
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাত দিন মাঠে থাকবে। ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুই দিন। এবার নিরাপত্তায় অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে খুলনায় জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা বিভাগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই অঞ্চলে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে।
উপদেষ্টা বলেন, এই অঞ্চলে কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই। নির্বাচন খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। ভোট ও ফলাফল নিয়ে কোনো সংশয়ের সুযোগ নেই।
গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সাংবাদিকেরা যেন আগের মতোই সত্য ও দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশ করেন। মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ কখনো কখনো পরিস্থিতি খারাপের দিকে নিয়ে যেতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে সভায় খুলনা অঞ্চলের ১০ জেলার প্রশাসনের ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে পাহাড়ি দুর্গম কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো হবে হেলিকপ্টারে। রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির প্রতিটি কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। অতি দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে সরঞ্জাম পৌঁছাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া ইনকিলাব মঞ্চকে ছত্রভঙ্গ করতে কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বরাত দিয়ে সরকার এমনটি জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা ছাড়া আর কোনো প্রস্তুতি বাকি নেই। এবার ভোটের হার ৫৫ শতাংশের মতো হতে পারে।
১৩ ঘণ্টা আগে
নবম পে স্কেল ঘোষণার দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আজ রণক্ষেত্রে পরিণত হয় রাজধানীর শাহবাগ ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় এলাকা। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে আন্দোলনকারীদের মিছিলে বাধা দিতে পুলিশ জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন
১৪ ঘণ্টা আগে