দুই বছরেরও বেশি সময় পর গত এশিয়া কাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সেঞ্চুরির খরা কাটিয়েছেন বিরাট কোহলি। ঘরের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত সিরিজ দিয়ে টেস্ট সেঞ্চুরির অপেক্ষাও ঘুচেছে তাঁর। ভারতের সাবেক অধিনায়কের সামনে এখন শচীন টেন্ডুলকারের ১০০ সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙার হাতছানি।
বিরাট কি পারবেন সেঞ্চুরিতে শচীনের চেয়েও বিরাট হতে? করোনা মহামারির আগে যখন তিনি ব্যাটে রানের বন্যা বইয়ে দিচ্ছিলেন তিনি, সবাই ভেবে নিয়েছিল হাতছাড়া হতে যাচ্ছে শচীনের অবিশ্বাস্য রেকর্ডটি। কিন্তু এরপর হঠাৎ ট্রেনের মতো লাইনচ্যুত হয়ে পড়েন কোহলি। তার জন্য কম সমালোচনাও সইতে হয়নি ৩৪ বছর বয়সী ব্যাটারকে।
এমনকি ক্রিকেট থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। তবে গত এশিয়া কাপে রানে ফেরার পর আফগানদের বিপক্ষে সেঞ্চুরির খরাও কাটান তিনি। এরপর আবার জোরেশোরে শুরু হয়েছে শচীনের রেকর্ড ভাঙার আলোচনা। হবেই না বা কেন! ইতিমধ্যে তিন সংস্করণেই যে সেঞ্চুরিতে ফিরেছেন কোহলি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর ২৫ সেঞ্চুরি পেলেই শত সেঞ্চুরির মালিক সাবেক সতীর্থ শচীনকে ছুঁয়ে ফেলবেন কোহলি। ইতিমধ্যে ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে ‘লিটল মাস্টারের’ রেকর্ড দখলে নেওয়ার সামনে তিনি। একদিনের ক্রিকেটে ৪৬ সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন কোহলি। ৪৯ সেঞ্চুরি আছে শচীনের। ভারতীয় ‘ক্রিকেট ঈশ্বরের’ সঙ্গে কোহলির বড় পার্থক্য টেস্টে। ২০০ ম্যাচে শচীনের সেঞ্চুরির সংখ্যা ৫১। আর ১০৮ ম্যাচে কোহলির ২৮।
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ হবে ভারতের মাটিতে। কোহলির বড় সুযোগ আছে নিজ দেশের সমর্থকদের সামনে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে শচীনের সিংহাসন দখল করার। তবে ভারতের সাবেক কোচ রবি শাস্ত্রী শচীনের রেকর্ড ভাঙার বিষয়টিকে এত সহজ মনে করেন না। এমনকি কোহলি যদি আরও ৫-৬ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেন তবুও শত সেঞ্চুরিতে শচীনকে ছাড়িয়ে যাওয়া সহজ হবে না মনে করেন তিনি।
স্পোর্টইয়ারিকে শাস্ত্রী বলেছেন, ‘কয়জন খেলোয়াড় ১০০ সেঞ্চুরি করেছেন? কেবল একজন। সুতরাং আপনি যদি বলেন সে (কোহলি) এই মাইলফলক ছাড়িয়ে যাবে, তবে এটা বিশাল কিছু হবে। তার এখনো ক্রিকেটে দেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে। সে খুবই ফিট।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২০ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে