রাহুল দ্রাবিড় ভারতের কোচের দায়িত্ব নিয়ে এখনো তিন মাসও হয়নি। গত বছরের নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকে ভারতের প্রধান কোচের দায়িত্বে দ্রাবিড়। এই অল্প সময়েই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ দেখে ফেলেছেন সাবেক এই ভারতীয় অধিনায়ক।
ভারতের বয়সভিত্তিক দলকে সাফল্য এনে দিয়েছেন দ্রাবিড়। তাঁর অধীনে ভারত অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপও জিতেছে। দলের সমৃদ্ধ পাইপলাইন গড়ে তোলার পেছনেও বড় অবদান আছে তাঁর। জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পরেও ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বেশ সফল ছিলেন দ্রাবিড়। টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০তে কিউইদের ধবলধোলাইয়ের পর ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে জেতে ভারত। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়েই এলোমেলো বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুলরা। টেস্টে সিরিজ হারের পর ওয়ানডেতে হয়েছেন ধবলধোলাই। সাবেক পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার মনে করছেন, দ্রাবিড়কে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি ওভাররেটেড কোচ নন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় এমন ভরাডুবির পর দ্রাবিড়ের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। এই কাজ দ্রাবিড় কতটুকু করতে পারবেন সেটি সময় বলে দেবে। কিন্তু শোয়েবের আশা দ্রাবিড় নিজেকে প্রমাণ করবেন। রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস বলেন, ‘আমি আশা করি লোকে বলবে না সে (দ্রাবিড়) একজন ওভাররেটেড কোচ, তাকেই এটি প্রমাণ করতে হবে। রবি শাস্ত্রীর জায়গাটি তাকেই পূরণ করতে হবে। তার সামনে অনেক বড় দায়িত্ব আছে, দেখা যাক সে কেমন করে।’
জয় দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শুরু করেছিল ভারত। এরপরেই উল্টে যায় পাশার দান। সেঞ্চুরিয়ান টেস্ট জেতার পরের দুই টেস্ট, এরপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ভারতীয় দলের ব্যর্থতার গল্পটা বদলায়নি। টানা ৫ ম্যাচেই হেরেছে কোহলিরা। শোয়েব অবশ্য মনে করেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাজে পারফরম্যান্সই সবকিছু শেষ করে দেয়নি, ‘আমি জানি না (বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট) সৌরভ গাঙ্গুলি এবং অন্যান্যরা কে কী ভাবছেন। অবশ্যই ভারতের ক্রিকেট পালাবদলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। না, তারা (ভারতীয় ক্রিকেট) নিচের দিকে যাচ্ছে না। আপনাকে বর্তমান অবস্থার দখল নিয়ে নিতে হবে। রাহুল দ্রাবিড়ের হাতে এখন বেশ বড় দায়িত্ব।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩০ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে