
হামলার সময় থেকে শুরু করে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা—সব ক্ষেত্রেই এসব জুয়াড়ির বাজি ছিল অবিশ্বাস্য রকমের নির্ভুল। এই ‘অলৌকিক’ সাফল্যের নেপথ্যে গোপন তথ্য পাচার বা ইনসাইডার ট্রেডিং জড়িত কি না, তা নিয়ে এখন তোলপাড় শুরু হয়েছে মার্কিন আইনসভা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোতে।

বিশ্বজুড়ে উগ্র ডানপন্থার যে ঢেউ আছড়ে পড়ছে এবং হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের পর আন্তর্জাতিক সম্পর্কে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী বিকল্প শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে ‘বৈশ্বিক প্রগতিশীল মোর্চা’।

প্রথম দেখায় এগুলোকে নিছক রসিকতা বা সস্তা বিনোদন মনে হতে পারে, কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে হোয়াইট হাউসের অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও গভীর যোগাযোগ কৌশল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে যিশুর মতো চরিত্রে ফুটিয়ে তুলে একটি এআই জেনারেটেড (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি) ছবি পোস্ট করেছিলেন। একসঙ্গে খ্রিষ্টধর্মীয় সর্বোচ্চ নেতা পোপ লিও চতুর্দশকে নিয়ে ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক মন্তব্য করার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।