
অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে বাজার থেকে ভোজ্যতেল উধাও। এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। আজ বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ক্যাবের মানববন্ধনে পাঁচটি দাবি তুলে ধরে জানানো হয়, সরকার নির্ধারিত দামে খোলা সয়াবিন তেলের মূল্য ১৮৫ টাকা এবং বোতলজাত তেলের মূল্য ১৯৫ টাকা হলেও বাস্তবে বাজারে বোতলজাত তেল ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়া হচ্ছে। একইভাবে খোলা পাম তেলও নির্ধারিত ১৬২ টাকার পরিবর্তে ১৬৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব তথ্য প্রমাণ করে যে বাজারে কার্যকর তদারকির অভাব রয়েছে এবং অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।
ক্যাব জানায়, ভোজ্যতেল নিয়ে কারসাজি শুধু বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি নয়, বরং ভোক্তার মৌলিক অধিকার—ন্যায্যমূল্যে পণ্য প্রাপ্তি ও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে পণ্যের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা একটি সংগঠিত প্রতারণা, যা অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন।
মানববন্ধনে ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি ও মূল্য নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার কার্যকর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। বাজারে কঠোর নজরদারির অভাব এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলে এই সিন্ডিকেট আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
এ সময় তিনি ক্যাবের পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। ক্যাবের দাবিগুলো হলো—সরকার নির্ধারিত দামে ভোজ্যতেল বিক্রি অবিলম্বে নিশ্চিত করা, সয়াবিন তেলের বাজারে সক্রিয় সিন্ডিকেট চক্র চিহ্নিত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, বাজারে নিয়মিত ও কার্যকর তদারকি ও অভিযান পরিচালনা, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নন-ফুড গ্রেড ড্রামে তেল সংরক্ষণ ও বিক্রি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ভোজ্যতেলের সরবরাহ ও বিপণন পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শনে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও শান্তিনগর কাঁচাবাজারে যান। এ সময় তিনি বাজারের ভোজ্যতেলের ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ ও বিপণন পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। উপস্থিত ক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন মন্ত্রী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, তাঁরা চাহিদা দিয়ে তেলের সরবরাহ কম পাচ্ছেন। বাজারে পাঁচ লিটারের সরবরাহ একেবারে কম। এ ছাড়া খোলা সয়াবিন তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে।
এ সময় ক্রেতারা জানান, বোতল সয়াবিন বাজারে কম, তবে দাম বাড়েনি। আর খুচরা বিক্রেতারা জানান, বিভিন্ন তেল কোম্পানির ডিলার তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কিনতে বাধ্য করছেন।
ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়, দুটি ব্র্যান্ডের তেলের সরবরাহ কিছুটা কম থাকলেও বেশির ভাগ ব্র্যান্ডের বোতল সয়াবিন তেলের সরবরাহ ছিল প্রায় স্বাভাবিক।
এ সময় কয়েকটি দোকানে নতুন ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেলের বোতলও বিক্রি করতে দেখা যায়। বাণিজ্যমন্ত্রী ক্রেতা ও বিক্রেতাদের দ্রুতই সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নত হবে বলে আশ্বাস দেন।

গতি হারিয়েছে দেশের অর্থনীতির বড় চার খাতের দুই খাত উৎপাদন ও নির্মাণ শিল্প। সর্বশেষ মার্চ মাসের অর্থনীতির হিসাব বলছে, এই দুই খাতের পাশাপাশি কৃষি খাতের গতিও কম। একমাত্র সেবা খাত ছাড়া বাকি তিনটি খাতই নিম্নগামী অবস্থানে।
১ ঘণ্টা আগে
গত সোমবার সোনার দাম কমেছিল ২ হাজার ১৫৮ টাকা। দুদিন পরই আজ বুধবার সোনার দাম বাড়ল ৬ হাজার ৬৭০ টাকা। অন্যদিকে বেড়েছে রুপার দামও। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিশ্ববাজারেও এই মূল্যবান ধাতু দুটির দাম বেড়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির খবরে আর্থিক ও জ্বালানির বাজারে খানিকটা সুবাতাস বয়ে গেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেলের দাম অনেক কমেছে, বন্ডের দাম বেড়েছে এবং শেয়ার বাজারে বড় ধরনের উত্থান হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে অপরিশোধিত তেল (ক্রুড) না আসায় একমাত্র রাষ্ট্রীয় পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) জ্বালানি তেল উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। পরিশোধনের মতো সেখানে কোনো তেল আর অবশিষ্ট নেই। রিফাইনারি সূত্র জানিয়েছে, শুধু মেশিন ওয়ার্মআপে রাখা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে