বিশ্বের প্রথম রং পরিবর্তনকারী গাড়ি তৈরি করেছে জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিএমডব্লিউ। যুক্তরাষ্ট্রের লাসভেগাসে অনুষ্ঠিত কনজিউমার ইলেকট্রনিকস শোতে (সিইএস) এই অভিনব গাড়ি উন্মোচন করে প্রতিষ্ঠানটি।
এই গাড়ি শুধু ধূসর ও সাদা রং পরিবর্তনে সক্ষম। ভবিষ্যতে অন্যান্য রঙের গাড়ির ক্ষেত্রেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে বিএমডব্লিউ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই গাড়ির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএমডব্লিউ আইএক্স ফ্লো’। মূলত ই-বুক রিডারে ব্যবহার করা ইলেকট্রনিক কালি প্রযুক্তি এই গাড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে, যা গাড়ির বহির্ভাগকে ধূসর ও সাদা রঙের বিভিন্ন প্যাটার্নে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে ।
বিএমডব্লিউয়ের গবেষণা প্রকৌশলী স্টেলা ক্লার্ক বলেন, ই-ইঙ্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রঙের পরিবর্তন সত্যিই সাশ্রয়ী। মোবাইলের একটি অ্যাপ দিয়ে বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে ই-ইঙ্ক ব্যবহার করে গাড়ির ছায়া বা নকশা তৈরি করা হয়।
তবে ভবিষ্যতে রং পরিবর্তন করতে গাড়ির ড্যাশবোর্ডে একটি বোতাম রাখা হবে অথবা হাতের ইশারা দিয়েও তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলেও জানিয়েছেন ক্লার্ক।
ক্লার্ক জানান, সূর্যের আলোর প্রতিফলনই মূলত এই রং পরিবর্তনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে থাকে। রৌদ্রকরোজ্জ্বল দিনে যেমন সূর্যালোক প্রতিফলিত করে গাড়ির রং সাদায় রূপান্তরিত করা যাবে, তেমনি ঠান্ডা দিনে তাপ শোষণের উপযোগী ধূসর রঙে পরিবর্তন করা যাবে।

দীর্ঘ ১৫৬ বছর ধরে বিজ্ঞানের জটিল ও সূক্ষ্ম বিষয়গুলো গবেষণাপত্রের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখার পর, এবার তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে আধুনিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টিকটকে পা রাখল বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’।
১৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেলের ব্যক্তিগত ই-মেইল হ্যাক করার দাবি করেছে ইরান সরকারের সঙ্গে যুক্ত একদল হ্যাকার। হ্যাকাররা প্যাটেলের অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যক্তিগত ছবি ও নথি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে দিয়েছে বলে সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
২ দিন আগে
চীনে হিউম্যানয়েড রোবট প্রযুক্তি যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে অচিরেই বদলে যাবে জীবন ও কাজের ধরন। সাংহাইয়ে চীনা রোবট নির্মাতা এজিবট সম্প্রতি আয়োজন করে এক ব্যতিক্রমী ‘রোবট গালা’; যেখানে পুরো অনুষ্ঠানেই অংশ নেয় রোবটরা। তাতে দেখানো হয় রোবটের গতিনিয়ন্ত্রণ, কম্পিউটার ভিশন ও সৃজনশীলতার সক্ষমতা।
২ দিন আগে
বর্তমান যুগে উচ্চশিক্ষা ও একাডেমিক উৎকর্ষের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো গবেষণা। কিন্তু বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ গবেষকের ভিড়ে নিজের স্বকীয়তা বজায় রাখা কি এতই সহজ? ধরুন, আপনার নাম এবং অন্য দেশের একজন গবেষকের নাম হুবহু এক। অথবা, বিভিন্ন জার্নালে আপনার নামের বানান ভিন্নভাবে লেখা হয়েছে।
২ দিন আগে