বর্তমান সরকার কি বিদ্যুৎ খাত সংস্কারের উদ্যোগ নেবে? সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়েই-বা এই সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কী? ১৬ এপ্রিল মন্ত্রিসভা বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক প্রকল্পে বিনিয়োগ সহজীকরণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে যেসব কথাবার্তা বলা হয়েছে, তা থেকে বোঝা যায়, সরকারের লক্ষ্য বড় প্রকল্প।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নগ্ন আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, দূতাবাস এমনকি কোথাও কোথাও জ্বালানি স্থাপনায় তেহরানের ড্রোন ও মিসাইল হামলা এবং শেষে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি রুদ্ধ করে দেওয়ায় জ্বালানির আমদানিনির্ভর দেশগুলো কী ধরনের সংকটে পড়েছে, তা দেখার জন্য দূরে কোথাও যাওয়ার দরকার হয় না। ঢাকা শহরের ফুয়েল পাম্পগুলোর আশপাশে অপেক্ষমাণ যানবাহনের সারি দেখলেই সংকটের চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে যায়।
সংকট কি কেবলই বাংলাদেশের মতো জ্বালানি আমদানি করে চলা দেশগুলোর? ইরান যুদ্ধের জের ধরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ে অবিশ্বাস্য মাত্রায়। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ৮০ ডলারের আশপাশে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তা ১২০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অবশ্য দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ হওয়া সত্ত্বেও এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মার্কিন নাগরিকদের ব্যক্তিগত আর্থিক পরিস্থিতির ওপর।
যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ নাগরিক মনে করেন, এই যুদ্ধ অপ্রয়োজনীয় এবং এর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সামরিক শক্তি ব্যয় হচ্ছে, যা দেশের অন্য কাজে ব্যবহার করা যেত। অনেকেই দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়েও চিন্তিত। এসব কারণেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যে প্রায় সব শহরে ‘নো কিংস’ ব্যানারে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। এসব সমাবেশে অংশ নিয়েছেন ৯০ লাখের মতো মানুষ।
ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মহাক্ষমতাধর ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায়ও ধস নেমেছে। এ ছাড়া ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে জনমত আরও বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। গত ২৪ মার্চ প্রকাশিত রয়টার্স ও ইপসস-এর যৌথ জরিপে এমন তথ্য উঠে আসে। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, চার দিন ধরে পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতি সমর্থন দিয়েছেন ৩৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী। আগের সপ্তাহে তা ছিল ৪০ শতাংশ। জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে ট্রাম্পের ভূমিকার প্রতি সমর্থন দিয়েছেন জরিপে অংশ নেওয়া ২৫ শতাংশ মার্কিন। অথচ সবশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প জীবনযাত্রার ব্যয়কে বড় ইস্যু হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। প্রশ্ন হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে যে যুদ্ধোন্মাদনা শুরু করেছেন, তা কি কেবলই ব্যক্তি ট্রাম্পের মন-মেজাজের কারণে? নাকি অন্য কোনো কারণ আছে? আসলে এর উত্তর নিহিত আছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে। বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির প্রবল পরাক্রমশালী দেশটির দুশ্চিন্তা দিন দিনই বাড়িয়ে দিচ্ছে অর্থনীতির আকারে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসা চীন।
মাস দুয়েক আগে এক খবরে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৪ ট্রিলিয়ন ডলারে। এটি ২০২৪ সালের তুলনায় সামান্য বেশি। তবে মাত্রাতিরিক্ত শুল্ক আরোপের পর চীনের সঙ্গে পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি বছরজুড়ে কিছুটা কমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদন মতে, পণ্য ও সেবা উভয় খাত মিলিয়ে ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মোট বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ৯০১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৯০৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২১ সালে বাণিজ্য ঘাটতি ৮৫ হাজার ৯১০ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল। এই পরিমাণ ছিল আগের বছরের চেয়ে ২৭ শতাংশ বেশি।
কোভিডের বিপর্যয় কাটিয়ে দেশটির অর্থনৈতিক কার্যক্রম দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকে। ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবিলায় বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করতে হয়েছে ওয়াশিংটনকে। ফলে ২০২১ সালেই যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে। ২০২৫ সালে এই ঘাটতি আরও বেড়ে গেছে। এমনকি বাংলাদেশের সঙ্গেও বাণিজ্য ঘাটতিতে পিছিয়ে যুক্তরাষ্ট্র। এই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের ঘটনাও ঘটে। তবে পরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা কমে আসে। ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে চীনের পণ্য রপ্তানি বছর বছর বাড়ছে। জিডিপির আকারের দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ অবস্থানে থাকলেও কয়েক বছর ধরে তার প্রবৃদ্ধির হার ২ দশমিক ২ বা তার কাছাকাছি থাকছে। অন্যদিকে চীনের এই প্রবৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ৫ বা তার ওপরে। দেশটির সামরিক শক্তিও ক্রমবর্ধমান। এ অবস্থায় চীনকে সব দিক দিয়ে চাপে রাখতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। ভেনেজুয়েলা ও ইরানে মার্কিন থাবার লক্ষ্যও দেশ দুটির খনিজ সম্পদ করায়ত্ত করার পাশাপাশি চীনকেও চাপে রাখা। কারণ, চীনের তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি পাওয়ার উৎস ছিল দেশ দুটি।
বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার যে বাংলাদেশকে বাণিজ্য চুক্তির নামে যুক্তরাষ্ট্রের গোলামি চুক্তিতে শৃঙ্খলিত করে গেছে, তা নিয়ে এখন সমালোচনামুখর সেই সরকারে ছিলেন—এমন কোনো কোনো ব্যক্তিও। বাংলাদেশকে এই চুক্তিতে আবদ্ধ করানোর পেছনে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের যতটা না কাজ করেছে, তার চেয়ে বেশি ক্রিয়াশীল বৈদেশিক কেনাকাটায় চীন থেকে দূরে রাখার ভাবনা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বহু বিতর্কিত এই পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিতে রাষ্ট্রস্বার্থবিরোধী কী কী শর্ত ও উপাদান আছে, তা নিয়ে এরই মধ্যে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। যত সমালোচনাই হোক না কেন, বর্তমান সরকার এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসবে—এমন আশা না করাই ভালো। সংসদে বিরোধী দলে যারা আছে, তারাও এ বিষয়ে সোচ্চার নয়। এর কারণ না বোঝার কিছু নেই।
আলোচিত বাণিজ্য চুক্তির নাগপাশ থেকে যে আমাদের খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি মিলবে না, তা একপ্রকার নিশ্চিত। কিন্তু যে জ্বালানি সংকট আমাদের প্রতি মুহূর্তে ভোগাচ্ছে, তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার কি কোনো উপায় নেই? এ কথা ঠিক যে দীর্ঘ সময় আমরা অপচয় করেছি। কিন্তু এখনো অনেক কিছু করার আছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের অনেকটা সহায়ক হতে পারে সৌরশক্তি থেকে পাওয়া নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ। ইরানে মার্কিন আগ্রাসনের পর বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদন আলোচনার দাবি রাখে। যে পাকিস্তান গত কয়েক দশকে কোনো ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের জন্য দৃষ্টান্ত হতে পারেনি, সেই পাকিস্তান নিয়েই প্রতিবেদনগুলো। ‘তেল-গ্যাস সংকটেও পাকিস্তানকে আলো দিচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ’ শিরোনামে ১০ এপ্রিল প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে পাকিস্তানে চালু হওয়া সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গত আট বছরে দেশটির তেল-গ্যাস আমদানিতে ১২ বিলিয়ন (১ হাজার ২০০ কোটি) ডলারের বেশি সাশ্রয় করেছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরও ৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হতে পারে। এর পরদিনই অপর একটি সংবাদমাধ্যমে একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন ছাপা হয় ‘পাকিস্তান বিদ্যুৎ খাত সংস্কার করলেও পারেনি বাংলাদেশ’ শিরোনামে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সব সমস্যাই পাকিস্তানেও ছিল। তবে মাত্র দুই বছরে পাকিস্তান বিদ্যুৎ খাতের এসব সমস্যার অর্ধেকের বেশি সমাধান করে ফেলেছে। আগের সরকার তো নয়ই, অন্তর্বর্তী সরকার বিদ্যুৎ খাত সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
বর্তমান সরকার কি বিদ্যুৎ খাত সংস্কারের উদ্যোগ নেবে? সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়েই-বা এই সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কী? ১৬ এপ্রিল মন্ত্রিসভা বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক প্রকল্পে বিনিয়োগ সহজীকরণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে যেসব কথাবার্তা বলা হয়েছে তা থেকে বোঝা যায়, সরকারের লক্ষ্য বড় প্রকল্প। কিন্তু যে কাজটি সহজ অর্থাৎ বাসাবাড়ি ও সরকারি-বেসরকারি বহুতল ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল লাগিয়ে ‘নেট মিটারিং’য়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা, সেদিকে এখনো নজর নেই। অথচ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ ভারতেও বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের জন্য ১ কোটি পরিবারকে পরিবারপ্রতি এককালীন ৭৮ হাজার রুপি প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার ‘প্রধানমন্ত্রীর সূর্যোদয় যোজনা’ কর্মসূচির আওতায়।
অন্যদিকে আমাদের দেশে নেট মিটারিং কী, সেটিই জানেন না বেশির ভাগ শিক্ষিত নাগরিকও। অথচ সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক হ্রাস, ‘নেট মিটারিং’ পদ্ধতি যুগোপযোগী করা এবং নাগরিকদের প্রণোদনা দেওয়া হলে বাড়ির ছাদ থেকে ১২ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ পাওয়া মোটেই কঠিন নয়।
আজাদুর রহমান চন্দন, সাংবাদিক ও গবেষক

অমানবিকতা কত দূর পর্যন্ত গেলে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর পেটে লাথি মারা যায়, সে গল্পই আজ বলা হবে। গল্পটির জন্ম দিয়েছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বেসরকারি সংস্থা (এনজিও)কোডেকের কর্মীরা। ক্ষুদ্রঋণের কিস্তির টাকা শোধ না করায় এক নারীর চুল ধরে টেনে কিলঘুষি ও পেটে লাথি মারেন তাঁরা। আহত নারী কলাপাড়া হাসপাতালে...
২ ঘণ্টা আগে
আমরা প্রায়ই প্রবীণদের মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে উচ্চকণ্ঠে কথা বলি—সভা করি, সেমিনার করি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট দিই। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, আমাদের দৈনন্দিন আচরণে সেই সম্মান কতটা প্রতিফলিত হয়? পরিবারে, রাস্তায় কিংবা সামাজিক পরিসরে প্রবীণদের প্রতি আমাদের ব্যবহারই আসলে তাঁদের প্রকৃত মর্যাদা...
৩ ঘণ্টা আগে
নিষিদ্ধ বিষয়ের প্রতি মানুষের আকর্ষণ দুর্নিবার। পৃথিবীর ইতিহাসের প্রথম মানুষ আদম বা অ্যাডাম। তিনি যদি ইভকে নিয়ে নিষিদ্ধ ফল না খেতেন তাহলে আমরা হয়তো মানব জাতি পেতাম না। এই আকর্ষণ এমনই প্রবল ছিল যে স্বর্গের নন্দনকাননের হাতছানি এড়িয়ে আদম নেমে এসেছিলেন মাটির দুনিয়ায়। কী আকর্ষণ! কী দুর্নিবার টান।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজে বিএনপির নেতাদের মারধরের শিকার হয়েছেন অধ্যক্ষ ও একজন নারী প্রদর্শক। এ-সংক্রান্ত ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত না হলে বোঝা যেত না, কি রকম নিন্দনীয় কাজ করেছেন এই বিএনপি নেতারা। অভিযোগ করা হয়েছে, বিএনপির এই নেতারা কলেজে এসেছিলেন চাঁদা চাইতে।
১ দিন আগে