স্পোর্টিং লিসবন থেকেই শ্রেষ্ঠত্বের পথে যাত্রা শুরু করেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এরপর ম্যানইউ, রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের খেলে অনন্য উচ্চতায় ওঠেন ‘সিআর সেভেন।’ তবে বৃত্তপূরণ করে ফের রোনালদোর স্পোর্টিং লিসবনে ফেরার গুঞ্জন সামনে এসেছে।
গত কদিন ধরেই ইউরোপের একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়তে যাচ্ছেন রোনালদো। গত মৌসুমে আলোচিত দলবদলে জুভেন্টাস ছেড়ে ম্যানইউতে আসেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৮ ম্যাচে ২৪ গোল করলেও দলকে বড় কোনো সাফল্য এনে দিতে পারেননি তিনি। লিগ টেবিলে ৬ নম্বরে থেকে শেষ করে ‘রেড ডেভিল’রা। এখন এরিক টেন হাগের অধীনে নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে অনিশ্চয়তা ও ম্যানইউর দলবদলের কৌশল পছন্দ না হওয়ায় রোনালদো নাকি ক্লাব ছাড়ার কথা ভাবছেন।
শুরুতে রোনালদোর সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে বায়ার্ন মিউনিখ ও এএস রোমার নাম শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যে নতুন খবর হচ্ছে রোনালদো শৈশবের ক্লাব স্পোর্টিং লিসবনেও ফিরতে পারেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান বলছে, লিসবন কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস রোনালদোকে ফেরার ব্যাপারে রাজি করাতে পারবে তারা।
এর আগে গত বছরও রোনালদোর লিসবনে ফেরার গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। এ ইস্যুতে কথা বলেছিলেন রোনালদোর মা মারিয়া ডোলোরেসও। তিনি বলেছিলেন, ‘তাকে (রোনালদো) ফিরে আসতে হবে। আমি ইতিমধ্যে তাকে বলেছি। দেখা যাক।’
রোনালদোর লিসবনে ফিরে আসার অপেক্ষায় আছেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট ব্রুনো দি কারভালহো। তিনি বলেছেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই, রোনালদো ক্লাবে ফিরে তার ক্যারিয়ার এখানে শেষ করলে আমরা আনন্দিত হব।’

শেষ ষোলোর পর কোয়ার্টার ফাইনালের পালা। বোস্টনে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে ফ্রান্স-মরক্কো। এই ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই আলোচনায় আর্জেন্টিনা। অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন তুমুল আলোচিত-সমালোচিত আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের প্রভাব কি পড়ছে শেষ আটের প্রথম ম্যাচের ওপর? আসলে এখানে ব্যাপারটা অন্য কিছু।
১২ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা-মিসর শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ষোলোর ম্যাচের ৩-২ স্কোরকার্ড ছাপিয়ে আলোচনায় রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। জয়ের পরও তাই আর্জেন্টাইন ভক্ত-সমর্থকেরা অস্বস্তিতে পড়েছেন। লেতেক্সিয়ে আর্জেন্টাইনদের সুবিধা দিয়েছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে এমন চর্চা চলছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন। ক
১ ঘণ্টা আগে
পিছিয়ে থেকে ৩-২ গোলের জয়—আটলান্টায় গত রাতে শেষ ষোলোর ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয়ের পর স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। মেসিকে কাঁধে তুলে উদ্যাপন করেছেন সতীর্থরা। কিন্তু ৩-২ গোলের ফল যে সবকিছু নয়, সেটা গত রাতে যাঁরা ম্যাচ দেখেছেন, নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। ম্যাচের একেবারে শেষভাগে এসে রেফার
২ ঘণ্টা আগে
কিছু দল আছে, যারা প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে নয়, বরং সুযোগের অপেক্ষা করে ঠিক সময়ে আঘাত হানার। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেনও এমনই ছিল। ১৬ বছর পর সেই পুরোনো চেহারার আরেকটি ঝলক দেখা গেল ডালাসে। পর্তুগাল শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু বিশ্বাসে ভর করে শেষ হাসি
৩ ঘণ্টা আগে