হঠাৎ করেই আজ বাংলাদেশের আর্চারি দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোমান সানা। এতে জাতীয় দলের হয়ে আর্চারির পোস্টারবয়কে আর দেখা যাবে না। সংবাদটা হুট করে জানা গেলেও অবসরের সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিলেন তিনি।
বাংলাদেশের হয়ে আর খেলবেন না বলে কিছুদিন আগে আর্চারি ফেডারেশনকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন রোমান। কিন্তু সেই চিঠির জবাব এত দিনও না পাওয়ায় অবসরের সিদ্ধান্তটা জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর অবসরের বিষয়টি দুবাই থেকে মুঠোফোনে নিশ্চিত করেছেন আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী জিব উদ্দিন আহমেদ চপল। তিনি বলেছেন, ‘কিছুদিন আগে লিখিতভাবে অবসরের কথা আমাদের জানিয়েছিলেন রোমান। এটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তাই এখানে আমাদের কিছু করার নেই। তার সিদ্ধান্তের প্রতি আমরা সম্মান দেখিয়েছি।’
ভবিষ্যতে যদি রোমান আবার ফিরতে চান, তার জন্য দরজা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন কাজী রাকিব উদ্দিন। এর জন্য অবশ্য তাঁকে অবসরের মতোই লিখিত আবেদন করতে হবে। তবে ফেডারেশন তাঁকে কখনো ফেরানোর চেষ্টা করবে না বলে সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘চাইলে তিনি আবার ফিরতে পারবেন। তবে যেভাবে লিখিতভাবে অবসরে গেছেন, সেভাবেই আবার আবেদন করে তাঁকে ফিরে আসতে হবে।’
কোনো অভিমানে রোমান অবসর নিয়েছেন কি না, এটা জানতে চাইলে কাজী রাকিব উদ্দিন বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে তা পারফরম্যান্স ভালো না। বাছাইপর্বে পারফরম্যান্স করতে না পারায় জাতীয় দলে ডাক পাচ্ছিলেন না। এখানে অভিমানের কিছু নেই। যে পারফরম্যান্স ভালো করবে, সে জাতীয় দলে ডাক পাবে।’
২০১৯ সালের বিশ্ব আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ দিয়ে পরিচিতি পান রোমান। সেবার ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন তিনি। পরে আরও বড় কীর্তি গড়েন তিনি। বাংলাদেশের প্রথম ক্রীড়াবিদ হিসেবে কোনো অলিম্পিকে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে সেই সুযোগ পান ৩০ বছর বয়সী আর্চারি। ২০২১ বিশ্বকাপে বর্তমানে তাঁর জীবনসঙ্গী দিয়া সিদ্দিকের সঙ্গে রিকার্ভ মিশ্রে দ্বৈতে রুপাও জেতেন। ২০২২ সালে এক নারী সতীর্থের সঙ্গে বাজে আচরণের জন্য নিষিদ্ধও হয়েছিলেন তিনি।

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২০ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে