
শফিকুল ইসলাম বলেন, চক্রের সদস্যরা নিজেদের কখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কখনো রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির আত্মীয় পরিচয় দিতেন। এভাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হতো। তিনি বলেন, প্রতারণার কাজে তাঁরা

‘আমরা তো তাঁকে (শেখ হাসিনা) আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দেশে ফিরিয়ে আনতে চাই। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এবং বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা হয়েছে, যেন তিনি বাংলাদেশে মামলার মুখোমুখি হন...

জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ দমনে গঠিত ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) থাকছে না। এই দুই ইউনিটকে একীভূত করে নতুন একটি ইউনিট করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে মাঠে নেমেছিলেন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের পুরোটা সময় মাঠে ছিলেন তাঁরা। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এখন তাঁরা ব্যারাকে ফিরে যাবেন।