
ঈদের বাকি আর ছয় থেকে সাত দিন। উৎসবের জন্য সদায়-পাতি কেনা শুরু করেছেন মানুষ। এর কিছুটা আঁচ পড়েছে বাজারে। সরু চালের সঙ্গে গরু ও মুরগির মাংস এবং ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা বাড়তির দিকে। তবে চিনি, সেমাই ও মসলার দাম আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে।

জ্বালানি তেল, গ্যাস বা ভোজ্যতেল—কোনোটিতেই সংকট নেই, তাই দাম বাড়ারও সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ সোমবার ভোজ্যতেলের সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি শুরু করবে রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে বাজারমূল্যের তুলনায় কম দামে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, ডাল ও খেজুর বিক্রি করা হবে।

রমজান মাস সামনে রেখে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ১০ হাজার টন ভোজ্যতেল ও ১০ হাজার টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত ও রাশিয়া থেকে ৭৫ হাজার টন সার এবং সিঙ্গাপুর থেকে পাঁচ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।