ সাল নিয়ে করা তাঁর পূর্বাভাসেও ছিল ভয়াবহ ভূমিকম্প, ইউরোপে যুদ্ধ, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং মানবজাতির পতনের শুরুর ইঙ্গিত।
বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণীর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও আলোচনায় এসেছে ফরাসি জ্যোতিষী ও চিকিৎসক নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী। ষোড়শ শতকে বসবাসকারী নস্ত্রাদামুস আধুনিক যুগের নানা বড় ঘটনার, যেমন অ্যাডলফ হিটলারের উত্থান, ৯/১১ হামলা ও কোভিড-১৯ মহামারি—পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে অনেকে বিশ্বাস করেন।
নস্ত্রাদামুসের অস্পষ্ট লেখার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, চলতি বছরে কোনো প্রভাবশালী পুরুষ ব্যক্তির হত্যাকাণ্ড কিংবা একটি রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ঘটতে পারে, যা একটি শাসনব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দেবে। তাঁর আরেকটি ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হয়েছে, এ বছর সাত মাসব্যাপী এক ভয়াবহ যুদ্ধের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বলকান অঞ্চলের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচিত বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আলোচিত। এর আগে তিনি, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং চীনের উত্থানের মতো ঘটনাও তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বলে দাবি করা হয়। ১৯৯৬ সালে ৮৫ বছর বয়সে বাবা ভাঙ্গার মৃত্যু হলেও তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে আগ্রহ এখনো কমেনি।
সম্প্রতি নিউইয়র্ক পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাবা ভাঙ্গা ২০২৬ সালে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা এবং মানবজাতির প্রথমবারের মতো ভিনগ্রহের প্রাণের সঙ্গে যোগাযোগের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। বাবা ভাঙ্গার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘মানবজাতি ভিনগ্রহের জীবনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করবে, যা বৈশ্বিক সংকট কিংবা প্রলয়ের দিকেও নিয়ে যেতে পারে।’
এই বক্তব্যের সঙ্গে সাম্প্রতিক একটি রহস্যময় মহাজাগতিক বস্তু—৩ আই/অ্যাটলাস—এর নাম জুড়ে দিচ্ছেন কিছু ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসীরা। বস্তুটি গত মাসে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছায় বলে জানা গেছে।
বিশ্বজুড়ে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বাবা ভাঙ্গার তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ-সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণী নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের অব্যাহত সামরিক চাপ এবং রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েনের বিষয়টি সামনে এনে অনেকে দাবি করছেন, তাঁর এই পূর্বাভাস বাস্তবে রূপ নিতে পারে।
তবে বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলেও তা মানবজাতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করবে না। তাঁর আগের ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হয়েছিল—মানবসভ্যতার পতনের সূচনা হয় গত বছর থেকে আর পৃথিবীর চূড়ান্ত অবসান ঘটবে ৫০৭৯ সালে। ২০২৫ সাল নিয়ে করা তাঁর পূর্বাভাসেও ছিল ভয়াবহ ভূমিকম্প, ইউরোপে যুদ্ধ, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং মানবজাতির পতনের শুরুর ইঙ্গিত।
বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণীর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও আলোচনায় এসেছে ফরাসি জ্যোতিষী ও চিকিৎসক নস্ত্রাদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী। ষোড়শ শতকে বসবাসকারী নস্ত্রাদামুস আধুনিক যুগের নানা বড় ঘটনার, যেমন অ্যাডলফ হিটলারের উত্থান, ৯/১১ হামলা ও কোভিড-১৯ মহামারি—পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে অনেকে বিশ্বাস করেন।
নস্ত্রাদামুসের অস্পষ্ট লেখার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, চলতি বছরে কোনো প্রভাবশালী পুরুষ ব্যক্তির হত্যাকাণ্ড কিংবা একটি রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ঘটতে পারে, যা একটি শাসনব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দেবে। তাঁর আরেকটি ভবিষ্যদ্বাণীতে বলা হয়েছে, এ বছর সাত মাসব্যাপী এক ভয়াবহ যুদ্ধের সম্ভাবনাও রয়েছে।

ভারতের বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি কুকুরের মতো ‘ঘেউ ঘেউ’ শব্দ করে প্রতিবাদ করেছেন। কারণ তাঁর রেশন কার্ডে নিজের নামের শেষ পদবি ‘দত্ত’ পরিবর্তন হয়ে ‘কুত্তা’ হয়ে গেছে। পেশায় শিক্ষক শ্রীকান্তি কুমার দত্ত নামের ওই ব্যক্তির কুকুরের...
২৪ নভেম্বর ২০২২
চীনা নববর্ষের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সাধারণ আহ্বান মুহূর্তেই রূপ নিয়েছিল বিশাল জনসমাগম ও গ্রামীণ উৎসবে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিংয়ের হেচুয়ান অঞ্চলের চিংফু গ্রামে। ২০ বছর বয়সী এক তরুণী দাইদাই চীনা টিকটকে সহায়তার আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁর বাবা বয়সের কারণে...
১ দিন আগে
নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলমান ইন্ডিয়া ওপেন সুপার-৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অস্বাভাবিক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরুষদের এককের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতের এইচএস প্রণয় ও সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউয়ের ম্যাচে কোর্টে পাখির বিষ্ঠা পড়ায় দুবার খেলা বন্ধ রাখতে
১ দিন আগে
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত নতুন করে উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সারান্ডা বনাঞ্চলে একটি দাঁতাল হাতির হামলায় মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
৮ দিন আগে