
আর্জেন্টিনা-মিসর দ্বৈরথ ঘিরে তুমুল বিতর্ক চলছে ফুটবল বিশ্বে। বিশ্বকাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনের আলোচিত ম্যাচটিতে ৩-২ গোলে হারার পর রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না মিসরের কোচ এবং ফুটবলাররা। ক্ষুব্ধ হয়ে দলটির স্ট্রাইকার মোস্তাফা জিকো তো বলেই বসলেন, কাপটা আর্জেন্টিনার জন্যই নির্ধারিত।
আটালান্টা স্টেডিয়ামে শেষের চিত্রটা ভিন্ন হতে পারতো। ইয়াসির ইব্রাহিম ও মোস্তাফা জিকোর কল্যাণে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিসর। বাতাসে তখন আর্জেন্টিনার বিদায়ের করুণ সুর। কিন্তু ফুটবল বিধাতা নিজেই বোধহয় এদিন মিসরের জয় চাননি। চিত্রনাট্যের পুরোটাই যেন শেষ মুহূর্তের জন্য লিখেছিলেন তিনি।
পিছিয়ে থাকার পরও দারুণ এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখে আর্জেন্টিনা। ১৩ মিনিটের ঝড়ে মিসরকে তাক লাগিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা। ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ব্যবধান কমানোর পর লিওনেল মেসির গোলে ম্যাচে ফেরে আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ে এনসো ফার্নান্দেস হেডে মিসরের জাল কাঁপালে আটালান্টার গ্যালারি মুহূর্তেই ফেটে পড়ে আর্জেন্টাইন ভক্তদের উল্লাসে। এই লিড ধরে রেখে ম্যাচ শেষ করে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়না। বেশিরভাগ সময় জয়ের স্বপ্ন বুনা মিসর মাঠ ছাড়ে একরাশ হতাশা নিয়ে।
দুর্দান্ত এই জয়ে আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালের খুশিতে ভাসলেও সংবাদমাধ্যমে রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জিকো। যদিও ফরাসি রেফারির কোন সিদ্ধান্তে আঙুল তুলেছেন, তা নির্দিষ্ট করে জানাননি এই ফুটবলার। জিকো বলেন, ‘রেফারি অন্যায় করেছেন। আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট, তিনিই সর্বোত্তম রক্ষাকর্তা। তিনি একটি পুরো দেশের পরিশ্রম নষ্ট করে দিয়েছেন।’ এরপর আরও কঠোর মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এই কাপটা আর্জেন্টিনার জন্যই নির্ধারিত।’

এক গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনার সামনে তখন সময়ই যেন সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ। ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙার পথও মিলছিল না। একজনের ওপরেই তাকিয়ে থাকতে হয়েছে তখন। তিনিও চেষ্টার কমতি রাখেননি।
৩৬ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
৪ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
৫ ঘণ্টা আগে