টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আর ভারতের কোচের দায়িত্বে নেই রবি শাস্ত্রী। নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন রাহুল দ্রাবিড়। তবে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফের দাবি, শাস্ত্রীকে প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে লতিফ জানান, কোচিং পদ থেকে শাস্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল গাঙ্গুলির। শাস্ত্রীকে সরানোর প্রক্রিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগ থেকে শুরু হয়েছিল। তাঁর দাবি, ‘অনিল কুম্বলেকে ভুলভাবে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সময়ই সবকিছু শুরু হয়েছিল। শাস্ত্রী সম্ভবত কোনো কোচিং প্রশিক্ষণ নেননি। তার পরও সরাসরি কোচ হিসেবে যোগ দেন তিনি। কুম্বলের টেস্ট উইকেট ছিল ছয় শতাধিক। তাঁর সঙ্গী ছিলেন গাঙ্গুলি ও দ্রাবিড়।’
কুম্বলে, গাঙ্গুলি ও দ্রাবিড় ত্রয়ী খুব শক্তিশালী জানিয়ে লতিফ আরও বলেন, ‘এই ত্রিমূর্তি শক্তিশালী হওয়ায় গাঙ্গুলি শাস্ত্রীকে বলেছিলেন—বস, চলে যাওয়ার সময় হয়েছে। শাস্ত্রী হয়তো কোচ হিসেবে চালিয়ে যাওয়ার কথাই ভেবেছিলেন। কিন্তু এই পুরো প্রক্রিয়াটা শুরু হয়েছিল টি-বিশ্বকাপের আগে থেকেই।’
ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে বিপদের মুখে ভারতীয় ক্রিকেট। নব্বইয়ের দশকে যেমনটা পাকিস্তান ক্রিকেটে হয়েছিল। লতিফ বলেন, ‘ব্যক্তিগত আক্রোশের প্রভাব পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেটে। নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে পাকিস্তানের ক্রিকেটে যা হয়েছিল, এখন ভারতীয় ক্রিকেটে তেমনটাই ঘটছে।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২২ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে