এমন সমাপ্তি কে না চায়। কত অধীর অপেক্ষার পর এই ফল। খেলোয়াড়ি জীবনে কখনো বিশ্বকাপ জেতা হয়নি রাহুল দ্রাবিড়ের। শিরোপার দেখা ঘুচছিল না কোচিং ক্যারিয়ারেও। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে অপেক্ষার প্রহর ফুরাতেই ভারতের কোচিং ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটল দ্রাবিড়ের।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই ভারতীয় দলের কোচিং পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন দ্রাবিড়। শেষটা এভাবে রাঙাতে পেরে নিশ্চয়ই মাথা উঁচু করেই ডাগ-আউট ছাড়বেন তিনি। বিশ্বকাপ শেষে চাকরি ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে অবশ্য একটু মজা করলেন দ্রাবিড়। ফাইনালে এমন জয়ের পর সবকিছু নতুন করে শুরু করবে কিনা এমন প্রশ্নে বলেছেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই। আমি মনে করি, সামনের সপ্তাহ থেকে জীবন আবার আগের মতোই হয়ে যাবে। শুধু আমি বেকার হয়ে যাব, এটাই পার্থক্য। সুতরাং আমি আগামী সপ্তাহ থেকেই বেকার হয়ে যাচ্ছি। কোনো চাকরি হবে? (হাসি) না আসলে এটা সত্যিই অনেক বড় মুহূর্ত।’
২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ভারতের ডাগ-আউট সামলানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। দায়িত্ব নেওয়ার পরের বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল হেরে কোচিং ক্যারিয়ারে প্রথম শিরোপা জেতার সুযোগ হাতছাড়া করেন দ্রাবিড়। পরের বছর ২০২৪ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও ঘরের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতাতেও ব্যর্থ হয় দল। তারপর দলের সঙ্গে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত আরও এক বছর চুক্তি বৃদ্ধি করেন এই কোচ।
খেলোয়াড়ি জীবনে শিরোপা জয়ের ব্যর্থতা শেষে কোচিং ক্যারিয়ারও শিরোপাহীন থাকার শঙ্কা জেগে উঠেছিল। এবারের টি-বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রায় হেরে যেতে বসেছিল তার দল। বোলারদের অসাধারণ বোলিং নৈপুণ্যে সব শঙ্কা দূর করে শিরোপা জিতে নেয় ভারত তার সঙ্গে দ্রাবিড়ের বিদায়ও হয় রাজসিক।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩১ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে