
লাল-সবুজ জার্সি গায়ে খেলবেন হামজা চৌধুরী—দেশের অনেক ফুটবলপ্রেমী হয়তো কল্পনার ক্যানভাসে এমন ছবিই আঁকছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লেস্টার সিটিতে খেলা এই ডিফেন্ডারও বাংলাদেশের হয়ে খেলতে ব্যাকুল। গত রোববার আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেছেন এমন আশার কথা। ফোনে তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জহির উদ্দিন মিশু।
জহির উদ্দিন মিশু

প্রশ্ন: আট বছর বয়সে লেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েছিলেন। মাঝে কয়েকটা ক্লাব ঘুরে আবার সেখানে খেলছেন। সব মিলিয়ে লেস্টারে সময়টা কেমন কাটছে?
হামজা চৌধুরী: আলহামদুলিল্লাহ, খুবই ভালো চলছে। এটা লম্বা একটা জার্নি। আমি বেশ উপভোগ করছি। মাঝে একটু চোটের সমস্যা ছিল। এখন আগের চেয়ে ভালো বোধ করছি। নিয়মিত অনুশীলনে যাচ্ছি। তবে নিজেকে তৈরি করতে কিছুটা বাড়তি শ্রম দিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে আমি এখানে (লেস্টার সিটি) ভালোই আছি।
প্রশ্ন: ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কোন স্মৃতি আপনার বেশি মনে পড়ে?
হামজা: যতটুকু মনে পড়ে, ছোটবেলায় মা-ই প্রথম আমার হাতে ফুটবল তুলে দিয়েছিলেন। তাঁর ধারণা ছিল, এতে যদি আমার কিছুটা এনার্জি বার্ন হয়। একদিন মায়ের সঙ্গে আমি লাফবোরো বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই। বছরখানেক সেখানে তাদের হয়ে ফুটবলও খেলি। এরপর নটিংহ্যাম ও লেস্টারে আমাকে ট্রায়াল দিতে বলা হয়। বাছাইটা ভালো হয়েছিল। কয়েক দিন পর দুটি ক্লাবই আমাকে যোগ দেওয়ার কথা বলে। একটু দ্বিধায় পড়ে যাই। এরপর ভেবেচিন্তে লেস্টারকে বেছে নিই। কারণ, ওখানে আমার কয়েকজন বন্ধু ছিল। তারা থাকায় ক্লাবটা পরিবারের মতো মনে হয়েছে। সহজে মানিয়েও নিতে পেরেছি।
প্রশ্ন: তাহলে তো বলার অপেক্ষা রাখে না, লেস্টার সিটিই আপনার সবচেয়ে প্রিয় ক্লাব।
হামজা: অবশ্যই, লেস্টার আমার প্রিয় ক্লাব। এখানে দীর্ঘদিন ধরেই আছি। তারা (সমর্থক ও ক্লাব কর্তৃপক্ষ) আমাকে ভীষণ ভালোবাসে। আমিও চাই এই ক্লাবে আরও অনেক দিন কাটিয়ে দিতে।
প্রশ্ন: ইংল্যান্ডে তো আরও অনেক নামীদামি ক্লাব আছে। ‘দ্য ফক্সেস’ কীভাবে আপনার এতটা পছন্দের হয়ে উঠেছে?
হামজা: আমার বয়স যখন সাত, তখন থেকেই নিয়মিত লেস্টারের ম্যাচ দেখতাম। মনে আছে, ম্যাচ শুরুর অনেক আগেই চাচার সঙ্গে আমি স্টেডিয়ামে হাজির হতাম। এমনকি ম্যাচ ছাড়াও অনুশীলন, প্রস্তুতি দেখতে যেতাম। সেই স্মৃতিগুলো এখনো আমাকে আনন্দ দেয়। কী সুন্দর ছিল দিনগুলো। তখন থেকে মনের মধ্যে লেস্টারের জন্য ভালোলাগা তৈরি হয়।
প্রশ্ন: কদিন পর নিশ্চয়ই বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন। এটি ভাবতেই কেমন অনুভব হয়?
হামজা: এটা (বাংলাদেশের হয়ে খেলা) দারুণ কিছু হতে যাচ্ছে। লাল-সবুজের জার্সিটা আমার পছন্দের। আমিও অপেক্ষায় আছি। বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারলে খুবই ভালো লাগবে। ইনশা আল্লাহ, মনে হয় দ্রুতই ইতিবাচক কোনো সংবাদ পাব। বাংলাদেশি পাসপোর্টও পেয়ে গেলাম। আমরা প্রস্তুতই আছি।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের লাখো-কোটি সমর্থক আপনার অপেক্ষায়। এই যে তাঁরা আপনাকে এতটা ভালোবাসেন, তাঁদের নিয়ে কী বললেন?
হামজা: এটা সত্যি আমার জন্য দারুণ ব্যাপার। বাবাও মাঝেমধ্যে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কতটা আমাকে পছন্দ করেন। তাঁরা আমার ম্যাচ দেখেন, উপভোগ করেন। এসব শুনলে গর্ব হয়। ইংল্যান্ডে বড় হলেও বাংলাদেশকে অনেক ভালোবাসি।
প্রশ্ন: ইংল্যান্ডে আপনার বেড়ে ওঠা। বাংলাদেশের ফুটবল সংস্কৃতি এবং পরিবেশের সঙ্গে যে দেশের অনেক পার্থক্য। বাংলাদেশে মানিয়ে নেওয়া কতটা চ্যালেঞ্জিং হবে?
হামজা: আসলে এটা (পরিবেশ-পরিস্থিতি) নিয়ে এখনো কিছু ভাবিনি। মনে হচ্ছে, মানিয়ে নেওয়া কঠিনই হবে। কারণ, আমি বাংলাদেশকে যতটুকু জানি, সেটা বোধ হয় পর্যাপ্ত নয়। সে জন্য আমাকে আরও প্রস্তুতি নিতে হবে। হয়তো প্রথম দিকে মানিয়ে নেওয়া অনেক বেশি কঠিন হবে। আশা করি পরে আর প্রতিবন্ধকতাগুলো থাকবে না।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের ফুটবল ঘিরে আপনার ব্যক্তিগত কোনো আশা বা পরিকল্পনা আছে?
হামজা: এখনো জানি না আমাকে কী করতে হবে। আগে বাংলাদেশের হয়ে খেলার সুযোগ হোক, এরপর নাহয় চিন্তা করব। আপাতত তাদের হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছি।
প্রশ্ন: কেন আপনার মনে হলো বাংলাদেশের হয়েই খেলা উচিত, সিদ্ধান্তটা কবে নিয়েছিলেন?
হামজা: বাংলাদেশের মানুষ চান, আমি সেখানে খেলি। তাঁরা আমাকে অনেক ভালোবাসেন। আমিও বাংলাদেশকে ভালোবাসি। এ কারণে সিদ্ধান্ত নিই, তাঁদের হয়ে খেলব। মা-বাবাও অপেক্ষায় আছেন। তাঁরা চান, আমি যেন বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামি। তাঁরা এটা (বাংলাদেশের হয়ে খেলা) দেখতে পারলে অনেক খুশি হবেন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের ফুটবল কি দেখার সুযোগ হয়?
হামজা: আসলে লেস্টারকে নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকতে হয়। ম্যাচ, অনুশীলন—এসব তো চলছেই। তবে মাঝেমধ্যে জামালদের খেলা দেখা হয়, সেটা অবশ্য খুব কম সময়।
প্রশ্ন: আপনি জেনে খুশি হবেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে (সাফ) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
হামজা: না, আমি জানি না, শুনিনি। তবে এটা দারুণ ব্যাপার! খুবই আনন্দের। তাদের (বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল) অভিনন্দন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে এলে বাংলায় কথা বলতে হতে পারে। নিশ্চয়ই ভাষাটা রপ্ত করার চেষ্টা করছেন?
হামজা: হ্যাঁ, একটু একটু পারি। আগে তেমন পারতাম না। বাবা আমাকে কিছুটা শিখিয়েছেন। মাঝেমধ্যে গুগলের সহায়তাও নিই। এভাবে বাংলা শেখার চেষ্টা করছি।
প্রশ্ন: আট বছর বয়সে লেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েছিলেন। মাঝে কয়েকটা ক্লাব ঘুরে আবার সেখানে খেলছেন। সব মিলিয়ে লেস্টারে সময়টা কেমন কাটছে?
হামজা চৌধুরী: আলহামদুলিল্লাহ, খুবই ভালো চলছে। এটা লম্বা একটা জার্নি। আমি বেশ উপভোগ করছি। মাঝে একটু চোটের সমস্যা ছিল। এখন আগের চেয়ে ভালো বোধ করছি। নিয়মিত অনুশীলনে যাচ্ছি। তবে নিজেকে তৈরি করতে কিছুটা বাড়তি শ্রম দিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে আমি এখানে (লেস্টার সিটি) ভালোই আছি।
প্রশ্ন: ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কোন স্মৃতি আপনার বেশি মনে পড়ে?
হামজা: যতটুকু মনে পড়ে, ছোটবেলায় মা-ই প্রথম আমার হাতে ফুটবল তুলে দিয়েছিলেন। তাঁর ধারণা ছিল, এতে যদি আমার কিছুটা এনার্জি বার্ন হয়। একদিন মায়ের সঙ্গে আমি লাফবোরো বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই। বছরখানেক সেখানে তাদের হয়ে ফুটবলও খেলি। এরপর নটিংহ্যাম ও লেস্টারে আমাকে ট্রায়াল দিতে বলা হয়। বাছাইটা ভালো হয়েছিল। কয়েক দিন পর দুটি ক্লাবই আমাকে যোগ দেওয়ার কথা বলে। একটু দ্বিধায় পড়ে যাই। এরপর ভেবেচিন্তে লেস্টারকে বেছে নিই। কারণ, ওখানে আমার কয়েকজন বন্ধু ছিল। তারা থাকায় ক্লাবটা পরিবারের মতো মনে হয়েছে। সহজে মানিয়েও নিতে পেরেছি।
প্রশ্ন: তাহলে তো বলার অপেক্ষা রাখে না, লেস্টার সিটিই আপনার সবচেয়ে প্রিয় ক্লাব।
হামজা: অবশ্যই, লেস্টার আমার প্রিয় ক্লাব। এখানে দীর্ঘদিন ধরেই আছি। তারা (সমর্থক ও ক্লাব কর্তৃপক্ষ) আমাকে ভীষণ ভালোবাসে। আমিও চাই এই ক্লাবে আরও অনেক দিন কাটিয়ে দিতে।
প্রশ্ন: ইংল্যান্ডে তো আরও অনেক নামীদামি ক্লাব আছে। ‘দ্য ফক্সেস’ কীভাবে আপনার এতটা পছন্দের হয়ে উঠেছে?
হামজা: আমার বয়স যখন সাত, তখন থেকেই নিয়মিত লেস্টারের ম্যাচ দেখতাম। মনে আছে, ম্যাচ শুরুর অনেক আগেই চাচার সঙ্গে আমি স্টেডিয়ামে হাজির হতাম। এমনকি ম্যাচ ছাড়াও অনুশীলন, প্রস্তুতি দেখতে যেতাম। সেই স্মৃতিগুলো এখনো আমাকে আনন্দ দেয়। কী সুন্দর ছিল দিনগুলো। তখন থেকে মনের মধ্যে লেস্টারের জন্য ভালোলাগা তৈরি হয়।
প্রশ্ন: কদিন পর নিশ্চয়ই বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন। এটি ভাবতেই কেমন অনুভব হয়?
হামজা: এটা (বাংলাদেশের হয়ে খেলা) দারুণ কিছু হতে যাচ্ছে। লাল-সবুজের জার্সিটা আমার পছন্দের। আমিও অপেক্ষায় আছি। বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারলে খুবই ভালো লাগবে। ইনশা আল্লাহ, মনে হয় দ্রুতই ইতিবাচক কোনো সংবাদ পাব। বাংলাদেশি পাসপোর্টও পেয়ে গেলাম। আমরা প্রস্তুতই আছি।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের লাখো-কোটি সমর্থক আপনার অপেক্ষায়। এই যে তাঁরা আপনাকে এতটা ভালোবাসেন, তাঁদের নিয়ে কী বললেন?
হামজা: এটা সত্যি আমার জন্য দারুণ ব্যাপার। বাবাও মাঝেমধ্যে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কতটা আমাকে পছন্দ করেন। তাঁরা আমার ম্যাচ দেখেন, উপভোগ করেন। এসব শুনলে গর্ব হয়। ইংল্যান্ডে বড় হলেও বাংলাদেশকে অনেক ভালোবাসি।
প্রশ্ন: ইংল্যান্ডে আপনার বেড়ে ওঠা। বাংলাদেশের ফুটবল সংস্কৃতি এবং পরিবেশের সঙ্গে যে দেশের অনেক পার্থক্য। বাংলাদেশে মানিয়ে নেওয়া কতটা চ্যালেঞ্জিং হবে?
হামজা: আসলে এটা (পরিবেশ-পরিস্থিতি) নিয়ে এখনো কিছু ভাবিনি। মনে হচ্ছে, মানিয়ে নেওয়া কঠিনই হবে। কারণ, আমি বাংলাদেশকে যতটুকু জানি, সেটা বোধ হয় পর্যাপ্ত নয়। সে জন্য আমাকে আরও প্রস্তুতি নিতে হবে। হয়তো প্রথম দিকে মানিয়ে নেওয়া অনেক বেশি কঠিন হবে। আশা করি পরে আর প্রতিবন্ধকতাগুলো থাকবে না।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের ফুটবল ঘিরে আপনার ব্যক্তিগত কোনো আশা বা পরিকল্পনা আছে?
হামজা: এখনো জানি না আমাকে কী করতে হবে। আগে বাংলাদেশের হয়ে খেলার সুযোগ হোক, এরপর নাহয় চিন্তা করব। আপাতত তাদের হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছি।
প্রশ্ন: কেন আপনার মনে হলো বাংলাদেশের হয়েই খেলা উচিত, সিদ্ধান্তটা কবে নিয়েছিলেন?
হামজা: বাংলাদেশের মানুষ চান, আমি সেখানে খেলি। তাঁরা আমাকে অনেক ভালোবাসেন। আমিও বাংলাদেশকে ভালোবাসি। এ কারণে সিদ্ধান্ত নিই, তাঁদের হয়ে খেলব। মা-বাবাও অপেক্ষায় আছেন। তাঁরা চান, আমি যেন বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামি। তাঁরা এটা (বাংলাদেশের হয়ে খেলা) দেখতে পারলে অনেক খুশি হবেন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের ফুটবল কি দেখার সুযোগ হয়?
হামজা: আসলে লেস্টারকে নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকতে হয়। ম্যাচ, অনুশীলন—এসব তো চলছেই। তবে মাঝেমধ্যে জামালদের খেলা দেখা হয়, সেটা অবশ্য খুব কম সময়।
প্রশ্ন: আপনি জেনে খুশি হবেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে (সাফ) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
হামজা: না, আমি জানি না, শুনিনি। তবে এটা দারুণ ব্যাপার! খুবই আনন্দের। তাদের (বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল) অভিনন্দন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে এলে বাংলায় কথা বলতে হতে পারে। নিশ্চয়ই ভাষাটা রপ্ত করার চেষ্টা করছেন?
হামজা: হ্যাঁ, একটু একটু পারি। আগে তেমন পারতাম না। বাবা আমাকে কিছুটা শিখিয়েছেন। মাঝেমধ্যে গুগলের সহায়তাও নিই। এভাবে বাংলা শেখার চেষ্টা করছি।

নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুই মাসও বাকি নেই। ভারত-শ্রীলঙ্কায় বৈশ্বিক এই ইভেন্ট আয়োজন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) নানারকম পরিকল্পনা রয়েছে। এই সময়ে বেকায়দায় পড়ল ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। ভারতীয় এক প্রতিষ্ঠানের কারণে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে আইসিসিকে।
২৬ মিনিট আগে
প্রথমবার সম্মানের কথা কথা ভেবে সবকিছু গোপন রেখেছিলেন সন হিউং মিন। কিন্তু দ্বিতীয়বার আর সেটা করেননি এই তারকা ফুটবলার। পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২ প্রতারককে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করেন। শেষ পর্যন্ত বড় শাস্তিই হয়েছে প্রতারকদের। ২ প্রতারকের একজন হলেন ইয়াং নামের ২০ বছর বয়সী এক তরণী।
১ ঘণ্টা আগে
চার মাসের প্রস্তুতিতে জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ যে ট্রফি নিয়ে ফিরবে, এমন ভাবাটাও বাড়াবাড়ি। প্রথমবারের মতো হকির যেকোনো পর্যায়ে বিশ্বকাপ খেলাই ছিল বাংলাদেশের কাছে বড় কিছু। সেখানে নিজেদের শুধু অংশগ্রহণেই সীমাবদ্ধ রাখেনি বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
মৌসুমের মাঝপথে এসে ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকা পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় টানা ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ভাগের পর আতলেতিক বিলবাওকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারল না তারা।
২ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুই মাসও বাকি নেই। ভারত-শ্রীলঙ্কায় বৈশ্বিক এই ইভেন্ট আয়োজন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) নানারকম পরিকল্পনা রয়েছে। এই সময়ে বেকায়দায় পড়ল ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। ভারতীয় এক প্রতিষ্ঠানের কারণে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে আইসিসিকে।
ভারতের রিলায়ান্সের জিওস্টার নামে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিডিয়া স্বত্বাধিকারীর চুক্তি ছিল চার বছরের। কিন্তু দ্য ইকোনমিক টাইমসের গত রাতের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, জিওস্টার আনুষ্ঠানিক এক চিঠি দিয়েছে। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে দুই বছর বাকি থাকতেই আইসিসির সঙ্গে সম্প্রচার স্বত্বের চুক্তি বাতিল করেছে জিওস্টার। তার ফলে আইসিসি ভারতে সম্প্রচার চুক্তির টাকার অংকটা বদলাতে যাচ্ছে। ২০২৬ থেকে ২০২৯ চক্রের জন্য প্রত্যেক বছর সম্প্রচার স্বত্ব থেকে ২৪০ কোটি ডলার আয় করবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ২৯৩৫০ কোটি টাকা। এর আগে আইসিসির ২০২৪ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত যে চুক্তি ছিল, তাতে অর্থের পরিমাণ ছিল বছর প্রতি ৩০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩৬৬৮৮ কোটি টাকা। আগের তুলনায় নতুন চুক্তিতে ক্ষতি ৭৩৩৮ কোটি টাকা।
জিওস্টার চুক্তি বাতিল করলেও আইসিসি একেবারে বসে নেই। ‘দ্য ইকোনমিক টাইমসের’ প্রতিবেদনে জানা গেছে, ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা সনি পিকচার নেটওয়ার্কস ইন্ডিয়া (এসপিএনআই), নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু মোটা অঙ্কের টাকার কারণে কোনো প্রতিষ্ঠানই আইসিসির সঙ্গে সম্প্রচার স্বত্বের চুক্তিতে রাজি হয়নি। তাতে করে ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা এক রকম খাদের কিনারায় পড়ে গেল। যদি আইসিসি নতুন কোনো সম্প্রচারক না পায়, জিওস্টারের বাধ্য হয়ে ২০২৭ পর্যন্ত চুক্তি সম্পন্ন করে যেতে হবে। প্রতিবেদনে জানা গেছে, জিও স্টার খরচ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৪-২৫ মৌসুমের জিওস্টারের ক্রীড়া চুক্তিটা করা হয়েছিল ২৫৭৬০ কোটি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৪৯৪৫ কোটি টাকা। আগের বছরে সেই অঙ্কটা ছিল ১২৩১৯ কোটি রুপি (১৬৭১৩ কোটি টাকা)।
ভারতীয় সরকার এরই মধ্যে রিয়েল মানি গেমিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়াতেই মূলত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে জিওস্টার। ‘দ্য ইকোনমিক টাইমস’-এর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ড্রিম ইলেভেন, মাই ইলেভেন সার্কেল বন্ধ করে দেওয়ার কারণে ৭০০০ কোটি রুপি ক্ষতি হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৯৫০০ কোটি টাকা। নতুন বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভারত-শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের ফাইনাল ৮ মার্চ। পাকিস্তান ফাইনালে উঠলে লঙ্কায় হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। তা না হলে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে ফাইনাল। ভারত এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে নামবে।

নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুই মাসও বাকি নেই। ভারত-শ্রীলঙ্কায় বৈশ্বিক এই ইভেন্ট আয়োজন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) নানারকম পরিকল্পনা রয়েছে। এই সময়ে বেকায়দায় পড়ল ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। ভারতীয় এক প্রতিষ্ঠানের কারণে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে আইসিসিকে।
ভারতের রিলায়ান্সের জিওস্টার নামে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিডিয়া স্বত্বাধিকারীর চুক্তি ছিল চার বছরের। কিন্তু দ্য ইকোনমিক টাইমসের গত রাতের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, জিওস্টার আনুষ্ঠানিক এক চিঠি দিয়েছে। সেই চিঠিতে বলা হয়েছে দুই বছর বাকি থাকতেই আইসিসির সঙ্গে সম্প্রচার স্বত্বের চুক্তি বাতিল করেছে জিওস্টার। তার ফলে আইসিসি ভারতে সম্প্রচার চুক্তির টাকার অংকটা বদলাতে যাচ্ছে। ২০২৬ থেকে ২০২৯ চক্রের জন্য প্রত্যেক বছর সম্প্রচার স্বত্ব থেকে ২৪০ কোটি ডলার আয় করবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ২৯৩৫০ কোটি টাকা। এর আগে আইসিসির ২০২৪ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত যে চুক্তি ছিল, তাতে অর্থের পরিমাণ ছিল বছর প্রতি ৩০০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩৬৬৮৮ কোটি টাকা। আগের তুলনায় নতুন চুক্তিতে ক্ষতি ৭৩৩৮ কোটি টাকা।
জিওস্টার চুক্তি বাতিল করলেও আইসিসি একেবারে বসে নেই। ‘দ্য ইকোনমিক টাইমসের’ প্রতিবেদনে জানা গেছে, ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা সনি পিকচার নেটওয়ার্কস ইন্ডিয়া (এসপিএনআই), নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু মোটা অঙ্কের টাকার কারণে কোনো প্রতিষ্ঠানই আইসিসির সঙ্গে সম্প্রচার স্বত্বের চুক্তিতে রাজি হয়নি। তাতে করে ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা এক রকম খাদের কিনারায় পড়ে গেল। যদি আইসিসি নতুন কোনো সম্প্রচারক না পায়, জিওস্টারের বাধ্য হয়ে ২০২৭ পর্যন্ত চুক্তি সম্পন্ন করে যেতে হবে। প্রতিবেদনে জানা গেছে, জিও স্টার খরচ দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৪-২৫ মৌসুমের জিওস্টারের ক্রীড়া চুক্তিটা করা হয়েছিল ২৫৭৬০ কোটি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৪৯৪৫ কোটি টাকা। আগের বছরে সেই অঙ্কটা ছিল ১২৩১৯ কোটি রুপি (১৬৭১৩ কোটি টাকা)।
ভারতীয় সরকার এরই মধ্যে রিয়েল মানি গেমিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়াতেই মূলত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে জিওস্টার। ‘দ্য ইকোনমিক টাইমস’-এর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ড্রিম ইলেভেন, মাই ইলেভেন সার্কেল বন্ধ করে দেওয়ার কারণে ৭০০০ কোটি রুপি ক্ষতি হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৯৫০০ কোটি টাকা। নতুন বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভারত-শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের ফাইনাল ৮ মার্চ। পাকিস্তান ফাইনালে উঠলে লঙ্কায় হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। তা না হলে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে ফাইনাল। ভারত এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে নামবে।

লাল-সবুজ জার্সি গায়ে খেলবেন হামজা চৌধুরী দেশের অনেক ফুটবলপ্রেমী হয়তো কল্পনার ক্যানভাসে এমন ছবিই আঁকছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লেস্টার সিটিতে খেলা এই ডিফেন্ডারও বাংলাদেশের হয়ে খেলতে ব্যাকুল।
০৫ নভেম্বর ২০২৪
প্রথমবার সম্মানের কথা কথা ভেবে সবকিছু গোপন রেখেছিলেন সন হিউং মিন। কিন্তু দ্বিতীয়বার আর সেটা করেননি এই তারকা ফুটবলার। পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২ প্রতারককে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করেন। শেষ পর্যন্ত বড় শাস্তিই হয়েছে প্রতারকদের। ২ প্রতারকের একজন হলেন ইয়াং নামের ২০ বছর বয়সী এক তরণী।
১ ঘণ্টা আগে
চার মাসের প্রস্তুতিতে জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ যে ট্রফি নিয়ে ফিরবে, এমন ভাবাটাও বাড়াবাড়ি। প্রথমবারের মতো হকির যেকোনো পর্যায়ে বিশ্বকাপ খেলাই ছিল বাংলাদেশের কাছে বড় কিছু। সেখানে নিজেদের শুধু অংশগ্রহণেই সীমাবদ্ধ রাখেনি বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
মৌসুমের মাঝপথে এসে ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকা পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় টানা ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ভাগের পর আতলেতিক বিলবাওকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারল না তারা।
২ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

প্রথমবার সম্মানের কথা কথা ভেবে সবকিছু গোপন রেখেছিলেন সন হিউং মিন। কিন্তু দ্বিতীয়বার আর সেটা করেননি এই তারকা ফুটবলার। পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২ প্রতারককে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করেন। শেষ পর্যন্ত বড় শাস্তিই হয়েছে প্রতারকদের।
২ প্রতারকের একজন হলেন ইয়াং নামের ২০ বছর বয়সী এক তরণী। সনকে ভ্রূণের আল্ট্রাসাউন্ড ছবি পাঠিয়েছিলেন তিনি। বিষয়টি জনসমক্ষে প্রকাশ হবে এই ভেবে সেই প্রতারককে দাবিকৃত ৩০০ মিলিয়ন কোরিয়ান ওন বা ২ লাখ মার্কিন ডলার দেন সাবেক টটেনহাম হটস্পার ফরোয়ার্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় আড়াই কোটি টাকা।
পরবর্তীতে প্রেমিক ইওংকে সঙ্গে নিয়ে সনের কাছে আরও ৭ কোটি ওন দাবি করেন ইয়াং। এ যাত্রায় আর তাদের ছেড়ে কথা বলেননি সন। গ্রেপ্তারের হওয়ার পর আজ দুজনকে সাজা দিয়েছে সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট। স্থানীয় টিভি জানিয়েছে, প্রতারণার জন্য ইয়াংকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতারণায় সহযোগিতা করার জন্য দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ইওংকে।
সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিচারকাজ চলার সময় গত মাসে আদালতে নিজের জবানবন্দী দিয়েছেন সন। বিচারক ইম জিওং বিন বলেছেন, সনের সুনাম নষ্ট করার জন্য বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন ইয়াং ও ইওং। তাই এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে তাদের।
২ প্রতারককে কারাদণ্ড দেওয়া পর জিওং বিন বলেন, ‘এটাকে কেবল হুমকি বা অর্থ দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার সুযোগ নেই। প্রতারকরা আরও বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। যেমন সংবাদমাধ্যম এবং বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলোকে অবহিত করেছে। তাদের পরিকল্পনা ছিল সনের মতো একজন পরিচিত মুখকে কাজে লাগানো। মামলাটি প্রকাশ্যে আসার ফলে সন যথেষ্ট মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছিলেন।’
ইয়াংয়ের যুক্তি সঠিক মনে হয়নি সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের কাছে। এ প্রসঙ্গে জিওই বিন বলেন, ‘গর্ভাবস্থার কথা জানার পর ইয়াং যাচাই করেননি যে এটি কার সন্তান। যদিও ইয়াং বলেছিলেন যে তিনি বিশ্বাস করেন যে ভ্রূণটি সনের। তার সাক্ষ্য অসঙ্গতিপূর্ণ ছিল। তাই এটা মেনে নেওয়া কঠিন।’

প্রথমবার সম্মানের কথা কথা ভেবে সবকিছু গোপন রেখেছিলেন সন হিউং মিন। কিন্তু দ্বিতীয়বার আর সেটা করেননি এই তারকা ফুটবলার। পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২ প্রতারককে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করেন। শেষ পর্যন্ত বড় শাস্তিই হয়েছে প্রতারকদের।
২ প্রতারকের একজন হলেন ইয়াং নামের ২০ বছর বয়সী এক তরণী। সনকে ভ্রূণের আল্ট্রাসাউন্ড ছবি পাঠিয়েছিলেন তিনি। বিষয়টি জনসমক্ষে প্রকাশ হবে এই ভেবে সেই প্রতারককে দাবিকৃত ৩০০ মিলিয়ন কোরিয়ান ওন বা ২ লাখ মার্কিন ডলার দেন সাবেক টটেনহাম হটস্পার ফরোয়ার্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় আড়াই কোটি টাকা।
পরবর্তীতে প্রেমিক ইওংকে সঙ্গে নিয়ে সনের কাছে আরও ৭ কোটি ওন দাবি করেন ইয়াং। এ যাত্রায় আর তাদের ছেড়ে কথা বলেননি সন। গ্রেপ্তারের হওয়ার পর আজ দুজনকে সাজা দিয়েছে সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট। স্থানীয় টিভি জানিয়েছে, প্রতারণার জন্য ইয়াংকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতারণায় সহযোগিতা করার জন্য দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ইওংকে।
সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিচারকাজ চলার সময় গত মাসে আদালতে নিজের জবানবন্দী দিয়েছেন সন। বিচারক ইম জিওং বিন বলেছেন, সনের সুনাম নষ্ট করার জন্য বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন ইয়াং ও ইওং। তাই এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে তাদের।
২ প্রতারককে কারাদণ্ড দেওয়া পর জিওং বিন বলেন, ‘এটাকে কেবল হুমকি বা অর্থ দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার সুযোগ নেই। প্রতারকরা আরও বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। যেমন সংবাদমাধ্যম এবং বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলোকে অবহিত করেছে। তাদের পরিকল্পনা ছিল সনের মতো একজন পরিচিত মুখকে কাজে লাগানো। মামলাটি প্রকাশ্যে আসার ফলে সন যথেষ্ট মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছিলেন।’
ইয়াংয়ের যুক্তি সঠিক মনে হয়নি সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের কাছে। এ প্রসঙ্গে জিওই বিন বলেন, ‘গর্ভাবস্থার কথা জানার পর ইয়াং যাচাই করেননি যে এটি কার সন্তান। যদিও ইয়াং বলেছিলেন যে তিনি বিশ্বাস করেন যে ভ্রূণটি সনের। তার সাক্ষ্য অসঙ্গতিপূর্ণ ছিল। তাই এটা মেনে নেওয়া কঠিন।’

লাল-সবুজ জার্সি গায়ে খেলবেন হামজা চৌধুরী দেশের অনেক ফুটবলপ্রেমী হয়তো কল্পনার ক্যানভাসে এমন ছবিই আঁকছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লেস্টার সিটিতে খেলা এই ডিফেন্ডারও বাংলাদেশের হয়ে খেলতে ব্যাকুল।
০৫ নভেম্বর ২০২৪
নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুই মাসও বাকি নেই। ভারত-শ্রীলঙ্কায় বৈশ্বিক এই ইভেন্ট আয়োজন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) নানারকম পরিকল্পনা রয়েছে। এই সময়ে বেকায়দায় পড়ল ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। ভারতীয় এক প্রতিষ্ঠানের কারণে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে আইসিসিকে।
২৬ মিনিট আগে
চার মাসের প্রস্তুতিতে জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ যে ট্রফি নিয়ে ফিরবে, এমন ভাবাটাও বাড়াবাড়ি। প্রথমবারের মতো হকির যেকোনো পর্যায়ে বিশ্বকাপ খেলাই ছিল বাংলাদেশের কাছে বড় কিছু। সেখানে নিজেদের শুধু অংশগ্রহণেই সীমাবদ্ধ রাখেনি বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
মৌসুমের মাঝপথে এসে ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকা পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় টানা ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ভাগের পর আতলেতিক বিলবাওকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারল না তারা।
২ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চার মাসের প্রস্তুতিতে জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ যে ট্রফি নিয়ে ফিরবে, এমন ভাবাটাও বাড়াবাড়ি। প্রথমবারের মতো হকির যেকোনো পর্যায়ে বিশ্বকাপ খেলাই ছিল বাংলাদেশের কাছে বড় কিছু। সেখানে নিজেদের শুধু অংশগ্রহণেই সীমাবদ্ধ রাখেনি বাংলাদেশ। ছিল লড়াকু মানসিকতা, সেটিই এনে দিয়েছে সাফল্য।
১৭ তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে আজ মাদুরাই আন্তর্জাতিক হকি স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। জিতলেই মিলবে চ্যালেঞ্জার্স কাপের নামক এক শিরোপা। কোচ সিগফ্রাইড আইকম্যান দলের প্রস্তুতি নিয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মূলত আমরা এখন পর্যন্ত যেভাবে খেলেছি, সেভাবেই খেলতে চাই, তবে পারফরম্যান্স আরও উন্নত করা এবং ভুল কমানোই লক্ষ্য। আগের ম্যাচগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে যেন আরও ভালো খেলতে পারি, সেটাই চেষ্টা।’
গ্রুপপর্বে বাংলাদেশ পেয়েছিল একবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া ও গতবারের রানার্সআপ ফ্রান্স। দুই দলে কাছে হারলেও ব্যবধান বড় রাখেনি। এমন ম্যাচে ফেরার জন্য লড়াই করেছে প্রাণপণ। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ৩ গোলে পিছিয়ে থাকার পরও ম্যাচ শেষ করে ৩-৩ গোলের ড্রয়ে। সেই কোরিয়াকে স্থান নির্ধারণী ম্যাচে উড়িয়ে দিয়েছে ৫-৩ গোলে। এর আগে ওমানকে তো পাত্তাই দেয়নি। আদায় করে নেয় ১৩-০ গোলের জয়।
অনূর্ধ্ব-২১ দলের এমন পারফরম্যান্স দেশের হকির পালে নতুন হাওয়া এনে দিয়েছে। সাবেকরাও দেখতে পাচ্ছেন সম্ভাবনার জোয়ার। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রফিকুল ইসলাম কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের এমন পারফরম্যান্স মনে হয় না কেউ প্রত্যাশা করেছে। গ্রুপে যে ধরনের শক্তিশালী দল পড়েছে, একটু সহজ গ্রুপে পড়লে হয়তো কোয়ার্টার ফাইনালে আমরা চলে যেতে পারতাম।’
৫ ম্যাচে ৪ হ্যাটট্রিকসহ ১৫ গোল করে আলো ছড়িয়েছেন পেনাল্টি কর্নার বিশেষজ্ঞ আমিরুল ইসলাম। তাঁকে নিয়ে সাবেক অধিনায়ক মাহমুদুর রহমান চয়ন বলেন, ‘পেনাল্টি কর্নার বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রথাটা আমি শুরু করেছিলাম। এখন আশরাফুল-সবুজ আছে। আমিরুল আসায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়ে যাবে।’
আমিরুলদের এমন পারফরম্যান্সের পরও ভবিষ্যৎ নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। অবশ্য দেশের হকির চিত্রটা এমনই, মাঝেমধ্যে আলোড়ন তুলে লম্বা সময়ের জন্য ঝিমিয়ে পড়া। আন্তর্জাতিক ম্যাচ তো দূরের কথা, ঘরোয়া লিগও হচ্ছে না নিয়মিত।
আমিরুল-রকিদের উন্নতির রাস্তায় বাধা তাই প্রতিনিয়ত। চয়ন বলেন, ‘আমরা যখন খেলেছি, সে সময় এ রকম বেশ কয়েকটা রেজাল্ট করেছি, যেটা আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু হকি ওই আগের জায়গায় থেকে গেছে। এই দলকে সুযোগ-সুবিধা দিলে মনে হয়, ভালো একটা সম্ভাবনা আছে। কিন্তু ওই যে টুর্নামেন্ট খেলে আসার পরে যেন আবার সবাই হারিয়ে না যায়।’
কামালও অনেকটা একই সুরে বলেন, ‘আমাদের কাঠামো দুর্বল। তো বিশেষ করে ঘরোয়া লিগ তো হয়ই না; আন্তর্জাতিক ম্যাচের বাইরে আমরা সেভাবে খেলি না। এই দলটা বছরে ৩০ থেকে ৪০ ম্যাচ যেন খেলতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।’
হকির উন্নতিতে পৃষ্ঠপোষকদের এগিয়ে আসা দরকার—মনে করেন কোচ। তিনি বলেন, ‘তাদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক খেলা চালিয়ে যেতে হবে এবং আরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। হকির জন্য এমন স্পনসর দরকার, যারা এই প্রতিভাগুলোকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে না পারলে অল্প সময়ে তাদের অগ্রগতি নষ্ট হয়ে যাবে।’

চার মাসের প্রস্তুতিতে জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ যে ট্রফি নিয়ে ফিরবে, এমন ভাবাটাও বাড়াবাড়ি। প্রথমবারের মতো হকির যেকোনো পর্যায়ে বিশ্বকাপ খেলাই ছিল বাংলাদেশের কাছে বড় কিছু। সেখানে নিজেদের শুধু অংশগ্রহণেই সীমাবদ্ধ রাখেনি বাংলাদেশ। ছিল লড়াকু মানসিকতা, সেটিই এনে দিয়েছে সাফল্য।
১৭ তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে আজ মাদুরাই আন্তর্জাতিক হকি স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। জিতলেই মিলবে চ্যালেঞ্জার্স কাপের নামক এক শিরোপা। কোচ সিগফ্রাইড আইকম্যান দলের প্রস্তুতি নিয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মূলত আমরা এখন পর্যন্ত যেভাবে খেলেছি, সেভাবেই খেলতে চাই, তবে পারফরম্যান্স আরও উন্নত করা এবং ভুল কমানোই লক্ষ্য। আগের ম্যাচগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে যেন আরও ভালো খেলতে পারি, সেটাই চেষ্টা।’
গ্রুপপর্বে বাংলাদেশ পেয়েছিল একবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া ও গতবারের রানার্সআপ ফ্রান্স। দুই দলে কাছে হারলেও ব্যবধান বড় রাখেনি। এমন ম্যাচে ফেরার জন্য লড়াই করেছে প্রাণপণ। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ৩ গোলে পিছিয়ে থাকার পরও ম্যাচ শেষ করে ৩-৩ গোলের ড্রয়ে। সেই কোরিয়াকে স্থান নির্ধারণী ম্যাচে উড়িয়ে দিয়েছে ৫-৩ গোলে। এর আগে ওমানকে তো পাত্তাই দেয়নি। আদায় করে নেয় ১৩-০ গোলের জয়।
অনূর্ধ্ব-২১ দলের এমন পারফরম্যান্স দেশের হকির পালে নতুন হাওয়া এনে দিয়েছে। সাবেকরাও দেখতে পাচ্ছেন সম্ভাবনার জোয়ার। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক রফিকুল ইসলাম কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের এমন পারফরম্যান্স মনে হয় না কেউ প্রত্যাশা করেছে। গ্রুপে যে ধরনের শক্তিশালী দল পড়েছে, একটু সহজ গ্রুপে পড়লে হয়তো কোয়ার্টার ফাইনালে আমরা চলে যেতে পারতাম।’
৫ ম্যাচে ৪ হ্যাটট্রিকসহ ১৫ গোল করে আলো ছড়িয়েছেন পেনাল্টি কর্নার বিশেষজ্ঞ আমিরুল ইসলাম। তাঁকে নিয়ে সাবেক অধিনায়ক মাহমুদুর রহমান চয়ন বলেন, ‘পেনাল্টি কর্নার বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রথাটা আমি শুরু করেছিলাম। এখন আশরাফুল-সবুজ আছে। আমিরুল আসায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেড়ে যাবে।’
আমিরুলদের এমন পারফরম্যান্সের পরও ভবিষ্যৎ নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। অবশ্য দেশের হকির চিত্রটা এমনই, মাঝেমধ্যে আলোড়ন তুলে লম্বা সময়ের জন্য ঝিমিয়ে পড়া। আন্তর্জাতিক ম্যাচ তো দূরের কথা, ঘরোয়া লিগও হচ্ছে না নিয়মিত।
আমিরুল-রকিদের উন্নতির রাস্তায় বাধা তাই প্রতিনিয়ত। চয়ন বলেন, ‘আমরা যখন খেলেছি, সে সময় এ রকম বেশ কয়েকটা রেজাল্ট করেছি, যেটা আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু হকি ওই আগের জায়গায় থেকে গেছে। এই দলকে সুযোগ-সুবিধা দিলে মনে হয়, ভালো একটা সম্ভাবনা আছে। কিন্তু ওই যে টুর্নামেন্ট খেলে আসার পরে যেন আবার সবাই হারিয়ে না যায়।’
কামালও অনেকটা একই সুরে বলেন, ‘আমাদের কাঠামো দুর্বল। তো বিশেষ করে ঘরোয়া লিগ তো হয়ই না; আন্তর্জাতিক ম্যাচের বাইরে আমরা সেভাবে খেলি না। এই দলটা বছরে ৩০ থেকে ৪০ ম্যাচ যেন খেলতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।’
হকির উন্নতিতে পৃষ্ঠপোষকদের এগিয়ে আসা দরকার—মনে করেন কোচ। তিনি বলেন, ‘তাদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক খেলা চালিয়ে যেতে হবে এবং আরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। হকির জন্য এমন স্পনসর দরকার, যারা এই প্রতিভাগুলোকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে না পারলে অল্প সময়ে তাদের অগ্রগতি নষ্ট হয়ে যাবে।’

লাল-সবুজ জার্সি গায়ে খেলবেন হামজা চৌধুরী দেশের অনেক ফুটবলপ্রেমী হয়তো কল্পনার ক্যানভাসে এমন ছবিই আঁকছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লেস্টার সিটিতে খেলা এই ডিফেন্ডারও বাংলাদেশের হয়ে খেলতে ব্যাকুল।
০৫ নভেম্বর ২০২৪
নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুই মাসও বাকি নেই। ভারত-শ্রীলঙ্কায় বৈশ্বিক এই ইভেন্ট আয়োজন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) নানারকম পরিকল্পনা রয়েছে। এই সময়ে বেকায়দায় পড়ল ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। ভারতীয় এক প্রতিষ্ঠানের কারণে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে আইসিসিকে।
২৬ মিনিট আগে
প্রথমবার সম্মানের কথা কথা ভেবে সবকিছু গোপন রেখেছিলেন সন হিউং মিন। কিন্তু দ্বিতীয়বার আর সেটা করেননি এই তারকা ফুটবলার। পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২ প্রতারককে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করেন। শেষ পর্যন্ত বড় শাস্তিই হয়েছে প্রতারকদের। ২ প্রতারকের একজন হলেন ইয়াং নামের ২০ বছর বয়সী এক তরণী।
১ ঘণ্টা আগে
মৌসুমের মাঝপথে এসে ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকা পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় টানা ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ভাগের পর আতলেতিক বিলবাওকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারল না তারা।
২ ঘণ্টা আগেক্রীড়া ডেস্ক

মৌসুমের মাঝপথে এসে ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকা পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় টানা ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ভাগের পর আতলেতিক বিলবাওকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারল না তারা। লিগে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে তাদের মাঠ থেকে ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে সেলতা ভিগো। হারের পর রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রিয়ালের কোচ জাবি আলোনসো।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে হারের দিন ৯ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করে রিয়াল। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে ৬৪ মিনিটে মাঠ ছাড়েন লস ব্লাঙ্কোসদের লেফট ব্যাক ফ্রান গার্সিয়া। ক্যারেইরা ও সুইডবার্গকে ফাউল করেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার। যোগ করা সময়ে রেফারির সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়ে লাল কার্ড দেখেন আলভারো কারেরাস। এছাড়া নষ্ট হওয়া সময় নিয়েও উঠেছে বিতর্ক। সব মিলিয়ে ম্যাচ শেষে রেফারি আলেহান্দ্রো কুইন্তেরোর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন আলোনসো।
রিয়াল কোচ বলেন, ‘রেফারির বেশকিছু সিদ্ধান্ত আমাদের ভালো লাগেনি। ম্যাচে সময় নষ্ট হয়েছে। সেসব বিবেচনায় আনা হয়নি। প্রতিপক্ষ দল আমাদের গতি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। রেফারির সেসব হতে দিয়েছে। কারেরাসকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। সেটা নিয়েও বিতর্ক আছে বেশ। এই সিদ্ধান্ত আমার ভালো লাগেনি। এসব ঘটনার কারণে আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি। সে আমাদের কিছুটা সময় ম্যাচের বাইরে ব্যস্ত রেখেছিল।’
সেলতার কাছে হেরে বার্সেলোনাকে টেবিলের শীর্ষস্থান সুসংহত করতে সাহায্য করল রিয়াল। ১৬ ম্যাচ শেষে মাদ্রিদের ক্লাবটির সংগ্রহ ৩৬ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে কাতালানদের পুঁজি ৪০ পয়েন্ট। শিরোপার লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়লেও এখনই আশাহত হচ্ছেন না আলোনসো। পরবর্তী ২২ রাউন্ডের দিকে তাকিয়ে তিনি।
আলোনসো বলেন, ‘আসলে ফুটবল এমনই। আমারদের সামনের দিকে তাকাতে হবে। আমরা আমাদের প্রত্যাশা সম্পর্কে জানি। এই হার আমাদের কষ্ট দেবে। তবে সামনে তাকাতে হবে। এই হারের দায় আমাদের সবার। সবকিছু ভালোভাবে করতে হবে। আমরা জানি যে, আমরা বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হারিয়েছি। তাই বলে সেসবই চূড়ান্ত নির্ধারক নয়। এখনো সামনে অনেক পথ বাকি আছে।’

মৌসুমের মাঝপথে এসে ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকা পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় টানা ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ভাগের পর আতলেতিক বিলবাওকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারল না তারা। লিগে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে তাদের মাঠ থেকে ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে সেলতা ভিগো। হারের পর রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রিয়ালের কোচ জাবি আলোনসো।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে হারের দিন ৯ জন নিয়ে ম্যাচ শেষ করে রিয়াল। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে ৬৪ মিনিটে মাঠ ছাড়েন লস ব্লাঙ্কোসদের লেফট ব্যাক ফ্রান গার্সিয়া। ক্যারেইরা ও সুইডবার্গকে ফাউল করেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার। যোগ করা সময়ে রেফারির সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়ে লাল কার্ড দেখেন আলভারো কারেরাস। এছাড়া নষ্ট হওয়া সময় নিয়েও উঠেছে বিতর্ক। সব মিলিয়ে ম্যাচ শেষে রেফারি আলেহান্দ্রো কুইন্তেরোর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন আলোনসো।
রিয়াল কোচ বলেন, ‘রেফারির বেশকিছু সিদ্ধান্ত আমাদের ভালো লাগেনি। ম্যাচে সময় নষ্ট হয়েছে। সেসব বিবেচনায় আনা হয়নি। প্রতিপক্ষ দল আমাদের গতি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। রেফারির সেসব হতে দিয়েছে। কারেরাসকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। সেটা নিয়েও বিতর্ক আছে বেশ। এই সিদ্ধান্ত আমার ভালো লাগেনি। এসব ঘটনার কারণে আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি। সে আমাদের কিছুটা সময় ম্যাচের বাইরে ব্যস্ত রেখেছিল।’
সেলতার কাছে হেরে বার্সেলোনাকে টেবিলের শীর্ষস্থান সুসংহত করতে সাহায্য করল রিয়াল। ১৬ ম্যাচ শেষে মাদ্রিদের ক্লাবটির সংগ্রহ ৩৬ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে কাতালানদের পুঁজি ৪০ পয়েন্ট। শিরোপার লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়লেও এখনই আশাহত হচ্ছেন না আলোনসো। পরবর্তী ২২ রাউন্ডের দিকে তাকিয়ে তিনি।
আলোনসো বলেন, ‘আসলে ফুটবল এমনই। আমারদের সামনের দিকে তাকাতে হবে। আমরা আমাদের প্রত্যাশা সম্পর্কে জানি। এই হার আমাদের কষ্ট দেবে। তবে সামনে তাকাতে হবে। এই হারের দায় আমাদের সবার। সবকিছু ভালোভাবে করতে হবে। আমরা জানি যে, আমরা বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হারিয়েছি। তাই বলে সেসবই চূড়ান্ত নির্ধারক নয়। এখনো সামনে অনেক পথ বাকি আছে।’

লাল-সবুজ জার্সি গায়ে খেলবেন হামজা চৌধুরী দেশের অনেক ফুটবলপ্রেমী হয়তো কল্পনার ক্যানভাসে এমন ছবিই আঁকছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লেস্টার সিটিতে খেলা এই ডিফেন্ডারও বাংলাদেশের হয়ে খেলতে ব্যাকুল।
০৫ নভেম্বর ২০২৪
নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুই মাসও বাকি নেই। ভারত-শ্রীলঙ্কায় বৈশ্বিক এই ইভেন্ট আয়োজন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) নানারকম পরিকল্পনা রয়েছে। এই সময়ে বেকায়দায় পড়ল ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। ভারতীয় এক প্রতিষ্ঠানের কারণে মোটা অঙ্কের টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে আইসিসিকে।
২৬ মিনিট আগে
প্রথমবার সম্মানের কথা কথা ভেবে সবকিছু গোপন রেখেছিলেন সন হিউং মিন। কিন্তু দ্বিতীয়বার আর সেটা করেননি এই তারকা ফুটবলার। পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ২ প্রতারককে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা করেন। শেষ পর্যন্ত বড় শাস্তিই হয়েছে প্রতারকদের। ২ প্রতারকের একজন হলেন ইয়াং নামের ২০ বছর বয়সী এক তরণী।
১ ঘণ্টা আগে
চার মাসের প্রস্তুতিতে জুনিয়র হকি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া বাংলাদেশ যে ট্রফি নিয়ে ফিরবে, এমন ভাবাটাও বাড়াবাড়ি। প্রথমবারের মতো হকির যেকোনো পর্যায়ে বিশ্বকাপ খেলাই ছিল বাংলাদেশের কাছে বড় কিছু। সেখানে নিজেদের শুধু অংশগ্রহণেই সীমাবদ্ধ রাখেনি বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে