
অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস রোধে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল। বিবিসির প্রতিবেদনে জানা যায়, পরিচয় চুরিতে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে প্রকাশ পেলে তা গুগলের মাধ্যমে ট্র্যাক করা শিগগিরই সম্ভব হবে।
গুগল আরও জানিয়েছে, তাদের ‘রেজাল্টস অ্যাবাউট ইউ’ ফিচারটি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এতে পাসপোর্টের তথ্য, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর ও সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বরের তথ্য গোপন রাখার ফিচারও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এ ধরনের তথ্য অনলাইনে দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি গুগলের কাছে অনুরোধ করে সার্চ ফলাফল থেকে প্রাসঙ্গিক ওয়েব লিংক সরিয়ে দিতে পারবেন। বর্তমানে গুগলের এই মনিটরিং সুবিধাটি কেবল ব্যক্তির নাম, বাড়ির ঠিকানা, ইমেইল ঠিকানা ও ফোন নম্বর পর্যন্ত সীমিত রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার করপোরেট ব্লগে দেওয়া এক পোস্টে গুগল জানায়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ধাপে ধাপে এই টুল সম্প্রসারণ শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে এটি কেবল যুক্তরাষ্ট্রে চালু হবে। পরবর্তীতে আরও বিভিন্ন দেশে এটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে গুগল জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তিগত পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য ট্র্যাক করতে চাইলে ব্যবহারকারীকে আগে সেই নির্দিষ্ট তথ্য নিবন্ধন করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে, ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইনে কোথাও প্রকাশ পাচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করতে চাইলে ব্যবহারকারীকে নিজের লাইসেন্স নম্বর গুগলে নিবন্ধন করতে হবে।
ব্লগ পোস্টে গুগল জানিয়েছে, অপব্যবহার রোধ ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে গুগলের ‘রেজাল্টস অ্যাবাউট ইউ’ টুলে কঠোর নিরাপত্তা প্রোটোকল ও উন্নত এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর তথ্য ও পরিচয় চুরির ঘটনা বেড়েছে। ফেডারেল ট্রেড কমিশনের কাছে ১১ লাখের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে।
পরিচয় জালিয়াতির সবচেয়ে প্রচলিত ধরন হলো, ক্রেডিট কার্ড-সংক্রান্ত প্রতারণা, যেখানে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে কেনাকাটা করা বা নতুন ক্রেডিট অ্যাকাউন্ট খোলা হয়।
এর পরেই রয়েছে এমন চুরি, যেগুলোর মাধ্যমে অন্যের তথ্য ব্যবহার করে চাকরি নেওয়া, চিকিৎসা সুবিধা গ্রহণ বা সরকারি ভাতা পাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

চ্যাটজিপিটি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ব্যবহারকারীর জন্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের পরীক্ষা করছে। এই পরীক্ষা চলছে ফ্রি এবং গো সাবস্ক্রিপশন টায়ারে। এই দুই টায়ারই চ্যাটজিপিটির সবচেয়ে সস্তা প্যাকেজ। অনেকের মতে, এটাই হয়তো বিজ্ঞাপনহীন চ্যাটজিপিটির শেষের শুরু।
১ দিন আগে
কয়েক বছর আগেও এআই নতুন এক প্রযুক্তি হিসেবে ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি উন্মুক্ত হওয়ার পর সবকিছু যেন দ্রুত বদলে যেতে থাকল। মাঝে চীনের ডিপসিক নিয়েও চলল ব্যাপক আলোচনা। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এআই পুরো বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা হিসেবে গড়ে উঠল।
১ দিন আগে
প্রায় সময় দেখা যায়, ইন্টারনেটে গোপনীয়তা রক্ষায় ভিপিএন ব্যবহার করা হয়। ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন অ্যাপগুলো আইপি ঠিকানা লুকিয়ে রাখে এবং ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে। অনেকে গেমিং, সোশ্যাল সাইট ব্যবহার করার মতো কাজে ভিপিএন অ্যাপগুলো ব্যবহার করেন।
১ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা এআই নিয়ে আলোচনা হলে আমাদের চোখে ভেসে ওঠে সিলিকন ভ্যালি, অত্যাধুনিক ডেটা সেন্টার কিংবা বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নাম। কিন্তু এ প্রযুক্তি বিপ্লবের পেছনে রয়েছেন ভারতের গ্রামাঞ্চলের অনেক সাধারণ মানুষ।
১ দিন আগে