নিজস্ব প্রতিবেদক

সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের পাতা ফাঁদ থেকে উদ্ধার করা অসুস্থ বাঘটিকে খুলনা বন্য প্রাণী পুনর্বাসনকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আজ সোমবার বাঘটি একটু হাঁটাচলা করেছে। খাবার না খেলেও বেশ কয়েকবার পানি খেয়েছে। এদিকে সুন্দরবনে যে এলাকা থেকে বাঘটি উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে আজ তল্লাশি চালিয়ে আটটি ছিটকা ফাঁদ পেয়েছেন বনকর্মীরা।
গতকাল রোববার দুপুরে ফাঁদে আটকা পড়া বাঘটিকে ‘ট্রানকুইলাইজার গান’ দিয়ে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে উদ্ধার করা হয়। পরে বাঘটি খাঁচায় বন্দী করে খুলনা বন্য প্রাণী পুনর্বাসনকেন্দ্রে আনা হয়।
সুন্দরবন বন বিভাগ সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া নারী বাঘটি পূর্ণবয়স্ক। বাঘের সামনের বাম পা ফাঁদে আটকে ছিল। ফলে পায়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। চার-পাঁচ দিন ধরে বাঘটি ফাঁদে আটকে ছিল বলে ধারণা বন বিভাগের বিশেষজ্ঞ টিমের।
মূলত গত শনিবার দুপুরের পর বন বিভাগের কাছে খবর আসে, মোংলার শরকির খাল দিয়ে আধা কিলোমিটার ভেতরে হরিণ শিকারের ফাঁদে একটি বাঘ আটকা পড়েছে। এর পর থেকে বাঘটি উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে তারা। বাঘটি উদ্ধারের জন্য গতকাল দুপুরে ঢাকা থেকে ভেটেনারি সার্জনসহ বিশেষজ্ঞ দল আসে। এ ছাড়া উদ্ধারকাজে সুন্দরবনে যান খুলনা থেকে বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা। উদ্ধারের পর ক্ষুধার্ত ও দুর্বল বাঘটিকে চিকিৎসার জন্য খুলনা বন্য প্রাণী পুনর্বাসনকেন্দ্রে আনা হয়।
জানতে চাইলে বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নির্মল কুমার পাল বলেন, উদ্ধারের পর বাঘটিকে স্যালাইন ও এটির পায়ের ক্ষতস্থানে ওষুধ লাগানো হচ্ছে। আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত বাঘটি খাবার না খেলেও বেশ কয়েকবার পানি খেয়েছে। এ ছাড়া সে আজ একটু হাঁটাচলাও করেছে। পুরোপুরি সুস্থ হতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ বলেন, বাঘটির সুস্থতার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতিটি বাঘের নিজস্ব টেরিটরি রয়েছে। অন্য এলাকায় ছেড়ে দিলে সংঘাতের আশঙ্কা থাকে। তাই সুস্থ হলে যেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানেই অবমুক্ত করার চেষ্টা থাকবে।
ইমরান আহমেদ আরও বলেন, বাঘ উদ্ধার অভিযানটি বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। ঘন বনের মধ্যে বাঘটি গর্জন করছিল। এ ছাড়া উৎসুক মানুষের চাপ ছিল বড় সমস্যা। শুকনো মৌসুমে খাল শুকিয়ে যাওয়ায় বহু মানুষ পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং ভিডিও ধারণে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বাঘটিকে দেখার জন্য জনতা মারমুখী হয়ে ওঠে।
সুন্দরবনে আরও ফাঁদ উদ্ধার
সুন্দরবনের শরকির খালের অদূরে বাঘটির আটকে পড়া এলাকা থেকে আরও ছিটকা ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ দিনব্যাপী ওই এলাকায় তল্লাশি করে অন্তত আটটি ছিটকা ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। বাঘ রক্ষায় অধিকতর সতর্ক থাকার অংশ হিসেবে বন বিভাগ এই তল্লাশি কার্যক্রম চালিয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস বলেন, ‘সুন্দরবনের বৈদ্যমারী এলাকায় হরিণের ফাঁদে আটকে পড়া বাঘটিকে আমরা খুবই সতর্কতার সঙ্গে উদ্ধার করেছি। অসাধু মানুষেরা ওই এলাকায় আরও ফাঁদ পেতে রাখতে পারে, সে ধারণা থেকে আজ দিনব্যাপী ওই এলাকায় তল্লাশি করা হয়েছে। সেখানে আটটি ফাঁদ পেয়েছি।’ এ ছাড়া পুরো এলাকা নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের পাতা ফাঁদ থেকে উদ্ধার করা অসুস্থ বাঘটিকে খুলনা বন্য প্রাণী পুনর্বাসনকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আজ সোমবার বাঘটি একটু হাঁটাচলা করেছে। খাবার না খেলেও বেশ কয়েকবার পানি খেয়েছে। এদিকে সুন্দরবনে যে এলাকা থেকে বাঘটি উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে আজ তল্লাশি চালিয়ে আটটি ছিটকা ফাঁদ পেয়েছেন বনকর্মীরা।
গতকাল রোববার দুপুরে ফাঁদে আটকা পড়া বাঘটিকে ‘ট্রানকুইলাইজার গান’ দিয়ে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে উদ্ধার করা হয়। পরে বাঘটি খাঁচায় বন্দী করে খুলনা বন্য প্রাণী পুনর্বাসনকেন্দ্রে আনা হয়।
সুন্দরবন বন বিভাগ সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া নারী বাঘটি পূর্ণবয়স্ক। বাঘের সামনের বাম পা ফাঁদে আটকে ছিল। ফলে পায়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। চার-পাঁচ দিন ধরে বাঘটি ফাঁদে আটকে ছিল বলে ধারণা বন বিভাগের বিশেষজ্ঞ টিমের।
মূলত গত শনিবার দুপুরের পর বন বিভাগের কাছে খবর আসে, মোংলার শরকির খাল দিয়ে আধা কিলোমিটার ভেতরে হরিণ শিকারের ফাঁদে একটি বাঘ আটকা পড়েছে। এর পর থেকে বাঘটি উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে তারা। বাঘটি উদ্ধারের জন্য গতকাল দুপুরে ঢাকা থেকে ভেটেনারি সার্জনসহ বিশেষজ্ঞ দল আসে। এ ছাড়া উদ্ধারকাজে সুন্দরবনে যান খুলনা থেকে বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা। উদ্ধারের পর ক্ষুধার্ত ও দুর্বল বাঘটিকে চিকিৎসার জন্য খুলনা বন্য প্রাণী পুনর্বাসনকেন্দ্রে আনা হয়।
জানতে চাইলে বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ খুলনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নির্মল কুমার পাল বলেন, উদ্ধারের পর বাঘটিকে স্যালাইন ও এটির পায়ের ক্ষতস্থানে ওষুধ লাগানো হচ্ছে। আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত বাঘটি খাবার না খেলেও বেশ কয়েকবার পানি খেয়েছে। এ ছাড়া সে আজ একটু হাঁটাচলাও করেছে। পুরোপুরি সুস্থ হতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে।
খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ বলেন, বাঘটির সুস্থতার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতিটি বাঘের নিজস্ব টেরিটরি রয়েছে। অন্য এলাকায় ছেড়ে দিলে সংঘাতের আশঙ্কা থাকে। তাই সুস্থ হলে যেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানেই অবমুক্ত করার চেষ্টা থাকবে।
ইমরান আহমেদ আরও বলেন, বাঘ উদ্ধার অভিযানটি বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। ঘন বনের মধ্যে বাঘটি গর্জন করছিল। এ ছাড়া উৎসুক মানুষের চাপ ছিল বড় সমস্যা। শুকনো মৌসুমে খাল শুকিয়ে যাওয়ায় বহু মানুষ পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং ভিডিও ধারণে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বাঘটিকে দেখার জন্য জনতা মারমুখী হয়ে ওঠে।
সুন্দরবনে আরও ফাঁদ উদ্ধার
সুন্দরবনের শরকির খালের অদূরে বাঘটির আটকে পড়া এলাকা থেকে আরও ছিটকা ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ দিনব্যাপী ওই এলাকায় তল্লাশি করে অন্তত আটটি ছিটকা ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। বাঘ রক্ষায় অধিকতর সতর্ক থাকার অংশ হিসেবে বন বিভাগ এই তল্লাশি কার্যক্রম চালিয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস বলেন, ‘সুন্দরবনের বৈদ্যমারী এলাকায় হরিণের ফাঁদে আটকে পড়া বাঘটিকে আমরা খুবই সতর্কতার সঙ্গে উদ্ধার করেছি। অসাধু মানুষেরা ওই এলাকায় আরও ফাঁদ পেতে রাখতে পারে, সে ধারণা থেকে আজ দিনব্যাপী ওই এলাকায় তল্লাশি করা হয়েছে। সেখানে আটটি ফাঁদ পেয়েছি।’ এ ছাড়া পুরো এলাকা নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশকারী দুই বাংলাদেশিকে গরু চোরাকারবারি সন্দেহে আটক করেছে ভারতীয় পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার ভোরে নারায়ণপুর ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের চারজন রাখাল সীমান্ত পেরোলে বিএসএফ ও ভারতীয় পুলিশের ধাওয়ার মুখে পড়েন। এ সময় দুজনকে আটক করে ভারতের জঙ্গিপুর থানা-পুলিশ।
১২ মিনিট আগে
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটকের পর মারা যাওয়া রবিউল ইসলামের (৩৫) শরীরে ছয়টি স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্তের পর এসব কথা জানিয়েছেন চিকিৎসক শামসুল আলম।
৪০ মিনিট আগে
উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) জেলার তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। হিমালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি হিম বাতাস শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
সেতুর মুখে সড়কের মাটি সরে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই সেতু পার হচ্ছে শত শত যানবাহন ও পথচারী।
২ ঘণ্টা আগে