
মানবজীবনে অভাব-অনটন, দারিদ্র্য কিংবা অর্থনৈতিক সংকট আসে। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে গেলে আল্লাহ তাআলা একসময় অভাব-অনটন থেকে মুক্তি দেন। এর জন্য প্রয়োজন চেষ্টার পাশাপাশি কিছু আমল এবং আল্লাহর দরবারে দোয়া-মোনাজাত। কোরআন ও হাদিসের আলোকে অভাব-অনটন থেকে মুক্তি এবং রিজিকে

কোরআন ও হাদিসে জিন ও শয়তানের অস্তিত্ব সন্দেহাতীতভাবে স্বীকৃত। তবে স্বপ্নে তাদের দেখা মানেই বাস্তবে এর প্রভাব পড়েছে—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। প্রাচীন মুসলিম স্বপ্ন-ব্যাখ্যাকারীরা বিভিন্ন পরিস্থিতি অনুযায়ী স্বপ্নে জিন-শয়তান দেখার সম্ভাব্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন।

কোরআনের হাফেজদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিফজুল কোরআন শিক্ষা গবেষণা ফাউন্ডেশনের তিন বছর মেয়াদি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে হাফেজ মাওলানা আসাদুজ্জামান দেওয়ান সভাপতি এবং মাওলানা নুরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন।

আমাদের সমাজে অনেকেই মনে করেন, শিরক মানেই কেবল বাহ্যিক কোনো মূর্তি বা প্রতিমার পূজা করা। কিন্তু কোরআনুল কারিম এবং সুন্নাহর গভীর অধ্যয়ন আমাদের ভিন্ন বার্তা দেয়। ইসলামে এমন বহু বিশ্বাস, চিন্তা ও আচরণকে শিরক হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে, যা মূর্তিপূজার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।