সুরা কাহাফ পবিত্র কোরআনের ১৮ নম্বর সুরা। এ সুরায় আল্লাহ তাআলা বেশ কিছু অলৌকিক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হলো আসহাবে কাহাফ বা গুহাবাসীর কাহিনি। ইমান রক্ষার তাগিদে একদল যুবকের আত্মত্যাগ এবং দীর্ঘ ৩০০ বছর গুহায় ঘুমিয়ে থাকার সেই রোমাঞ্চকর ঘটনা আজও বিশ্ববাসীকে বিস্মিত করে।
আসহাবে কাহাফ কারা?
বহু বছর আগে এক জনপদে একদল সম্ভ্রান্ত যুবক বাস করতেন। তৎকালীন সমাজ ও শাসক ছিল মূর্তিপূজারি ও খোদাদ্রোহী। কিন্তু এই যুবকেরা মানুষের হাতে গড়া মূর্তির উপাসনা প্রত্যাখ্যান করে এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেন।
যখন খোদাদ্রোহী বাদশাহ তাঁদের ইমান ত্যাগের জন্য চাপ দেয় এবং শাস্তির ভয় দেখায়, তখন তাঁরা নিজেদের ধর্ম ও জীবন বাঁচাতে লোকালয় ছেড়ে পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নেন। ইমান রক্ষার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। আল্লাহ তাঁদের প্রার্থনা কবুল করেন এবং এক অলৌকিক ঘুমের চাদরে তাঁদের ঢেকে দেন। তাঁরা সেই গুহায় একটানা ৩০০ বছর ঘুমিয়ে ছিলেন।
৩০০ বছর পর যখন তাঁদের ঘুম ভাঙে, তাঁরা লোকালয়ে গিয়ে দেখেন পুরো সমাজ ও শাসক বদলে গেছে। মানুষ এখন মূর্তিপূজা ছেড়ে এক আল্লাহর ওপর বিশ্বাসী হয়েছে।
আসহাবে কাহাফের সংখ্যা ও নাম
গুহাবাসীদের সংখ্যা কত ছিল—এ বিষয়টি নিয়ে সে সময়েও বিতর্ক ছিল। পবিত্র কোরআনের সুরা কাহাফের ২২ নম্বর আয়াতে এই বিতর্কের কথা উল্লেখ আছে। কেউ বলত তাঁরা তিনজন, কেউ পাঁচজন, আবার কেউ সাতজন। তবে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে তাঁদের সঠিক সংখ্যা আল্লাহ ছাড়া খুব অল্পসংখ্যক মানুষই জানেন।
হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে আসহাবে কাহাফের সাত যুবকের যে নামগুলো পাওয়া যায়, তা হলো: ১. মাকসালমিনা। ২. তামলিখা। ৩. মারতুনিস। ৪. সানুনিস। ৫. সারিনুনিস। ৬. জু-নাওয়াস। ৭. কাশতিয়ুনিস। (তাফসিরে ইবনে কাসির)

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো মহররমের ১০ তারিখ। যাকে ‘আশুরা’ বলা হয়। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এ দিন বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্ব বহন করে। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্যের উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি তাফসির, ইতিহাস ও ফাজায়েলবিষয়ক গ্রন্থে আশুরার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনাও
১৩ ঘণ্টা আগে
মহররম ও আশুরা উপলক্ষে আমাদের সমাজে বেশ কিছু কাজ প্রচলিত আছে। বিভিন্ন আলেমের কাছ থেকে শুনেছি—এসব কাজের মধ্যে অনেকগুলোই ইসলাম সমর্থন করে না। মহররম ও আশুরায় কী কী বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত? বিস্তারিত জানতে চাই।
১ দিন আগে
মহররম মাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় দিন আশুরা। ইসলামে এ দিনের ইবাদতের তাৎপর্য অনেক। বছরের বরকতময় এই দিন কোরআন তিলাওয়াত, তওবা-ইস্তিগফার, জিকির-আসকার, নফল নামাজ, তসবিহ-তাহলিল, দরুদ পাঠ ও দান-সদকার মাধ্যমে অতিবাহিত করা উত্তম।
১ দিন আগে