
ডিজিটাল যুগে যোগাযোগের অন্যতম সহজ ও দ্রুত মাধ্যম হয়ে উঠেছে মেসেঞ্জারের মতো বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন। এই অ্যাপের মাধ্যমে মানুষ খুব সহজেই বার্তা আদান-প্রদান করতে পারেন। অনেক সময় বার্তা পাঠানোর পর বানান ভুল, তথ্যগত ত্রুটি বা ভুল বোঝাবুঝির কারণে পাঠানো বার্তাটি সংশোধনের প্রয়োজন হয়। আগে মেসেঞ্জারে পাঠানো বার্তা শুধু ডিলিট করা যেত, কিন্তু এখন ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠানো বার্তা এডিট বা সম্পাদনা করতে পারেন। এই সুবিধা বার্তা বিনিময়ের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত ও ব্যবহারকারীবান্ধব করেছে।
তবে ফেসবুক মেসেজ পাঠানোর পর ১৫ মিনিটের মধ্যে এডিট করতে হবে। এই ১৫ মিনিটের সময়সীমা পার হয়ে গেলে মেসেজ আর এডিট করা যাবে না। সে ক্ষেত্রে আনসেন্ড করে নতুন করে মেসেজ পাঠানো যেতে পারে।
মেসেঞ্জারে বার্তা পাঠানোর পর এডিট করবেন যেভাবে
১. যে বার্তা এডিট করতে চান, সেই চ্যাটের ওপর ট্যাপ করে ধরে রাখুন। এতে একটি পপ আপ মেনু দেখা যাবে।
২. পপ মেনু থেকে মোর বাটনে ট্যাপ করুন। এর ফলে পিন, এডিট, ফরওয়ার্ড ও বাম্প অপশন দেখা যাবে।
৩. এসব অপশন থেকে ‘এডিট’ বাটনে ট্যাপ করুন। এখন নিচে থাকা টেক্সট বক্সে বার্তাটি এডিট করুন।
৪. এডিটের ডান পাশের নিচের দিকে থাকা ছোট আকারের টিক চিহ্নে ট্যাপ করুন।

প্রেমের সম্পর্কে আসা মানেই যেন সম্পর্কের রং চেনার এক নিরন্তর খেলা। সম্পর্কের নীল আকাশে যেমন কখনো কখনো লাল সতর্কবার্তা থমকে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয়, তেমনি কিছু ক্ষেত্রে ভেসে ওঠে হলুদ সংকেত বা ‘ইয়েলো ফ্ল্যাগ’। ট্রাফিক লাইটের হলুদ আলো মানেই গাড়ি থামিয়ে একটু থামা, দেখা এবং ভাবা। সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইয়েলো
২ ঘণ্টা আগে
মানুষের জীবনের পথে হাঁটা সব সময় একরকম হয় না। আলো আর ছায়ার মতো সুখ আর দুঃখ, সংশয় আর আত্মবিশ্বাস হাত ধরাধরি করে চলে। কখনো কোনো এক হঠাৎ আড্ডায়, বাসে কিংবা অপরিচিত মানুষের মাঝে দাঁড়িয়ে বুকের ভেতরটা অজানা ভয়ে কেঁপে ওঠে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের কোনো একটি খামতি দেখে কিংবা অতীতের কারও বিষাক্ত মন্তব্যের
৪ ঘণ্টা আগে
বাড়ি কিংবা চেনা পরিবেশের বাইরে যেতে না চাওয়া বা মানুষের সঙ্গে না মেশার প্রবণতা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। বাড়িতে মেহমান এলে বা কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরেরা ঘরে লুকিয়ে থাকে কিংবা কোনো কাজে ব্যস্ত থাকার বাহানা করে সামনে আসতে চায় না। এমন ঘরকুনো স্বভাব দেখলে পরিবারের বড়রা প্রায়ই মন খারাপ করেন কিংবা
৫ ঘণ্টা আগে
কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের কন্যা হিসেবে শুধু নয়, সারা টেন্ডুলকার প্রায়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর উপস্থিতির কারণে। ব্যক্তিগত জীবনের ঝলকের মাধ্যমে তিনি ইন্টারনেটের অন্যতম জনপ্রিয় তরুণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে তাঁর সম্পর্ক এবং ভব
৭ ঘণ্টা আগে