
ঈদের বাকি আর ছয় থেকে সাত দিন। উৎসবের জন্য সদায়-পাতি কেনা শুরু করেছেন মানুষ। এর কিছুটা আঁচ পড়েছে বাজারে। সরু চালের সঙ্গে গরু ও মুরগির মাংস এবং ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা বাড়তির দিকে। তবে চিনি, সেমাই ও মসলার দাম আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। রাজধানীর খিলগাঁও, সেগুনবাগিচা, মুগদা, মানিকনগরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
বাজার ঘুরে জানা যায়, রোজায় সাধারণত ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, মাংসের চাহিদা অনেকটা বাড়ে। রোজার শেষ দিকে ঈদ সামনে রেখে এসব পণ্যের চাহিদা আরও এক দফা বেড়ে যায়। এর সঙ্গে সরু চাল, পেঁয়াজ, রসুন, বিভিন্ন ধরনের মসলা ও সেমাইয়ের চাহিদা বাড়ে।
দুপুরে খিলগাঁও তালতলা কিচেন মার্কেট ও সেগুনবাগিচা বাজারে গিয়ে দেখা যায় খোলা সয়াবিন ও পাম তেল পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকলেও সংকট রয়েছে বোতলজাত তেলের। বিশেষ করে পাঁচ লিটারের তেলের বোতল বাজারে কম পাওয়া যাচ্ছে। বোতলজাত তেলের সরবরাহ কম থাকায় বাড়তি চাপ পড়েছে খোলা তেলের ওপর। এতে গত এক সপ্তাহে দাম কেজিপ্রতি ৪-৫ টাকা বেড়েছে। তবে খোলা তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।
সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারের মুদিদোকানি সিফাত বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার ডিলার প্রতিনিধিরা জানিয়েছিলেন, আজকে তেলের সরবরাহ দেবেন; কিন্তু আজ সারা দিনেও আসেননি। কাল আসবে কি না তারও নিশ্চয়তা নেই। তেল না থাকলে অন্যান্য পণ্য বিক্রি করা কষ্টকর হয়।
বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০-২০২ টাকা কেজি (১৮০ টাকা লিটার)। খোলা সয়াবিনের দাম আগের সপ্তাহেও বেড়েছিল ৪-৫ টাকা। অর্থাৎ দুই সপ্তাহে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে ৮-১০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে এই তেল পাওয়া যেত ১৯২ টাকা কেজির দরে। একই অবস্থা খোলা পাম তেলের বাজারেও। গত এক সপ্তাহে লিটারপ্রতি ৪-৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা কেজি দরে।
ঈদের অন্যতম চাহিদার পণ্য চিনিগুঁড়া চাল। বাজারে গত এক থেকে দেড় সপ্তাহে চিনিগুঁড়া চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১৫-২০ টাকা। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত চিনিগুঁড়া চাল বিক্রি হচ্ছে ১৫৫-১৭৫ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ১৩৫-১৫৫ টাকা কেজি। এ ছাড়া খোলা চাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৪০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ১১০-১৩০ টাকা কেজি।
রাজধানীর মানিকনগর বাজারের চাল বিক্রেতা মরিয়ম স্টোরের মালিক মো. ইউসুফ বলেন, এক সপ্তাহ ধরে পোলাওয়ের চালের চাহিদা বাড়ছে। সে সঙ্গে দামটাও কিছুটা বেশি।
রাজধানীর কিছু কিছু জায়গায় গরুর মাংসের দাম কেজিপ্রতি ৫০ টাকা বেড়ে গেছে। যদিও অধিকাংশ বাজারে এখনো আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মুগদা বাজারে মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজি। তবে সেগুনবাগিচা ও শান্তিনগর, খিলগাঁওসহ কিছু কিছু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৮৫০ টাকা কেজিতে, যা গত সপ্তাহ পর্যন্ত ৮০০ টাকার মধ্যেই ছিল।
মুগদা বাজারের সালাম মাংস বিতানের মালিক আব্দুস সালাম বলেন, ‘অনেকে মাংসের দাম বাড়িয়েছে। আমরা এখনো সাড়ে সাত শ টাকার মধ্যেই রেখেছি। তবে খুব বেশি দিন পারা যাবে না।’
বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকা কেজি, যা এক থেকে দেড় সপ্তাহ আগে ছিল ১৮৫ টাকা কেজি ছিল। এ ছাড়া সোনালি জাতের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি, যা ছিল ৩২০ টাকা কেজি।
বাজারে সেমাই-চিনির দাম আগের মতোই রয়েছে। যদিও বিক্রেতারা বলছেন, এসব পণ্যের বিক্রিতে বাড়তি খুব একটা চাপ নেই। চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি।
এ ছাড়া স্থির রয়েছে পেঁয়াজ, আদা, রসুনসহ মসলাজাতীয় পণ্যের দাম। ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে ৪০ টাকা কেজির দরে। আমদানির আদা ১২০-১৩০ টাকা কেজি ও রসুন ৮০-১২০ টাকা কেজি।

অর্থনীতিতে গতি কমা, দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বাড়ার আলোচনার মধ্যেই দেশে ব্যাংকগুলোয় কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা আবারও বেড়েছে। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংক খাতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ১১ হাজারের বেশি কোটিপতি হিসাব।
২ ঘণ্টা আগে
যোগাযোগব্যবস্থাকে আরও সহজ ও যানজটমুক্ত করতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে দেশজুড়ে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর টোল প্লাজায় চালু হয়েছে স্বয়ংক্রিয় টোল আদায় ব্যবস্থা। ফলে, এখন গাড়ি ব্যবহারকারীরা টোল বুথে দীর্ঘ লাইন এড়িয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ করতে পারছেন বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকেই।
৮ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কেনাকাটার ধুম পড়েছে। পোশাক ও জুতার পাশাপাশি গৃহস্থালি ইলেকট্রনিকস পণ্য, বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ কেনার প্রতি ক্রেতাদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১০ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ খাতে নিয়োজিত রয়েছেন দেশে ৪৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ মানুষ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত ফসল পরিসংখ্যান ও কৃষি শ্রমিক মজুরি বিষয়ক ত্রৈমাসিক....
১০ ঘণ্টা আগে