
রিয়াল মাদ্রিদের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর কোচ হিসেবে জোসে মরিনিয়োকে ফেরানোর ঘোষণা দিলেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। টানা দুটি ব্যর্থ মৌসুম শেষে নিজেদের চেনা রূপে ফেরার লক্ষ্যেই দ্য স্পেশাল ওয়ানকে ফেরাচ্ছেন লস ব্লাঙ্কোসদের এই দক্ষ সংগঠক।
নির্বাচনী প্রচারণার সময়ই পেরেজ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তিনি দায়িত্বে থাকলে আলভারো আরবেলোয়াকে পরিবর্তন করে মরিনিয়োকে ডাগআউটে ফেরাবেন। এখনো রিয়ালের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও গর্তুগিজ কোচ যে ইউরোপ তথা ইতিহাসের সফলতম ক্লাবে ফিরছেন, সেটা এখন নিশ্চিত।
এর আগে ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রিয়ালের দায়িত্বে ছিলেন মরিনিয়ো। ওই সময়ে ১৭৪ ম্যাচের ১২৬টিতেই জয়লাভ করে মাদ্রিদের ক্লাবটি। ৭২.৪% শতাংশ ম্যাচ জিতে ক্লাব ইতিহাসে অন্যতম সফল কোচ হিসেবে জায়গা করে নেন। মরিনিয়োর অধীনে একটি করে লা লিগা, কোপা দেল রে এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ জেতে রিয়াল। তাঁর বিদায়ের পর ক্লাবটি ১৩ বছরে মাত্র চারবার লিগ শিরোপা জিতেছে।
সংবাদ সম্মেলনে মরিনিয়ো প্রসঙ্গে পেরেজ বলেন, ‘বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা গর্বিত, এবং বিশ্বের সেরা কোচদের একজন—হোসে মোরিনহো, একজন মাদ্রিদিস্টা—তাকে আবার স্বাগত জানাতে পেরে গর্বিত। মুরিনিয়ো কবে আসবেন? আমি জানি না। তবে যত দ্রুত সম্ভব সে এখানে আসবেন। তিনি ফিরে আসতে পেরে খুবই খুশি।’
গত দুই মৌসুমে শিরোপাহীন থাকার পর পেরেজ আবারও ক্লাবকে সাফল্যের ধারায় ফেরাতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, ‘আমরা নির্বাচন জিতেছি এবং শিরোপা জয়ের ধারা বজায় রাখতে কাজ চালিয়ে যাব। আমি এখনো রিয়ালে আছি এবং রিয়ালকে সঠিক পথেই রাখতেই চাই। আমরা কাজ চালিয়ে যাব যাতে রিয়াল আরও শিরোপা জিততে পারে এবং আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করব ১৬তম চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার জন্য। আমরা সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়াম নিয়ে গর্ব করতে থাকব। এটা বিশ্বের সেরা স্টেডিয়াম। নিশ্চিত থাকুন, আমি সভাপতি থাকা অবস্থায় রিয়াল ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও সব সময় সদস্যদের মালিকানাধীন ক্লাবই থাকবে।’
মরিনিয়ো বর্তমানে বেনফিকার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। এই কোচের অধীনে সবশেষ লিগ মৌসুমে তৃতীয় হয়েছে বেনফিকা। পর্তুগিজ ক্লাবটি পুরো মৌসুমে অপরাজিত ছিল। কিছু দিন ধরেই বেনফিকাতে মরিনিয়োর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এবার একে একে দুই মিলে যাওয়ায় রিয়ালে ফিরছেন তিনি।

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
২ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৪ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৫ ঘণ্টা আগে