
গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম জেমিনি এখন সরাসরি ছবি বা এডিট সম্পাদনা করতে পারবে। জেমিনির চ্যাট ইন্টারফেস থেকে ব্যবহারকারীরা সহজেই যেকোনো ছবি সম্পাদনার নির্দেশনা দিতে পারবেন। এটি গুগলের পক্ষ থেকে একটি বড় আপডেট, যেখানে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড বদলানো থেকে শুরু করে ছোটখাটো দাগ মুছে ফেলা, এমনকি কুকুর বা পোষা প্রাণীর মাথায় মজার টুপি বসানো যাবে।
নতুন আপডেটের ফলে ব্যবহারকারীরা চ্যাটের মাধ্যমে যেকোনো ছবি এডিট করতে পারবেন, একসঙ্গে আপলোড করতে পারবেন ১০টি ছবি বা অন্যান্য ফাইল। সবচেয়ে সুবিধার বিষয় হলো—একই ছবি একাধিকবার এডিট করা যাবে ও প্রতিটি পরিবর্তনের পর আগেরটা থেকে যাবে অক্ষত।
জেমিনির এই নতুন ইমেজ এডিটরের মাধ্যমে ছবির ওপর টেক্সটও বসানো যাবে।
গুগল জানিয়েছে, এডিটরের ভেতরে রয়েছে একাধিক প্রযুক্তির সমন্বয়। এর ফলে ছবিতে এলোমেলো কোলাজ দেখা যাবে না। বরং আলো, রং সবকিছুই বাস্তবসম্মত থাকবে।
এডিটরের পাশাপাশি বড় আপডেট এসেছে ফাইল আপলোডে। এখন থেকে একসঙ্গে ১০টি ছবি, পিডিএফ কিংবা অন্যান্য ফাইল আপলোড করে জেমিনিকে সেগুলো বিশ্লেষণের কাজ দেওয়া যাবে। শিক্ষকেরা চাইলে তৈরি করতে পারবেন চিত্রসহ স্টোরি বোর্ড, ডিজাইনারেরা বানাতে পারবেন পণ্যের ছবির পোর্টফোলিও, আর স্থপতিরা মিটিং চলাকালেই কাঙ্ক্ষিত ডিজাইনের পরিবর্তন দেখতে পারবেন।
তবে এই সুবিধা যেন ভুলভাবে কেউ ব্যবহার না করতে পারে, সে জন্যও আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি এডিট করা ছবির গায়ে থাকবে দুই স্তরের ওয়াটারমার্ক বা জলছাপ—এর মধ্যে একটি দৃশ্যমান, অন্যটি গুগলের ‘সিংথআইডি’ প্রযুক্তিতে তৈরি, যা শুধু সফটওয়্যার দিয়ে ধরা যাবে। পাশাপাশি অনৈতিক অনুরোধ আটকানোর ফিল্টারও যুক্ত করা হবে।
সব মিলিয়ে জেমিনির এই নতুন ফিচারগুলো গুগলের বৃহৎ পরিকল্পনারই অংশ। শুধু তথ্য খোঁজার মেশিন নয়, বরং মানুষ যেন সৃজনশীল ও কার্যকরী কাজে জেমিনিকে সহকারী হিসেবে ভাবতে পারে, সেই লক্ষ্যে এগোচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
গুগল বলেছে, জেমিনির নিজস্ব ছবি সম্পাদনার ফিচার ধাপে ধাপে উন্মুক্ত করা হচ্ছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটি ৪৫টির বেশি ভাষায় এবং অধিকাংশ দেশে পাওয়া যাবে।
তথ্যসূত্র: টেক রেডার ও টেকক্রাঞ্চ

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
২ ঘণ্টা আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৩ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৩ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৩ দিন আগে