পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জিকিরের গুরুত্ব অপরিসীম। মহানবী (সা.) আমাদের এমন কিছু ছোট আমল শিখিয়ে দিয়েছেন, যা আমলনামাকে সওয়াবে ভরিয়ে দেয় এবং জীবনের ছোট-বড় গুনাহ দূর করে। এর মধ্যে অন্যতম হলো নামাজের পরের তিন তাসবিহ—সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার।
হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজের পর তিন তাসবিহ পাঠ করবে, তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হয়। (সহিহ মুসলিম: ১২৩০)
তিন তাসবিহ পড়ার ৫ সুন্নত পদ্ধতি
হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, নামাজের পর তাসবিহ পাঠের পাঁচটি পদ্ধতি রয়েছে। আপনার সুবিধামতো যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন:
১. সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার এবং আল্লাহু আকবার ৩৩ বার। সবশেষে ১০০ পূর্ণ করতে ১ বার এই দোয়াটি পাঠ করা—‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।’ (মুসলিম, হাদিস: ৪৯০৬)
২. সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার এবং আল্লাহু আকবার ৩৩ বার। আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী, এই আমলটি করলে সম্পদশালী ব্যক্তিদের দান-সদকা ও আল্লাহর পথে লড়াইয়ের সওয়াবের সমপর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব। (সহিহ বুখারি: ৮৪৩)
৩. সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার এবং আল্লাহু আকবার ৩৪ বার। এভাবে মোট ১০০ পূর্ণ করা। (সহিহ মুসলিম: ৫৯৬)
৪. সুবহানাল্লাহ ২৫ বার, আলহামদুলিল্লাহ ২৫ বার, আল্লাহু আকবার ২৫ বার এবং লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ২৫ বার। (সুনানে নাসায়ি: ১৩৫০)
৫. সুবহানাল্লাহ ১০ বার, আলহামদুলিল্লাহ ১০ বার এবং আল্লাহু আকবার ১০ বার। হাদিসে এসেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর এভাবে ৩০ বার করে এই আমলটি মুখে পড়তে মোট ১৫০ বার মনে হলেও আমলনামায় ১৫০০ হিসেবে গণ্য হবে। (জামে তিরমিজি: ৩৪১০)

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ দিন হলো মহররমের ১০ তারিখ। যাকে ‘আশুরা’ বলা হয়। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস ও ঐতিহ্যে এ দিন বিশেষ মর্যাদা ও গুরুত্ব বহন করে। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্যের উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি তাফসির, ইতিহাস ও ফাজায়েলবিষয়ক গ্রন্থে আশুরার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনাও
১৩ ঘণ্টা আগে
মহররম ও আশুরা উপলক্ষে আমাদের সমাজে বেশ কিছু কাজ প্রচলিত আছে। বিভিন্ন আলেমের কাছ থেকে শুনেছি—এসব কাজের মধ্যে অনেকগুলোই ইসলাম সমর্থন করে না। মহররম ও আশুরায় কী কী বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত? বিস্তারিত জানতে চাই।
১ দিন আগে
মহররম মাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় দিন আশুরা। ইসলামে এ দিনের ইবাদতের তাৎপর্য অনেক। বছরের বরকতময় এই দিন কোরআন তিলাওয়াত, তওবা-ইস্তিগফার, জিকির-আসকার, নফল নামাজ, তসবিহ-তাহলিল, দরুদ পাঠ ও দান-সদকার মাধ্যমে অতিবাহিত করা উত্তম।
১ দিন আগে