
বিশ্বকাপের শিরোপা লড়াই এখনো অনেক দূরের গল্প। কিন্তু আরেকটি লড়াই ইতিমধ্যে দর্শকদের দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছে—গোল্ডেন বুটের দৌড়। আর সেই দৌড়ে এখন সবচেয়ে উজ্জ্বল তিন নাম—লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড।
তিনজনের বয়স, অভিজ্ঞতা ও ক্যারিয়ারের অবস্থান ভিন্ন। একজন বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা, একজন বর্তমান সময়ের সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণ-ভাগের তারকা, আরেকজন ভবিষ্যতের ফুটবল সাম্রাজ্যের দাবিদার। কিন্তু গোলের হিসাবে তারা এখন একই মঞ্চে।
আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি বয়সকে বরাবরের মতো বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলেছেন। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দুই গোল করে তিনি শুধু দলকে জেতাননি, বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যাও নিয়ে গেছেন ১৮-তে। এর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ, সবচেয়ে বেশি জয় এবং সবচেয়ে বেশি সময় মাঠে থাকার রেকর্ডও যোগ হয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
তবে মেসির ম্যাচটি আরও স্মরণীয় হতে পারত। পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারলে হ্যাটট্রিকও হয়ে যেত। সেই সুযোগ হাতছাড়া হলেও ম্যাচের বাকি সময়ে তিনি আবারও দেখিয়েছেন, কেন তাঁকে এখনো ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চের অন্যতম প্রধান নায়ক ধরা হয়।
মেসির ঠিক পেছনেই ছুটছেন এমবাপ্পে। সেনেগালের বিপক্ষে দুই গোল করে ফরাসি ফরোয়ার্ড বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপ যেন তাঁর সবচেয়ে প্রিয় মঞ্চ। মাত্র ১৬ ম্যাচ খেলেই বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬। এই গতিতে চলতে থাকলে একদিন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকার শীর্ষে তাঁর নাম দেখাটা অস্বাভাবিক হবে না।
বিশেষ করে সেনেগালের বিপক্ষে তাঁর প্রথম গোলটি ছিল মনে রাখার মতো। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেওয়া সেই মুহূর্ত ইতিমধ্যে টুর্নামেন্টের সেরা গোলগুলোর আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে।
আর এই দুই মহাতারকার মাঝখানে নিজের জায়গা শক্ত করে নিচ্ছেন হালান্ড। এটি তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ, কিন্তু দেখে বোঝার উপায় নেই। ইরাকের পর সেনেগালের বিপক্ষেও জোড়া গোল করে নরওয়েকে ২৮ বছর পর নকআউট পর্বে তুলেছেন তিনি।
হালান্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সুযোগকে গোলে রূপ দেওয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা। দুই ম্যাচে চার গোল করে তিনি ইতিমধ্যেই গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে নিজেকে দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নরওয়ে ফেবারিট না হলেও তাদের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু এই স্ট্রাইকার যেকোনো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন একাই।
গোল্ডেন বুটের এই লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করেছে তিন তারকার তিনটি আলাদা গল্প। মেসি খেলছেন নিজের শেষ বিশ্বকাপের স্মরণীয় অধ্যায় লিখতে, এমবাপ্পে চাইছেন নিজের আধিপত্য আরও দৃঢ় করতে, আর হালান্ড শুরু করেছেন নতুন এক যুগের ঘোষণা।
বিশ্বকাপের শেষ বাঁশি বাজতে এখনো অনেক দেরি। কিন্তু একটি বিষয় পরিষ্কার—গোলের মুকুটের জন্য মেসি, এমবাপ্পে ও হালান্ডের এই ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে উপভোগ্য লড়াইগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। কে শেষ পর্যন্ত সবার ওপরে থাকবেন, সেটিই এখন কোটি ফুটবলপ্রেমীর কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু।

বিশ্বকাপের মাঝপথেই বড় এক ধাক্কা খেলেন ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে জরুরি ভিত্তিতে ফ্রান্সে ফিরে যাচ্ছেন তিনি। ফলে শুক্রবার নরওয়ের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের ডাগআউটে দেখা যাবে না তাঁকে।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিলের ‘ও গ্লোবো’ পত্রিকা একটা মজার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাদের দলের নকআউটের সম্ভাব্য সূচি নিয়ে। প্রতিবেদনের শিরোনাম—‘গ্রুপে ১ম, ২য় নাকি ৩য়—ব্রাজিলের ম্যাচের দিন কাজে বেশি ছুটি পেতে কোন ফল সমর্থন করবেন?’ কেন এই প্রতিবেদন, সেটির ব্যাখ্যায় গ্লোবো লিখেছে, ‘বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে...
১ ঘণ্টা আগে
বজ্রপাতের তাণ্ডবে ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ডে খেলা বন্ধ থাকল দুই ঘণ্টার বেশি সময়। কিন্তু বৈরী আবহাওয়াও দমাতে পারেনি কিলিয়ান এমবাপ্পেকে। মাঠের খেলায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে নিজের শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাইলফলককে রাঙালেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
১ ঘণ্টা আগে
প্রথম ম্যাচের পর যারা তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ দেখে ফেলেছিলেন, তাঁদের জন্য মাঠেই তৈরি করে রেখেছিলেন মোক্ষম জবাব। ২০২৬ বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে দলকে ৫-০ ব্যবধানের বড় জয় এনে দেওয়ার পর সমালোচকদের এক হাত নিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ম্যাচ শেষ হতেই মাঠের ভেতরের ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে তিন
১ ঘণ্টা আগে