
এক বিশেষ বার্তায় মার্কিন প্রশাসন ইরানে অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের কোনো সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দ্রুত দেশ ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তেহরানের দমন-পীড়নের প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকির...

গত ৩০ জানুয়ারি রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে ইরানিদের মধ্যে এক চাপা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গুজব ছড়িয়ে যায়, যেকোনো মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হামলা চালাবে। আর এই আশঙ্কা এখনো ইরানের জনগণের মধ্যে রয়ে গেছে। যদিও আলোচনার ব্যবস্থা চলছে বলে জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। সামরিক শক্তিতে সরাসরি পাল্লা দিতে না পারলেও তেহরানের সমর কৌশল হলো এমন পাল্টা আঘাত হানা, যার চরম মূল্য দিতে হবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি আব্রাহাম লিঙ্কনের উপস্থিতি এবং

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাভোসে তথাকথিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদের সনদে স্বাক্ষর করার পর এক সপ্তাহও পেরোয়নি। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য তৃতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধের বাস্তব আশঙ্কায় একেবারে উত্তপ্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।