বাংলাদেশের আর্চারির পোস্টার বয় রোমান সানা। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম সেরা অ্যাথলেট। সেই অ্যাথলেটকেই আগামী দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন।
রোমানকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তটি হয়েছিল আরও ১০ দিন আগে। জানা গেছে, জাতীয় দলের ক্যাম্পে সতীর্থ এক তিরন্দাজের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় রোমানের বিরুদ্ধে আনা হয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ। ক্যাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অলিম্পিয়ান তিরন্দাজকে আজীবন নিষিদ্ধের দাবি তুলেছিলেন ফেডারেশনের কেউ। কেউ চেয়েছিলেন দীর্ঘ মেয়াদে নিষিদ্ধ করা হোক তাঁকে। ফেডারেশন শেষ পর্যন্ত বেছে নিয়েছে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা। অতীতেও একাধিকবার শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছিল রোমানের বিরুদ্ধে। পেয়েছেন একাধিক কারণ দর্শানো নোটিশ। যদিও যার গায়ে হাত তুলেছেন তিনি কোনো অভিযোগ করেননি বলে জানা গেছে।
দেশ সেরা তিরন্দাজের বিষয়টি নিশ্চিত করে আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল বলেছেন, ‘রোমান শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেই যাচ্ছিল। তাই তাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে তা কার্যকর হবে। এই সময়ে রোমান ঘরোয়া কিংবা আন্তর্জাতিক কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না। আমরা মনে করি ওর সংশোধন হওয়া উচিত।’
নিষিদ্ধ হলেও নিজ থেকে অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারবেন রোমান সানা। তবে খেলতে পারবেন না কোনো টুর্নামেন্টে।
তবে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে শুনে নিজে অবাক হয়েছেন রোমান সানা। বলেছেন, ‘আমি তো শোকজের উত্তরে নিজের আচরণে কারণে ক্ষমা চেয়েছিলাম। আসলে মাঝে মধ্যে মাথা গরম হয়ে যায়। এখন দেখি স্যারদের সঙ্গে কথা বলে দেখি। নিষিদ্ধ হলে তো কিছুই করা যাবে না।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৬ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে